বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রথম সেশনেও সুযোগ হাতছাড়া করেছিল বাংলাদেশ। সারেল এরউই ক্যাচ দিয়েছিলেন উইকেটের পেছনে। মিরাজের বলে দেওয়া ক্যাচটাকে কঠিন বলার উপায় নেই। কিন্তু উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্বে থাকা লিটন দাস ঠিকমতো বলটা গ্লাভসে রাখতে পারেননি। তাতে ৩২ রানে জীবন পেয়েছেন এরউই। সেই এরউই আর মাত্র ৯ রান যোগ করে ফিরেছেন মিরাজের বলেই। বলের কাছে না গিয়ে অফ স্পিনারের বলে অফসাইডে মারতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বল গেল স্টাম্পে।

default-image

এর ৫ বল আগেই অবশ্য বাংলাদেশ বড় শিকারটা তুলে নিয়েছে। দিনের শুরু থেকেই বেশ আক্রমণাত্মক খেলছিলেন ডিন এলগার। দ্বিতীয় সেশনে রানের গতি কমে এলেও বেশ স্বচ্ছন্দে খেলছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক। খালেদ আহমেদের বাড়তি বাউন্স হঠাৎ তাঁর রক্ষণ নাড়িয়ে দিল। গ্লাভসের ছোঁয়া নিয়ে বল লিটন দাসের কাছে। এবার আর কোনো ভুল হয়নি। ১১৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

পুরো সকাল দাপটে খেলা দক্ষিণ আফ্রিকার এরপরই ছোট একটা ধসের মধ্যে দিয়ে গেছে। পিটারসেনের রানআউটের সময় দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ছিল ১৪৬। সেশনের বাকি সময়টায় আর কোনো উইকেট পড়তে দেননি বাভুমা (২২*) ও অভিষিক্ত রায়ান রিকেলটন (১১*)।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন