৭ ওভার শেষে যখন বৃষ্টি নামে, খেলা বন্ধ হয়ে গেলে ডাকওয়াথ-লুইস পদ্ধতিতে ১৭ রানে জিতে যেত বাংলাদেশ। সে ক্ষেত্রে সেমিফাইনালে ওঠার সমীকরণ অনেকটাই কঠিন হয়ে যেত ভারতের। এমনিতেই ভারতকে আইসিসি বাড়তি সুযোগ দেয়, এমন কথা ক্রিকেট মহলে কান পাতলেই শোনা যায়। তাই কালকের ঘটনার পর অনেকেই দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাচ্ছেন।

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটিংকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। বৃষ্টির আগের বাংলাদেশ আর বৃষ্টির পরের বাংলাদেশ। বৃষ্টি নামার আগে লিটন দাস-ঝড়ে বাংলাদেশ কোনো উইকেট না হারিয়ে করেছিল ৭ ওভারে ৬৬ রান। আর বৃষ্টির পর ৯ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ৭৯ রান। শেষমেশ বাংলাদেশ হারে ৫ রানে। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের হারে সেমিফাইনালের দৌড়ে আরও পিছিয়ে পড়েছে পাকিস্তানও। তাই পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটাররা এ ঘটনা নিয়ে বেশ সরব।

পাকিস্তানের কিংবদন্তি অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি তো বলেই দিয়েছেন ভারতকে সেমিফাইনালে তুলতে চায় আইসিসি। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম সামা টিভিতে আফ্রিদি বলেছেন, ‘টিভির পর্দাতেই দেখা গেছে সাকিব এ (মাঠ ভেজা) নিয়ে কথা বলেছে। দেখতেই পারছেন মাঠ ভেজা ছিল। আমার মনে হয়, ভারতের দিকে পক্ষপাত ছিল আইসিসির। তারা ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়া নিশ্চিত করতে চেয়েছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আম্পায়াররাই কিন্তু বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের দায়িত্বে ছিল। ক্রিকেট বিশ্ব জানে, তাঁরাই সেরা আম্পায়ারের পুরস্কার পাবেন।’

বৃষ্টি থামার পর খুব দ্রুতই মাঠে খেলা গড়িয়েছে বলেও মনে করেন আফ্রিদি, ‘আমি জানি কী হয়েছিল। এত সময় ধরে বৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু বৃষ্টি থামার পরই খেলা খুব দ্রুতই শুরু হয়েছে। ভারত খেললে আইসিসি চাপে থাকে, অনেক কিছুই এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তবে লিটন দারুণ খেলেছে। ইতিবাচক ক্রিকেট খেলেছে। ৬ ওভার শেষে মনে হয়েছে সামনের ২–১ ওভারে বাংলাদেশ যদি উইকেট না হারায়, তাহলে তারা ম্যাচ জিতবে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ দারুণ খেলেছে।’