বিজ্ঞাপন

নিষিদ্ধ হওয়ার আগে সাকিব বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক ছিলেন। আপাতত অধিনায়কত্ব নিয়ে তিনি কিছু ভাবছেন না। তাঁর সব মনোযোগ শুধুই প্রত্যাবর্তনে, ‘আমার প্রথম লক্ষ্য হলো যেখানে শেষ করেছি সে জায়গাটায় পৌঁছানো। এর থেকেও যেন ভালো কিছু করতে পারি, এই তাড়না আমার মধ্যে থাকবে। আপনাদের অনুপ্রেরণা ও দোয়ার প্রতিদান দেওয়ার অবশ্যই চেষ্টা করব।’ তবে নিষেধাজ্ঞা সাকিবকে অনেক কিছু শিখিয়েছে, ‘এটা আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। জীবন নিয়ে ভিন্নভাবে ভাবতে শিখিয়েছে, অনেক দরজা খুলে গেছে বলে আমার মনে হয়। এটা এক প্রকার আশীর্বাদ বলতে পারেন।’

প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরার লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরে বিকেএসপিতে তাঁর দুই পুরোনো কোচ নাজমুল আবেদীন ও মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করেছেন সাকিব। প্রস্তুতিটা যে ভালো হয়েছে, সেটিই বলছিলেন ৩৩ বছর বয়সী অলরাউন্ডার, ‘বিকেএসপির অনুশীলনটা খুবই ভালো ছিল। আমার মনে হয় এটা দরকার ছিল। যদিও আমার ইচ্ছে ছিল আরও ১৫-২০ দিন করার। শ্রীলঙ্কা সিরিজ না হওয়ায় আর চালিয়ে নেওয়া হয়নি, যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রে চলে এসেছি। আমার মনে হয় ১৫-২০ দিন বেশি করতে পারলে পুরোপুরি একটা প্রস্তুতি হয়ে যেত পরবর্তী এক-দুই বছরের জন্য। যেহেতু সময় আছে, সামনে আমাদের একটা ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আছে ওখানে ওই ১৫-২০ দিনের ঘাটতি পূরণ করতে পারব বলে আমার ধারণা।’

করোনার কারণে সাকিবকে খুব বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ হাতছাড়া করতে হয়নি। এদিক দিয়ে নিজেকে ‘সৌভাগ্যবান’ ভাবছেন তিনি। তবে ফেরার পর সাকিবকে অবশ্যই সামনের বড় টুর্নামেন্টগুলো নিয়ে ভাবতে হবে। ভাবতে হবে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়েও। ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে তাঁর ভাবনার কথা কাল কিছুটা জানিয়েছেনও, ‘জানি না আমরা কত দূর এগিয়েছি টি-টোয়েন্টিতে। তবে টি-টোয়েন্টির একটা সৌন্দর্য হচ্ছে যে কেউ ফেবারিট না। এটা আমাদের একটা ভরসা। যেহেতু এখন আমরা নিয়মিত অনেক বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলছি। আমার কাছে মনে হয় ২০১৫-১৬ থেকে আমরা এখন অনেক ভালো একটা দল। এখন বুঝতে পারি কীভাবে খেলা উচিত।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন