default-image

খেলার ধারাভাষ্য দেওয়ার ফাঁকে ফাঁকে ক্রিকেট ধারাভাষ্যকারদের খেলার বাইরের নানা বিষয় নিয়েও মাঝেমধ্যে আলোচনা করতে শোনা যায়। পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ধারাভাষ্যকাররাও এর ব্যতিক্রম নন। খেলার ধারাভাষ্য দিতে গিয়ে পিএসএলের সে রকম একটি আলোচনাই করেছিলেন সাইমন ডোল। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের এই ধারাভাষ্যকারের হালকা চালের রসিকতা মোটেই ভালো লাগেনি কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের দক্ষিণ আফ্রিকান ফাস্ট বোলার ডেল স্টেইনের।

ব্যাপারটি শুধু ভালো লাগা না লাগার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার তো বিষয়টি নিয়ে রেগেমেগে আগুন। স্টেইন রাগবেন না কেন, রসিকতাটা যে তাঁকে নিয়েই করেছেন ডোল।

বিজ্ঞাপন
default-image

পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে কোয়োটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের ম্যাচ চলছিল তখন। স্টেইন বসে ছিলেন গ্ল্যাডিয়েটর্সের ডাগআউটে। তাঁর চুলের নতুন স্টাইল দেখে একটু কথা বলতে ইচ্ছে হয়েছিল ডোলের। কিউই ধারাভাষ্যকার স্টেইনের লম্বা লম্বা চুল দেখে বলেছিলেন, ‘এটা মাঝ বয়সের সমস্যা!’ ডোলের পাশ থেকে তাঁর সতীর্থ এক ধারাভাষ্যকার সঙ্গে সঙ্গেই বলেছেন, ‘এটাকে লকডাউন চুল বলা যায়!’

‘মাঝ বয়সের সমস্যা’—এ শব্দ দুটিই স্টেইনের বিরক্তির কারণ। স্টেইন এর প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন টুইটারে। ম্যাচ শেষে তিনি টুইট করেছেন, ‘প্রশ্ন হচ্ছে কোন ধারাভাষ্যকার বলেছেন যে আমার বয়সের সমস্যা আছে?’ প্রশ্নটা করেই থেমে থাকেননি। আরেকটি টুইট করে ডোলকে কিছু পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। তাঁর সেই পরামর্শের সারমর্ম এ রকম—এসব নিয়ে আলোচনা না করে তাঁর উচিত ক্রিকেটের ধারাভাষ্য দেওয়া। খেলা নিয়ে কথা বলা। আর খেলার বিশ্লেষণ করা।

default-image

দ্বিতীয় একটি টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘আপনার কাজ যদি হয় খেলা নিয়ে কথা বলা, তাহলে সেটিই করুন।’ এই পরামর্শটা দেওয়ার পর ওই টুইটেই তিনি ডোলকে একদম ধুয়ে দিয়েছেন, ‘আপনি যদি সময়টাকে কারও ওজন, কারও যৌনজীবন, কে কোন বর্ণের, কার জীবনাচারণ কেমন বা কার চুলের স্টাইল কী—এসব নিয়ে কথা বলেন, তাহলে আপনাকে তো মানুষই মনে করি না।’

স্টেইন টুইটটা শেষ করেছেন এভাবে, ‘আমি এটুকুই বলতে পারি। কাল রাতে অসাধারণ সময় কেটেছে। দর্শকের সামেন ক্রিকেট খেলাটা দারুণ ব্যাপার।’ কাল পেশোয়ার জালমির কাছে হেরে গেছে স্টেইনের কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স। হেরে গেলেও পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা করছেন স্টেইন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন