বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৪ বলে ১২ রান করে দিনেশ কার্তিক যখন আউট হলেন, জয় থেকে ৩২ বলে ৩২ রানের দূরত্বে পিছিয়ে কলকাতা। অথচ ১০ ওভার শেষেও কলকাতার স্কোর ছিল ২ উইকেটে ৬৭। ৬০ বলে দরকার ছিল ৬১ রান।

এখান থেকে পরের ৫ ওভারে ৩ উইকেট হারানোর পাশাপাশি মাত্র ৩১ রান তুলতে পেরেছে কলকাতা। চারে নামা নীতিশ রানার দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটের জয় তুলে নেয় এউইন মরগানের দল। ২৭ বলে অপরাজিত ৩৬ রানের ইনিংস খেলেন রানা, মেরেছেন দুটি করে চার ও ছয়।

default-image

ষষ্ঠ উইকেটে নারাইন–রানার ১৪ বলে ২৬ রানের জুটিতে কলকাতার রান তাড়াটা সহজ হয়। নারাইন তাতে দারুণ ভূমিকা রাখেন ১০ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলে। একটি চার ও দুটি ছক্কায় ইনিংসটি সাজান তিনি।

আইপিএলে কলকাতার হয়ে প্রথম তিন ম্যাচ খেলে ভালো করতে পারেননি সাকিব। এরপর তাঁর জায়গায় নারাইনকে টানা খেলাচ্ছে কলকাতা। আজ ব্যাটে–বলে দলের জয়ে দারুণ অবদান রেখে নারাইন যেন বুঝিয়ে দিলেন, কলকাতার সিদ্ধান্তই সঠিক। এই জয়ে ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে আছে কলকাতা। সমান ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে দিল্লি আছে দ্বিতীয় স্থানে।

চোটের কারণে আন্দ্রে রাসেল আজ কলকাতার হয়ে খেলতে পারেননি। এর পাশাপাশি প্রসিদ কৃঞ্চাকেও খেলায়নি কলকাতা। রাসেলের জায়গায় কলকাতার হয়ে আইপিএলে অভিষেক ঘটে টিম সাউদির।

প্রসিদের জায়গায় আরেকজন পেসার সন্দ্বীপ ভারিয়েরকে খেলায় দলটির টিম ম্যানেজমেন্ট। ২৯ রানে ১ উইকেট নেওয়া সাউদির অভিষেক একদম খারাপ হয়নি। তবে দিল্লির দুই ওপেনারকে ৬.২ ওভারের মধ্যে ফিরিয়ে কলকাতাকে ভালো শুরু এনে দেন কিউই পেসার লকি ফার্গুসন। ওপেন করা স্টিভ স্মিথ ৩৪ বলে ৩৯ রান করে আউট হন। ২০ বলে ২৪ রান করে আউট আরেক ওপেনার শিখর ধাওয়ান।

চারে নামা পন্ত ৩৬ বলে ৩৯ রান না করলে দিল্লির সংগ্রহ ভদ্রস্থও হতো না। ৩ চারে ইনিংসটি সাজান পন্ত। কলকাতার হয়ে ২টি করে উইকেট নেন নারাইন, ফার্গুসন ও ভেঙ্কটেশ আইয়ার। তবে নারাইন আজ ব্যাটে–বলে দারুণ ছিলেন। সাকিবকে বসিয়ে রেখে কলকাতা কেন নারাইনকে খেলাচ্ছে—ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা যেন আজ তারই জবাব দিলেন! ১৮ রানে ২ উইকেট নেন নারাইন। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে দলের জয়ে রেখেছেন দারুণ অবদান।

কলকাতা ৩২ বলে ৩২ রানে পিছিয়ে থাকতে উইকেটে আসেন নারাইন। ১৬তম ওভারে কাগিসো রাবাদার ওপর ঝড় বইয়ে দিয়ে কলকাতার লক্ষ্যটা সহজ করে ফেলেন তিনি। ওই ওভারে কলকাতা তুলেছে ২১ রান, এর মধ্যে ১৯ রানই নারাইনের।

পরের ওভারে প্রোটিয়া পেসার আনরিখ নরকিয়ে তাঁকে তুলে নেওয়ার আগে কলকাতাকে জয়ের সুবাস পাইয়ে দেন তিনি। ১০ বলে ২১ রান করে আউট হন নারাইন। নারাইনের পর আউট হয়ে ফেরেন ৩ রান করে। জয়ের জন্য তখন মাত্র ২ রান দরকার ছিল কলকাতার। লকি ফার্গুসন উইকেট আসার পর সেই রান তুলে নেন রানা।

দিল্লির হয়ে ৩ উইকেট নেন পেসার আবেশ খান। ১টি করে উইকেট কাগিসো রাবাদা, ললিত যাদব, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও নরকিয়ের।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন