বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিসিসিআইয়ের সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি ও ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের সভাপতি রিকি স্কেরিটের সঙ্গে মার্টিন স্নেডেনের নেতৃত্বে একটা উপকমিটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক আয়োজক নির্বাচনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বেছে নিয়েছে স্বাগতিক দেশগুলো। আইসিসির ব্যবস্থাপনায় আগ্রহী দেশগুলোর ব্যাপারে যাচাই-বাছাই করে দেখার পর নেওয়া হয়েছে এমন সিদ্ধান্ত।

২০৩১ সালে ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনের বিশ্বকাপই এ চক্রে আইসিসির শেষ বৈশ্বিক ইভেন্ট। সর্বশেষ ২০১১ সালে উপমহাদেশে হয়েছিল বিশ্বকাপ। সেবার ভারতের সঙ্গে ছিল বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাও। এরপর ২০১৪ সালে এককভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ।

এ চক্রে একমাত্র ভারতই আয়োজক হিসেবে থাকবে তিনটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টেই- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ওয়ানডে বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজনের সঙ্গে একটি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি এককভাবে আয়োজন করবে তারা।

default-image

২০২৪ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত প্রতি দুই বছর পর পর হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২০০৭ সালে শুরু হওয়া এ টুর্নামেন্টের প্রতিবারই ছিল একক আয়োজক (২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে হলেও এর মূল আয়োজক ছিল ভারতই)।

তবে পরের চক্রে প্রতিটি আসরই হবে যৌথ আয়োজনে। ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে ২০১০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়, ২০২৮ সালে হবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে। ২০৩০ সালে এটি হবে ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডে।

এ চক্রে হবে দুটি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি- ২০২৫ সালের আসরটি হবে পাকিস্তানে, চার বছর পর আরেকটি আসর হবে ভারতে। ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপের পর এই প্রথম আইসিসির বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট ফিরছে পাকিস্তানে।

default-image

২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক আগে থেকেই ভারত। ২০২৭ সালে পরবর্তী বিশ্বকাপ হবে আফ্রিকায়- দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া আয়োজন করবে যৌথভাবে। এর আগে সর্বশেষ ২০০৩ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়, সঙ্গে ছিল জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়া।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন