ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর আশা, সেপ্টেম্বরের সিরিজেই স্বাভাবিক হবে বাংলাদেশ–ভারত ক্রিকেট সম্পর্ক
তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলতে সেপ্টেম্বরে ঢাকায় আসার কথা ভারত ক্রিকেট দলের। সিরিজটি গত বছর হওয়ার কথা থাকলেও দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনায় কারণে তখন তা পিছিয়ে যায়। এই সেপ্টেম্বরেও ভারতের বিপক্ষে সিরিজটি হবে কি না, তা নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়।
এ বছরের মার্চে আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর নিরাপত্তাশঙ্কার কারণে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এ ঘটনার পর দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক আরও তলানিতে গিয়ে ঠেকে।
এর মধ্যেই বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভারতের বিপক্ষে সিরিজের জন্য মিডিয়াস্বত্ব বিক্রির কার্যক্রমও স্থগিত করে বিসিবি। তবে আজ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে সিরিজটি আয়োজনের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ককে স্বাভাবিক করতে চান তাঁরা।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের কার্যক্রম দেখতে এসে আজ মিরপুরের সুইমিং কমপ্লেক্সে সাংবাদিকদের আমিনুল হক বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্রীড়া কূটনীতিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ক্রিকেট আমাদের একটি মর্যাদার জায়গা। ক্রিকেট যেহেতু আমাদের বিশ্ব ক্রিকেটে অত্যন্ত সুদৃঢ় একটি অবস্থান আছে, সে ক্ষেত্রে বিগত সময়ের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে, বিশ্বকাপ ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে যে একটি টানাপোড়েন হয়েছে, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি…ইতিমধ্যে আমি নিজেই আমাদের যে ভারতের দূতাবাসে কথা বলেছি, তারাও আমাদের সঙ্গে কথা বলেছে, তারা সবাই অপেক্ষা করছে যে সেপ্টেম্বরে ভারত বাংলাদেশে আসবে।’
আমিনুল আরও বলেন ‘তিক্ততা’ ভুলেই এগোতে হবে সামনে, ‘বিগত সময়ের ছোট্ট একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে একটা টানাপোড়েন হয়েছিল, আমি মনে করি সেটাকে কাটিয়ে উঠে আমরা সুন্দরভাবে পার্শ্ববর্তী সব দেশের সঙ্গেই আমাদের যে ক্রীড়া কূটনীতি, আমাদের যে যোগাযোগ, চলাচল—সবকিছুই খুব স্বাভাবিকভাবে চলমান থাকবে।’
গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নতুন কুঁড়ির কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এরপর মে ও জুন মাসজুড়ে পর্যায়ক্রমে উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও আঞ্চলিক ধাপের খেলাগুলো শেষ হয়।
২৭ জুলাই বিকেল চারটায় আর্মি স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের সমাপনী অনুষ্ঠান ও সেরা ক্রীড়াবিদদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।