এবার ভারত–পাকিস্তান ফাইনালে থাকছেন না নাকভি
ফাইনাল মানেই আলাদা উত্তাপ। তার ওপর সেই ফাইনালে প্রতিপক্ষ যদি ভারত ও পাকিস্তান হয়, তবে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মাঠের বাইরে পর্যন্ত। আগামীকাল এশিয়ান গেমসে পুরুষ ক্রিকেটের ফাইনাল নিয়েও তাই বাড়তি উত্তেজনা। ম্যাচে কী হয়, সেটা দেখার অপেক্ষা যেমন দর্শকের, তেমনি ম্যাচের পরে কী ঘটতে পারে, সেটা নিয়েও বেশ কথাবার্তা চলছিল কয়েক দিন ধরে।
তবে এখন বোধ হয় ম্যাচের পরের সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা একটু কমবে। কারণ, ফাইনালে উপস্থিত থাকবেন না এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি।
আগের নির্ধারিত ব্যস্ততার কারণে ফাইনালের দিন উপস্থিত থাকতে পারবেন না নাকভি। আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এসিসি। সেখানে বলা হয়েছে, ‘এসিসির সভাপতি মহসিন নাকভি পূর্বনির্ধারিত ব্যস্ততার কারণে এশিয়ান গেমস ২০২৬–এর ফাইনাল দিবসে থাকতে পারবেন না। তবে সোনা ও ব্রোঞ্জ জয়ের লড়াইয়ের আগে চার দলকেই তিনি শুভকামনা জানিয়েছেন।’
জাপানের নিশিন শহরের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে আগামীকাল সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হবে ভারত–পাকিস্তান ফাইনাল। তার আগে ব্রোঞ্জ জয়ের ম্যাচে সকাল ৬টায় মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা।
গতকাল সেমিফাইনাল জিতে ফাইনালে উঠেছে ভারত ও পাকিস্তান। বৃষ্টিবিঘ্নিত ১৩ ওভারের ম্যাচে বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। আর অন্য সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ১২৪ রানে উড়িয়ে দিয়েছে ভারত।
সাম্প্রতিক সময়ে ভারত–পাকিস্তানের ক্রিকেট ম্যাচ মানেই বিতর্কের উপলক্ষ। ২০২৫ সালের শুরুর দিকে পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলার পর দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল। এর পর থেকেই বৈশ্বিক ক্রিকেটে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে করমর্দন এড়িয়ে চলছে ভারতীয়রা।
এসিসির টুর্নামেন্টে ট্রফি তুলে দিয়ে থাকেন সভাপতি, কিন্তু সেই ব্যক্তিটি পাকিস্তানের নাকভি হওয়ায় ২০২৫ ও ২০২৬ এশিয়া কাপে ভারতের পুরুষ ও নারী দল তাঁর কাছ থেকে ট্রফিও গ্রহণ করেনি। নাকভি শুধু এসিসি সভাপতিই নন, একই সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান ও দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও।
আপাতত স্বস্তি, আগামীকাল ভারত এশিয়ান গেমসে চ্যাম্পিয়ন হলে তেমন কোনো দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি হবে না। কারণ, নাকভি নিজেই থাকছেন না ফাইনালে।