জাতীয় ক্রিকেট দলের অনুশীলনে ফুটবলটাও ভালোই খেলেন সাকিব।
জাতীয় ক্রিকেট দলের অনুশীলনে ফুটবলটাও ভালোই খেলেন সাকিব। ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাকিবের ঢাকায় ফেরার কথা আজ রাতে। এর আগে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। এই যে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা, নিষিদ্ধ হওয়ার যন্ত্রণা, হতাশা, পরিবারকে সময় দেওয়া, এমনকি ফুটবল নিয়েও কথা বলেছেন এই তারকা অলরাউন্ডার।

কে না জানে, সাকিব লিওনেল মেসি ও বার্সেলোনার ভক্ত। গত আগস্টে মেসি-বার্সা দ্বন্দ্বে যে ঝড় বয়ে গেছে, তা নিয়েই নিজের ভাবনাটা জানাতে হয়েছে সাকিবকে।

বিজ্ঞাপন

সাকিব আগেই জানিয়েছিলেন, ভক্ত ও সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের জবাব দেবেন। সে অনুযায়ী ভিডিও বার্তায় তিনি সবার আগে ভক্তদের প্রশ্নের জবাব দেন। প্রশ্নগুলো তিনি নিজেই বাছাই করেন। ফুটবল নিয়ে করা প্রশ্ন বাছাই করায় অনেকে হয়তো একটু চমকেও গেছেন।

সত্যি বলতে আমি চাইছিলাম মেসি চলে যাক। ম্যানচেস্টার সিটি কিংবা পিএসজিতে যাক। আমার ধারণা, ও ওই দুই জায়গায় গেলে অনেক ভালোভাবে খেলতে পারত। অনেক স্বাধীনভাবে খেলতে পারত
সাকিব আল হাসান, বাংলাদেশ অলরাউন্ডার

সাকিব কিন্তু ফুটবলের খোঁজখবর ভালোই রাখেন। জাতীয় দলের অনুশীলনে গা গরমের সময় ফুটবলটাও খেলেন ভালো। সে যা–ই হোক, এক ভক্ত তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আপনার খুব কঠিন সময়ে ভক্তরা ছিল আপনার পাশে। মজার ব্যাপার, আপনাকে মেসির বড় ভক্তই বলা চলে। কদিন আগেই বার্সেলোনা ছেড়ে দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন মেসি। তখন বেশ কঠিন এক সময়ই গেছে তার। প্রিয় খেলোয়াড় ও ক্লাব যখন এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, ভক্ত সাকিবের ভাবনা কী ছিল?’

মুখে হাসি ফুটিয়ে সাকিবের জবাব, ‘সত্যি বলতে আমি চাইছিলাম মেসি চলে যাক। ম্যানচেস্টার সিটি কিংবা পিএসজিতে যাক। আমার ধারণা, ও ওই দুই জায়গায় গেলে অনেক ভালোভাবে খেলতে পারত। অনেক স্বাধীনভাবে খেলতে পারত, যেহেতু ওর ক্যারিয়ারের একদম শেষ সময়। এ বছরটা কিংবা পরের বছরটা খুব ভালোভাবে উপভোগ করতে পারত, যেটা বার্সেলোনায় হয়তো অত সম্ভব হয় না। কারণ, শেষ তিন-চার বছর ওর একার ওপর অনেক চাপ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যেহেতু বার্সেলোনাতেই আছে, তাই আমি চাইব, ও যেন নিজের সেরাটা দিয়েই শিরোপা জিতিয়ে বের হতে পারে, যদি বের হতে চায় পরের বছর।’

default-image
বিজ্ঞাপন

মেসির প্রতি ভক্তি এর আগে সরাসরি প্রকাশ করেছেন সাকিব। আর্জেন্টাইন তারকার সাম্প্রতিক সময় নিয়ে তাই ভালোই জানা থাকার কথা দেশসেরা অলরাউন্ডারের। গত আগস্টে বার্সা ছাড়ার ইচ্ছা বুরোফ্যাক্সের মাধ্যমে ক্লাবকে জানিয়েছিলেন মেসি। এরপরই নড়চড়ে বসে ‘বাই আউট ক্লজ’–এর মারপ্যাঁচ দিয়ে মেসিকে ধরে রাখার চেষ্টায় সফল হন বার্সার তখনকার সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তোমেউ।

default-image

ভালোবাসার ক্লাবকে আদালতের কাঠগড়ায় তুলতে পারবেন না—এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়ে বার্সায় অন্তত আরও এক মৌসুম থেকে যাওয়ার ইচ্ছা জানান মেসি। তবে এর মধ্য দিয়ে আগুন কিন্তু তখনই নেভেনি। অনেক জল ঘোলা করে বার্তোমেউ বার্সা সভাপতির পদ ছাড়ার পর ক্যাম্প ন্যু-র পরিস্থিতি খানিকটা শান্ত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

মন্তব্য পড়ুন 0