বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩০ বলে ২৯। তবে উইকেটে থিতু হওয়ার পর রিভার্স সুইপ খেলে আউট হয়েছিলেন সে ম্যাচে। এরপর বাকি তিনটি ম্যাচে অবশ্য ব্যাট আর কথা বলেনি তাঁর। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচটিতে দলের প্রয়োজনীয় মুহূর্তে ‘স্কুপ’ খেলে আউট হওয়ার জন্য সমালোচিত হয়েছেন তিনি। তবে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুশফিক সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে সমালোচকদের আয়নায় নিজেদের মুখ দেখার ‘পরামর্শ’ দিয়ে।

বাদ পড়ুন আর বিশ্রামেই যান, মুশফিক এবার বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের বাইরে। আর এমনটি ঘটতে যাচ্ছে ২০০৮ সালের পর এই প্রথম। শুধু তা-ই নয়, নিজের ১০০তম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ঠিক আগমুহূর্তেই তিনি দলে নেই। ২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি তিনি খেলেছিলেন। সেই থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি পর্যন্ত মুশফিক মোট ৯৯টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেললেন। বাংলাদেশের মোট ১২০টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচের মধ্যে ৯৯টিতেই খেলেছেন তিনি। ২০০৮ সালে করাচিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তিনি ছিলেন না। সে ম্যাচের পর এবারই প্রথম কোনো সিরিজে নেই তিনি।

default-image

৯৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৯০টি ইনিংসে ব্যাটিং করে মুশফিক ১১৫.৩৫ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ১৪৬৫ রান। ২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফিতে চার দিনের ব্যবধানে তিনি শ্রীলঙ্কা ও ভারতের বিপক্ষে অপরাজিত ৭২ রানের দুটি ইনিংস খেলেন। টি-টোয়েন্টিতে এটাই তাঁর সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। দলের সেরা ব্যাটসম্যান হলেও এই ৯৯টি টি-টোয়েন্টিতে তাঁর গড় কেন মাত্র ১৯.৭৯, সেটি নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই পারেন ক্রিকেটপ্রেমীরা!

তবে আপাতত তাঁকে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টিতে দেখা যাবে না, এটাই বাস্তবতা। তবে মুশফিকের এই ‘না থাকা’টা কেবলই ‘বিশ্রাম’ নাকি অন্য কিছু, সেটি আরও ভালো করে জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতেই হচ্ছে সবাইকে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন