বিজ্ঞাপন

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আজ শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করা বাংলাদেশের একে একে উইকেট পড়ায় মুশফিক খেলতে পারেননি স্বাভাবিক গতিতে। সেঞ্চুরি করতে মাত্র ছয়টি চার মেরেছেন, যার চারটিই এসেছে ৮০’র ঘরে এসে।

এর আগে মুশফিককে যেতে হয়েছে ভাঙা–গড়ার মাঝে দিয়েই গেছে। শেষ পর্যন্ত মুশফিকের সেঞ্চুরিও বাংলাদেশকে আড়াই শ রানের পুঁজি এনে দিতে পারেনি বাকিদের ব্যর্থতায়।

default-image

বাংলাদেশ দল ১৫ রান তুলতে আউট হন তামিম ইকবাল। সাকিব আল আল হাসানও স্কোর বাড়াতে পারেননি। এমন সময় ব্যাটিংয়ে নামতে হয় মুশফিককে। এমন অবস্থায় তাঁর প্রথম কাজ ছিল লিটন দাসের সঙ্গে জুটি গড়ে ইনিংসের ভিত গড়া।

সেই চেষ্টাও বৃথা যায় লিটনের আউট হওয়ায়। সবে মাত্র ব্যাটিং পাওয়ারপ্লে শেষ হয়েছে। ৪৯ রান তুলতেই বাংলাদেশের তিন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান আউট।
দুই বছর পর দলে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেনও ক্রিজে এসে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।

৪৯ রানে ৩ উইকেট থেকে বাংলাদেশকে ৭৪ রানে ৪ উইকেট হারাতে তাই বেশি সময় লাগেনি। মাহমুদউল্লাহ ক্রিজে এসে ২ ছক্কা ও ১ চারে ৪১ রান করায় যা একটু রক্ষা। আগের ম্যাচের মতো মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ জুটি ৮৭ রান যোগ করায় বাংলাদেশের রান দুই শর কাছাকাছি পৌঁছায়।

মাহমুদউল্লাহই যা একটু বড় শট খেলার চেষ্টা করেছেন। মুশফিক খেলেছেন দলের জন্য, এক-দুই রান নিয়ে।

ইনিংসের ৩৪তম ওভারে মাহমুদউল্লাহ আউট হওয়ায় আবার বাংলাদেশ ইনিংস মুশফিকনির্ভর হয়। ক্রিজে এসে আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজের কেউই টিকতে পারেনি।

তবে আটে নামা মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে নিয়ে মুশফিক চালিয়ে যান তাঁর একার লড়াই। ৪৮ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের রান লড়াই করার মতো অবস্থায় নিয়ে যান মুশফিক। কিন্তু পুরো ইনিংসের মতো সাইফউদ্দিনের সঙ্গ দীর্ঘক্ষণ পাননি তিনি। ১১ রান করে আউট হন সাইফউদ্দিন। এরপর শরিফুলও টেকেননি।

default-image

এর মাঝেই মুশফিক খুঁজছিলেন দ্রুত রান খোঁজার পথ। ইনিংসে ১১ বল বাকি থাকতে সেই চেষ্টায় কাভারে ক্যাচ দেন তিনি। ১১ বল থাকতেই শেষ উইকেট হিসেবে ইনিংস শেষ হয় মুশফিকের, সঙ্গে বাংলাদেশেরও। আজ বাংলাদেশের ইনিংসকে মুশফিকের ‘ইনিংস’ বললেও ভুল হওয়ার কথা না। কারণ তাঁর ১২৭ বলে ১২৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংসটিই যে বাংলাদেশের ২৪৬ রানের পুঁজির মেরুদণ্ড। ১০ চারে ইনিংসটি সাজান তিনি।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন