default-image

প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো অবশ্য সম্পূর্ণ ফিট না হলে সাকিবকে খেলাতে রাজি নন। আজ জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘যে কেনোদিন, যে কেউই সম্পূর্ণ ফিট সাকিবকে দলে পেতে চাইবে। কিন্তু ৫০ বা ৬০ ভাগ ফিট একজন খেলোয়াড়কে টেস্ট ম্যাচ খেলানো কঠিন। পারফর্ম করার সুযোগ দেওয়ার জন্য একজন খেলোয়াড়কে পুরোপুরি ফিট হতে হবে।’

ডমিঙ্গো নিজেই কদিন আগে করোনার ধাক্কা কাটিয়ে উঠেছেন। নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই ডমিঙ্গো জানালেন, সুস্থ হয়েই সাকিবের জন্য টেস্ট ক্রিকেটের চাপ নেওয়া সহজ হবে না। প্রধান কোচ বলছিলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেট কঠিন। খেলা এবং অনুশীলনের মধ্যে না থেকে হুট করে এসে খেলা আরও কঠিন। এর ওপর সে কোভিড থেকে সেরে উঠেছে। আমারও কোভিড হয়েছিল। আমি জানি কতটা খারাপ অভিজ্ঞতা হয় এতে। শরীরেও শক্তি পাওয়া যায় না। এটা টি-টোয়েন্টি বা ওয়ানডে ম্যাচ নয়। এখানে পাঁচ দিন প্রায় ৬ ঘণ্টা করে মাঠে থাকতে হয়। এসব বিষয় অবশ্যই বিবেচনায় আনতে হবে।’

default-image

সাকিবের শারীরিক অবস্থা কেমন সেটি অবশ্য ফিটনেস পরীক্ষায় বোঝা যাবে। আজ সন্ধ্যায় সাকিবের চট্টগ্রামে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা। কাল অনুশীলনও করবেন বলে জানা গেছে। তবে পরশু প্রথম টেস্টে সাকিবের খেলা না খেলা নির্ভর করবে ফিটনেস পরীক্ষার ওপর।

ডমিঙ্গো জানালেন, ‘তার ফিটনেস পরীক্ষা করতে হবে। কোভিড থেকে সেরে উঠেছে মাত্র এবং খুব বেশি ক্রিকেট কিন্তু ও খেলেনি। সাকিব অবশ্যই আমাদের জন্য বড় খেলোয়াড়। সে দলের ভারসাম্য নিয়ে আসে। তাকে আগামীকাল আমরা দেখব। দুই তিন-সপ্তাহেরও বেশি সময় হয়ে গেছে ও ব্যাটিং বা বোলিং কিছু করেনি। হঠাৎ করে এসে পাঁচদিনের টেস্ট ম্যাচ খেলা কঠিন এবং পারিপার্শ্বিক অনেক কিছু চিন্তা করতে হবে। আমরা তাকে আগামীকাল পরীক্ষা করে দেখব।’

default-image

সাকিব শেষ পর্যন্ত না খেললে তাঁর বিকল্প কে হবে সেটিও ভেবে রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ব্যাটিংয়ের সঙ্গে বোলিং দক্ষতা আছে এমন কাউকেই দলে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডমিঙ্গো, ‘বোলিং করতে পারে এমন কাউকে আমাদের বিবেচনা করতে হবে। এটা আমাদের জন্যও চ্যালেঞ্জিং। যেমন আমাদের ইয়াসির আলী রাব্বী আছে। যে কিনা দুর্দান্ত পারফর্ম করছে। কিন্তু আমাদের এমন কাউকে প্রয়োজন যে কিনা ১৫-২০ ওভার বোলিং করতে পারে। আমি ঠিক নিশ্চিত নই মুমিনুল ১০–১৫ ওভার বোলিং করতে পারবে কিনা। (নাজমুল হোসেন) শান্তও বোলিং করে কিন্তু ৬-৭ ওভারের বেশি নয়। আমরা শেষ দুই বছর ধরেই ৬-৭ নম্বরে ব্যাটিং এবং ১০-১৫ ওভার বোলিং করতে পারে এমন কাউকে খুঁজছি। সাকিবের অনুপস্থিতিতে আমরা এখননো এমন কাউকে খুঁজছি। সাকিব থাকলে কাজটা সহজ। কিন্তু সাকিবকে খুব বেশি সময় পাওয়া যায় না।’

এক্ষেত্রে মোসাদ্দেক হোসেন হতে পারেন সমাধান। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে সর্বশেষ টেস্ট খেলা এই ক্রিকেটারও আছেন কোচের বিবেচনায়, ‘সে আমাদের নির্বাচনের ভাবনায় আছে। সে বোলিং করতে পারে। সাকিব খেলতে না পারলে মোসাদ্দেক খেলার জন্য বিবেচনায় আছে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন