টেস্ট তিন দিনেই শেষ হবে নাকি পাঁচ দিনে যাবে—কামিন্স বললেন, ‘কে জানে’
টেস্টটা কি তিন দিনেই শেষ হবে নাকি পাঁচ দিনে গড়াবে? ডারউইনে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নটা করা হয়েছিল বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেনকে। উত্তরে ক্রিকেটার হিসেবে পাঁচ দিনই খেলতে চাওয়ার ইচ্ছের কথা জানান নাজমুল। একই প্রশ্ন করা হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকেও।
আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া ডারউইন টেস্টের আগে অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক উত্তরটা সেরেছেন দুই শব্দে, ‘কে জানে!’
এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ছয় টেস্টের পাঁচটিতেই হেরেছে বাংলাদেশ, তিনটিই ইনিংস ব্যবধানে। ২০১৭ সালে মিরপুরে এসেছিল একমাত্র জয়।
তবু বাংলাদেশের জন্য সমীহই ঝরল অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়কের কণ্ঠে, ‘আমার মনে পড়ে না কবে সহজ টেস্ট খেলেছি। আমি নিশ্চিত তারা শক্তিশালী। তাদের দলে এমন কিছু ক্রিকেটার আছে, যাদের আমরা আগে কখনো দেখিনি; টেস্ট ম্যাচের আগে সব সময়ই কিছু অজানা শঙ্কা কাজ করে। তবে গত কয়েক বছরে তারা কিছু বড় জয় পেয়েছে, দলে বেশ কিছু প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে। আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’
অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে ২৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। অপেক্ষাটা বেশ দীর্ঘ। কামিন্স জানিয়েছেন, নিয়মিতই এমন টেস্ট খেলতে চান তাঁরা।
অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক বলেছেন, ‘আইসিসি ইভেন্টগুলোতেও বাংলাদেশে আমরা তাদের বিপক্ষে কয়েকটি ম্যাচ খেলেছি, তবে আমাদের এখানে নিয়মিত খেলা হয় না। বছরের এই সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে পারাটা দারুণ ব্যাপার বলেই আমার মনে হয়। আমি চাই এমন সুযোগ আরও নিয়মিত আসুক।’
কামিন্স যোগ করেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম সুন্দর দিক হলো, আপনি ভিন্ন ভিন্ন দেশের বিপক্ষে খেলেন। প্রতিবারই একটা নতুন চ্যালেঞ্জ। একেক দল একটু ভিন্ন স্টাইলে ক্রিকেট খেলে। তাই হ্যাঁ, আমি নিশ্চিতভাবেই আরও খেলতে চাই।’
সাম্প্রতিক সময়ে টেস্টে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স বেশ উজ্জ্বল। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরে-বাইরে সিরিজ জয়ের স্মৃতিটা এখনো তরতাজা। ২০২২ সালে মাউন্ট মঙ্গুানুইয়ে বিরুদ্ধ কন্ডিশনে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে। প্রতিপক্ষ হিসেবে তাদের কীভাবে দেখছে অস্ট্রেলিয়া?
কামিন্স বলেছেন, ‘আমি নিশ্চিত না। হয়তো কয়েক সপ্তাহ পর আমাকে জিজ্ঞাসা করলে ভালো করে বলতে পারব। তবে তারা এমন একটা দল, যাদের বিপক্ষে আইসিসি ইভেন্টে খেলতে গেলে কিছুটা নার্ভাস থাকতে হয়; কারণ, তাদের কয়েকজন বড় ক্রিকেটার আছে।’