বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

পাকিস্তান ক্রিকেট দল এ মুহূর্তে বাংলাদেশে। তিনটি টি–টোয়েন্টি আর দুই টেস্টের সিরিজ শুরু হবে খুব শিগগির। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বাদ পড়ার এক দিন পরেই বাংলাদেশে এসেছে পাকিস্তান দল। ঢাকায় টিম হোটেলে বসেই রিজওয়ান জানান তাঁর অসুস্থতার বিষয়ে। বলেন, ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর অসুস্থতা গুরুতর পর্যায়েই পৌঁছেছিল।

‘শরীরটা ভালো লাগছিল না সেদিন। আমাকে সেদিন হাসপাতালে যেতে হয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা ছিলেন হোটেলে। প্রথমে হোটেলের নিচে আমার ইসিজি করা হয়। যখন হাসপাতালে পৌঁছালাম, তখন আমি ঠিকমতো নিশ্বাসই নিতে পারছিলাম না। চিকিৎসকেরা বলছিলেন ফুসফুসের দুটি ধমনিতে সমস্যা দেখা দিয়েছে’—পিসিবির ভিডিওতে ব্যাখ্যা করেন রিজওয়ান।

default-image

তবে হাসপাতালে আগেভাগে না গেলে যে আরও বড় বিপদ হতে পারত, সেটিও রিজওয়ান জানিয়েছেন ভিডিওতে, ‘তখনো তাঁরা আমাকে পুরো ব্যাপারটা খোলাসা করে বলেননি। পরে একজন নার্সকে জিজ্ঞাসা করে জানতে পারি, হাসপাতালে আসতে ২০ মিনিট দেরি হলেই ওই ধমনি দুটি ছিঁড়ে যেতে পারত। এরপর বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে আমাকে।’

সেমিফাইনাল ম্যাচের দুই দিন আগে থেকে ঠান্ডা লেগেছিল রিজওয়ানের। সঙ্গে ছিল তীব্র কাশি ও জ্বর। বুকে তীব্র ব্যথার কথাও বলেছিলেন। ৩৫ ঘণ্টা আইসিইউতে থাকতে হয়েছে তাঁকে। এরপরও সুস্থ হয়ে তিনি যেভাবে সেমিফাইনালে খেললেন, সেটি অবাক করেছে সবাইকে।

কীভাবে এতটা করতে পারলেন রিজওয়ান? তাঁর সাফ কথা, ম্যাচে খেলার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর ছিলেন তিনি। এমনকি চিকিৎসককে তিনি বলেছিলেন, তাঁর যদি ভালোমন্দ কিছু হয়ে যায়, সেটি যেন ম্যাচের পরেই হয়।

‘আমার চিকিৎসকের কথা মনে পড়ছে। তিনি বলেছিলেন, ‘রিজওয়ান, আমি চাই আপনি সেমিফাইনালে খেলুন। কিন্তু সত্যি কথা বলতে কী, আপনার শারীরিক অবস্থা মোটেও ভালো নয়।’ আমি তখন তাঁকে বলি, কিছু হলে যেন সেটি ম্যাচের পরেই হয়, কারণ সবকিছুই পাকিস্তানের জন্যই। আমার এ কথায় তাঁরা উৎসাহিত হন, এবং যা যা পদক্ষেপ নেন, সেগুলো আমার সুস্থ হয়ে উঠতে কাজে লেগেছে। তবে পুরো সময়টাই ছিল খুব কষ্টকর’ - বলেছেন রিজওয়ান।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন