default-image

বোঝাই যাচ্ছে একেবারে বাবার ছেলে। না হলে দুই মাসে দুটি ডাবল সেঞ্চুরি কীভাবে করতে পারে সামিত? যে তপস্যায় বাবা নিজেকে ছোটবেলা থেকে গড়েছিলেন, সেটি এরই মধ্যে শুরু করে দিয়েছে ১৪ বছরের ছেলে। ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন অধ্যায় লেখার কাজটা কি তবে শুরুই হয়ে গেল। সেটি অবশ্য সময়ই বলে দেবে।

সামিতের বাবা রাহুল দ্রাবিড় ভারতীয় ক্রিকেটে ‘দ্য ওয়াল’ নামে পরিচিত ছিলেন। ইতিহাসের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার। শুদ্ধতম ক্রিকেটারদের একজন। রক্তের টানটা ছেলের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে। নিজের স্কুল মাল্লয়া অদিতি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের হয়ে সামিত ১৪৪ বলে ২১১ রান করে অপরাজিত ছিল। ইনিংসটি সাজানো ২৬টি চার ও ১টি ছক্কায়। গত ডিসেম্বরে ইন্টার জোনাল অনূর্ধ্ব-১৫ টুর্নামেন্টেও সামিত একটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছিল ভাইস প্রেসিডেন্ট একাদশের হয়ে।

সামিতের ডাবল সেঞ্চুরিতে মাল্লয়া স্কুল নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩৮৬ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে। প্রতিপক্ষ বিজিএস ন্যাশনাল পাবলিক স্কুল ম্যাচটি হারে ১৩২ রানে। দ্রাবিড়-পুত্র বল হাতেও তুলে নেয় ২ উইকেট।

ছেলের এই দুই ডাবল সেঞ্চুরি দেখে বাবা রাহুল নিশ্চয়ই এখন তাঁকে ক্রিকেটার বানানোর কথা ভাববেন। বছর দুয়েক আগে অনূর্ধ্ব-১২ ক্রিকেটে সামিতের ১৫০ রানের একটি ইনিংসের পর রাহুল ছেলেকে ক্রিকেটার বানানোর বিষয়ে নিজের কিছু মতামত তুলে ধরেছিলেন, ‘ক্রিকেটার হিসেবে গড়ে ওঠার সময় আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছিল। এমন অভিজ্ঞতা যার হয়েছে সে বাবা কখনোই চাইবে না তাঁর সন্তানেরা এমন কষ্টকর কিছু বেছে নিক। তবে আমি খুশি যে তারা খেলাধুলা পছন্দ করে। খেলা নিয়ে সময় কাটায়। এ জন্য আমি দারুণ কৃতজ্ঞ এ জন্য যে খেলা পাগল হওয়ার কারণে আমার সন্তান টেলিভিশনটা কম দেখে। এবং ট্যাব-আইপ্যাডে সময়টা তারা কম কাটায়।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0