বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

১৬তম ওভারের শেষ বলে আনরিখ নর্কিয়া যখন নিতীশ রানাকে ফেরালেন বোঝা যায়নি পরের চার ওভারে কী হতে যাচ্ছে। আবেশ খানের করা ১৭তম ওভারে আসে ২ রান, ফিরে যান ৪৬ রান করা শুবমান গিল। কাগিসো রাবাদার পরের ওভারে দিনেশ কার্তিকের উইকেট হারিয়ে কলকাতা তুলতে পারে ১ রান। ১৯তম ওভারে নর্কিয়ার ৩ রান দিয়ে ফেরান এউইন মরগানকে।

৬ বলে ৭ রান, এমন সমীকরণে উইকেটে আসেন সাকিব আল হাসান। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের করা শেষ ওভারের প্রথম বলে রাহুল ত্রিপাঠি ১ রান নিয়ে স্ট্রাইক দেন সাকিবকে। দুই বল খেলে কোনো রান না করে এলবিডব্লু হয়ে যান সাকিব। পরের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ সুনীল নারাইন।

default-image

প্রান্ত বদলে স্ট্রাইকে আসা ত্রিপাঠি পরের বলেই বিশাল এক ছক্কা মেরে সব শঙ্কা উড়িয়ে দলকে জয় এনে দেন। ১১ বলে ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন ত্রিপাঠি। কলকাতার ইনিংসে সর্বোচ্চ ৫৫ রান ভেঙ্কটেশ আইয়ারের। উদ্বোধনী জুটিতে গিলকে নিয়ে ৯৬ রান যোগ করেন তিনি।

জিতলে ফাইনাল, হারলে বিদায়—এমন সমীকরণের ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিং নেন কলকাতা অধিনায়ক এউইন মরগান। প্রথম ওভারে সাকিব ১ রান দেওয়ার পর পৃথ্বী শ একটু চড়াও হওয়া শুরু করেন। নিজের দ্বিতীয় ওভারে সাকিব আল হাসান দিলেন ১২ রান, সুনীল নারাইন প্রথম ওভারে ১৪ রান। শ বেশিক্ষণ টেকেননি। বরুণ চক্রবর্তীর প্রথম ওভারেই ফিরে গেছেন

শিখর ধাওয়ানও ৩৯ বল খেলে ৩৬ রান করে বরুণের শিকার। ২৩ বলে ১৮ রান করা মার্কাস স্টয়নিসকে ফিরিয়েছেন শিবম মাভি। অধিনায়ক ঋষভ পন্ত ৬ বলে ৬ রান করেই ফিরেছেন। একবার নো বলে বেঁচে গিয়েও ১০ বলে ১৭ রান করেই থামতে হয়েছে শিমরন হেটমায়ারকে। শেষ দিকে ২৭ বলে অপরাজিত ৩০ রানের ইনিংসে দিল্লিকে ১৩৫ পর্যন্ত নিয়ে যান শ্রেয়াস আইয়ার। সাকিব শেষ পর্যন্ত ৪ ওভারে দিয়েছেন ২৮ রান, নারাইন ৪ ওভারে ২৭। ২৬ রানে ২ উইকেট বরুণের, ১টি করে নিয়েছেন ফার্গুসন ও মাভি।

আগামী শুক্রবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ফাইনাল খেলবে কলকাতা নাইট রাইডার্স।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন