- এবারও পারল না নোয়াখালী, রাজশাহীর চতুর্থ জয়
- হার ঠেকাতে পারবে নোয়াখালী?
- ওয়াসিমের দুর্ভাগ্যজনক রানআউট
- অসাধারণ ক্যাচ মাহিদুলের
- পাওয়ার প্লেতে রাজশাহী ৬১/১
- তানজিদ আউট
- রাজশাহী শুরু করল দেরিতে
- নোয়াখালীর স্কোর ১৫১/৫, অন্তত ‘২০ রান কম হয়েছে’
- নবী এবার আউট
- নবী আউট, নো!, আউট নন!
- নাজমুল যেভাবে কথা রাখলেন
- শাহাদত রিভিউ নিয়ে আউট
- ভদ্রস্থ পাওয়ার প্লে
- ছক্কা ও চারের পর আউটের আবেদন
- ঘটনাবহুল প্রথম ওভার
- রাজশাহী একাদশ
- নোয়াখালী একাদশ
- পিচ রিপোর্ট যা বলছে...
- টস
- স্বাগতম
এবারও পারল না নোয়াখালী, রাজশাহীর চতুর্থ জয়
৬ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে জিতল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সিলেটে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের দেওয়া ১৫২ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে পঞ্চম ম্যাচে চতুর্থ জয় পেল রাজশাহী।
নোয়াখালীর ১৫১ রান তাড়ায় রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেছেন মুহাম্মদ ওয়াসিম। ৩৫ বলের ইনিংসে ৪টি করে চার ও ছক্কা মেরেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই ব্যাটসম্যান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান করেছেন ওয়াসিমের ওপেনিংসঙ্গী তানজিদ হাসানের। এ ছাড়া দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন মুশফিকুর রহিম ও রায়ার্ন বার্ল। দুজনই করেছেন ১৯ রান করে।
নোয়াখালীর বাঁহাতি পেসার মেহেদী হাসান রানা ২৫ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নোয়াখালী এক্সপ্রেস: ২০ ওভারে ১৫১/৫ (সৌম্য ৫৯, নবী ৩৫, শাহাদাত ৩০; রিপন ২/২৭, নাজমুল ১/১)। রাজশাহী ওয়ারিয়র্স: ১৯ ওভারে ১৫২/৬ (ওয়াসিম ৬০, তানজিদ ২১, বার্ল ১৯*; মেহেদী ৩/২৫, নবী ১/২৬)। ফল: রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ৪ উইকেটে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: মুহাম্মদ ওয়াসিম।
হার ঠেকাতে পারবে নোয়াখালী?
বিপিএলে জয়ের মুখ না দেখা নোয়াখালী এক্সপ্রেস আজও হারের প্রান্তে দাঁড়িয়ে। দলটির ১৫১ রান তাড়া করতে নেমে রাজশাহী ১৫.৩ ওভারে করেছে ৫ উইকেটে ১২৭। জয়ের জন্য রাজশাহীর দরকার ২৭ বলে ২৫ রান।
উইকেটে আছেন মেহেরব হোসেন ও রায়ান বার্ল।
রাজশাহী অবশ্য সর্বশেষ তিন ওভারের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে। মুহাম্মদ ওয়াসিম রানআউট হওয়ার পরের ওভারে হাসান মাহমুদের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। এরপর ১৬তম ওভারের তৃতীয় বলে মোহাম্মদ নবীকে বড় শট খেলতে গিয়ে জাকেরকে ক্যাচ দিয়েছেন ইয়াসির আলী।
ওয়াসিমের দুর্ভাগ্যজনক রানআউট
রাজশাহী: ১৪ ওভারে ৩ উইকেটে ১১৬। লক্ষ্য: ১৫২।
সব রানই দুর্ভাগ্যজনক। তবে মুহাম্মদ ওয়াসিম যেভাবে আউট হয়েছেন, তাতে দোষ দেবেন কাকে?
মেহেদী হাসান রানার বল থার্ড ম্যানের দিকে পাঠিয়ে দুই রানের জন্য দৌড়েছেন। দ্বিতীয় রানের সময় তাঁর পথে পড়ে যান বোলার মেহেদী। বাধাগ্রস্থ হয়ে আরেকটু ঘুরপথে পৌঁছানোর আগেই উইকেটকিপার মাহিদুল স্টাম্প ভেঙে দিয়েছেন। পরিষ্কার রানআউট।
তবে এ ক্ষেত্রে বোলারের দায় আছে কি না, তা রিপ্লেতে দেখে নিয়েছেন তৃতীয় আম্পায়ার। মেহেদীর দৃষ্টি ছিল বলের দিকে, ওয়াসিম কোথায় দেখেনইনি। তৃতীয় আম্পায়ার আউট দিয়েছেন। রাজশাহীর আরব আমিরাত ব্যাটসম্যান ফিরেছেন ৩৫ বলে ৬০ রান করে।
অসাধারণ ক্যাচ মাহিদুলের
রাজশাহী: ৮ ওভারে ২ উইকেটে ৭০।
এমন একটা ক্যাচ নেওয়ার পর বোলারের নামের পাশে উইকেটটি দেখে খারাপ লাগতেই পারে!
নোয়াখালীর পেসার মেহেদী হাসান রানার করা সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলে বাঁ দিকে বাজপাখির মতো ঝাঁপিয়ে এক হাতে ক্যাচটি নেন উইকেটকিপার মাহিদুল ইসলাম। অবিশ্বাস্য এক ক্যাচ! নোয়াখালীর আবেগি সমর্থকেরা দাবি করতে পারেন, উইকেটটি মাহিদুলের নামের পাশে লেখা হোক। কিন্তু ক্রিকেটের নিয়ম নির্মম ও নির্মোহ, সেটাও সবার জানা।
৩ বলে ১ রানে আউট হলেন নাজমুল।
চারে নেমেছেন মুশফিকুর রহিম।
পাওয়ার প্লেতে রাজশাহী ৬১/১
নোয়াখালীর বোলাররা রাজশাহীর ইনিংসে প্রথম দুই ওভারে দেন ৩ রান। এর মধ্যে প্রথম ওভারটি মেডেন। তখন মনে হয়েছিল, পাওয়ার প্লেতে রাজশাহী হয়তো বেশি রান তুলতে পারবে না। কিন্তু পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে রাজশাহীর স্কোর দেখে নোয়াখালীর সমর্থকেরা হতাশ হতে পারেন। ওভারপ্রতি গড়ে ১০ রানের একটু বেশি করে তুলেছে তারা। এর মধ্যে হারিয়েছে শুধু তানজিদের উইকেট।
পাওয়ার প্লের শেষ ৪ ওভারেই ১ উইকেট হারিয়ে ৫৮ রান তুলেছে রাজশাহী।
তানজিদ আউট
রাজশাহীর ইনিংসে পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে চার হজম করেন নোয়াখালীর পেসার মেহেদী হাসান রানা। কিন্তু ওভারের শেষ বলে তাঁকে বোল্ড করেন এই বাঁহাতি। ২০ বরে ২১ রানে ফিরলেন তানজিদ।
তিনে নেমেছেন রাজশাহী অধিনায়ক নাজমুল হোসেন।
রাজশাহী শুরু করল দেরিতে
রাজশাহী: ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ২২।
তানজিদ হাসান ও মোহাম্মদ ওয়াসিম ওপেনিংয়ে নেমেছেন রাজশাহীর হয়ে। নোয়াখালীর পেসার হাসান মুরাদ প্রথম ওভারটা মেডেন নেন। পরের ওভারে প্রথম বলে রান না দেওয়া মোহাম্মদ নবী দেন মোট ৩ রান। নোয়াখালীর দুই ওপেনার আসলে ব্যাটিং শুরু করলেন ইনিংসের তৃতীয় ওভার থেকে। হাসান মাহমুদের এই ওভারে প্রথম বলে লেগবাই থেকে আসে ৪ রান। পরের বলে ছক্কা মারেন ওয়াসিম। চতুর্থ ও পঞ্চম বলে এসেছে দুটি চার। হাসান সব মিলিয়ে নিজের প্রথম ওভারেই দিলেন ১৯ রান। বাজে জায়গায় বোলিং করেছেন এই ওভারে।
ওয়াসিম ১৭ ও তানজিদ ১ রানে অপরাজিত।
নোয়াখালীর স্কোর ১৫১/৫, অন্তত ‘২০ রান কম হয়েছে’
বিনুরা ফার্নান্দো নোয়াখালীর ইনিংসে শেষ বলটি করার পর ধারাভাষ্যকার মাজহার উদ্দিন বললেন, অন্তত ‘২০ রান কম হয়েছে।’ রাজশাহী ওয়ারিয়রসের খেলোয়াড়দের হাসিমুখে মাঠ ছাড়ার কারণটা তাতেই পরিস্কার।
বিনুরা শেষ ওভারে ৫ রান দিয়ে মাহিদুলের উইকেটটি নেন। শেষ ৫ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৫৫ রান তুলতে পেরেছে নোয়াখালী। শেষ ১০ ওভারে তুলেছে ৪ উইকেটে ৭৭। সৌম্য ও শাহাদতের ওপেনিংয়ে ওঠা ৫৭ রানই নোয়াখালীর ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের জুটি। ৫৯ রান করেন সৌম্য, ৩০ রান করেন শাহাদত। শেষ দিকে ২৬ বলে ৩৫ রান করেন নবী।
এবার বিপিএলে এটাই নোয়াখালীর সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।
২৭ রানে ২ উইকেট নেন রাজশাহী পেসার রিপন মন্ডল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নোয়াখালী এক্সপ্রেস: ২০ ওভারে ১৫১/৫ (সৌম্য ৫৯, নবী ৩৫, শাহাদত ৩০; রিপন ২/২৭, বিনুরা ১/৩০, হাসান ১/২০)।
নবী এবার আউট
১৯তম ওভারে রাজশাহী পেসার রিপন মন্ডলের দ্বিতীয় বলে ছক্কা মারেন নবী। তৃতীয় বলেই ডিপ মিডউইকেটে তানজিম হাসানকে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ২৬ বলে ৩৫ রান করা নবী। উইকেট পাওয়ায় রিপনের মুখে হাসি।
নবী আউট, নো!, আউট নন!
নোয়াখালী: ১৮ ওভারে ৩ উইকেটে ১৩৩।
রাজশাহী পেসার বিনুরার করা ১৮তম ওভারের পঞ্চম বলে স্ট্রেটে তুলে মারতে গিয়ে গালিতে ক্যাচ দেন নোয়াখালীর আফগান ব্যাটসম্যান নবী। ড্রেসিংরুমের পথে হাঁটা ধরলেও আম্পায়ারের ‘নো বল’ ডাকায় থেমে যান। উল্টো ফ্রি হিট পেলেন। বিনুরার চোখেমুখে অবিশ্বাস!
নবী ২৯ এবং হায়দার ২ রানে অপরাজিত।
ফিফটি করে আউট সৌম্য
নোয়াখালী: ১৭ ওভারে ৩ উইকেটে ১২৫।
সৌম্য যেভাবে খেলতে অভ্যস্ত, তার কিছুটা আজ দেখা গেল। ৪৩ বলে ৫৯ রানের ইনিংসে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা। বাউন্ডারি থেকে এসেছে ৪২ রান। ১৬.৪ ওভারে রাজশাহীর স্পিনার হাসান মুরাদের বলে আউট হওয়ার আগে ১৩৭.২০ স্ট্রাইকরেটে বেশ ভালো একটি ইনিংসই খেললেন সৌম্য।
বিপিএলে এর আগে সৌম্য সর্বশেষ ফিফটি পেয়েছিলেন গত বছরের ৩০ জানুয়ারি, রংপুর রাইডার্সের হয়ে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে। মাঝে মাত্র তিনটি ম্যাচে রান না পেলেও ৩৪৫ দিন কেটে গেছে।
পাঁচে নেমেছেন নোয়াখালী অধিনায়ক হায়দার আলী। নবী অন্য প্রান্তে ১৮ বলে ২৩ রানে অপরাজিত।
নাজমুল যেভাবে কথা রাখলেন
নোয়াখালী: ১৩ ওভারে ২ উইকেটে ৮৪।
বিপিএল শুরুর আগে নাজমুল হোসেন বলেছিলেন, এবার তিনি বোলিংও করতে চান। নিরীহ–দর্শন অফ স্পিনে স্বীকৃত টি–টোয়েন্টিতে এর আগে ২১ ম্যাচে ৯ উইকেট পাওয়া নাজমুল আজ আসলে বোলিংয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন। সৌম্য ও সাদাকাতের জুটিতে ২৬ রান উঠেছিল, জুটিটি ভাঙার দরকার ছিল।
রাজশাহী অধিনায়ক তাই নিজেই বল হাতে তুলে নিয়ে প্রথম ডেলিভারিতেই এনে দেন উইকেট। ১৩ বলে ৭ রানে আউট হলেন সাদাকাত। এর আগে উইকেটকিপিংও করা ব্যাটসম্যান নাজমুলের বোলার হয়ে উইকেট নেওয়া বেশ উপভোগ করলেন গ্যালারির দর্শক। করতালি হয়েছে প্রচুর।
তিনে নেমেছেন মোহাম্মদ নবী। সৌম্য ৩৩ বলে ৪২ রানে অপরাজিত।
শাহাদত রিভিউ নিয়ে আউট
নোয়াখালী: ৮ ওভারে ১ উইকেটে ৫৭।
সৌম্য ২৪ রানে অপরাজিত।
শাহাদতের শাফল করে স্টাম্পে সরে আসার অভ্যাস আছে। রাজশাহীর পেসার রিপন মন্ডল তা বুঝতে পেরেই স্টাম্পে বলটা রেখেছিলেন। শাহাদত লেগে ঠিক কী শট খেলার চেষ্টা করেছিলেন সেটা তিনিই ভালো বলতে পারবেন। ব্যাটে পাননি, এলবিডব্লুর আবেদনে আঙুল তোলেন আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা। শাহাদত রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারলেন না। ২৮ বলে ৩০ রান করে আউট।
তিনে নেমেছেন মাজ সাদাকাত।
ভদ্রস্থ পাওয়ার প্লে
নোয়াখালী: ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৪১।
পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে গড়ে ৬.৮৩ করে রান তুলেছে নোয়াখালী। বাউন্ডারি থেকে এসেছে ২২ রান। দুটি করে চার মেরেছেন সৌম্য ও শাহাদত। একটি ছক্কা এসেছে শুধু সৌম্যর ব্যাট থেকে। রাজশাহীর বোলারদের সফলই বলা যায়।
সৌম্য ২২ ও শাহাদত ১৭ রানে অপরাজিত।
ছক্কা ও চারের পর আউটের আবেদন
নোয়াখালী: ৪ ওভারে বিনা উইকেটে ২৭।
সৌম্য ১৫ ও শাহাদত ১০ রানে অপরাজিত।
বিনুরার করা তৃতীয় ওভারের শেষ বলে ছক্কা মারেন সৌম্য। আরেক পেসার তানজিমের করা পরের ওভারের প্রথম বলেই চার মারেন শাহাদত। এই ওভারেই শাহাদতের বিপক্ষে এলবিডব্লুর আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা। রাজশাহী অধিনায়ক নাজমুল রিভিউ নিলেও শরফুদ্দৌলার সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণ করতে পারেননি।
ঘটনাবহুল প্রথম ওভার
নোয়াখালী: ২ ওভারে বিনা উইকেটে ৮ রান।
নোয়াখালীর হয়ে ওপেন করেছেন শাহাদত হোসেন ও সৌম্য সরকার। রাজশাহীর বোলিংয়ের শুরুটা করলেন লঙ্কান পেসার বিনুরা ফার্নান্দো। এই ওভারে ‘নো’ বল করেন বিনুরা। ফ্রি হিট পেলেও বিনুরার হাতে ক্যাচ তুলে দিয়েও তাই আউট হননি সৌম্য।
পরের ওভারে মাত্র ৩ রান দিয়েছেন রাজশাহীর স্পিনার মেহরব।
রাজশাহী একাদশ
মোহাম্মদ ওয়াসিম, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), ইয়াসির আলী, রায়ান বার্ল, মেহরব হোসেন, তানজিম হাসান, রিপন মন্ডল, বিনুরা ফার্নান্দো ও হাসান মুরাদ।
নোয়াখালী একাদশ
সৌম্য সরকার, মাজ সাদাকাত, শাহাদত হোসেন, মাহিদুল ইসলাম (উইকেটকিপার) , জাকের আলী, মোহাম্মদ নবী, হায়দার আলী (অধিনায়ক), হাসান মাহমুদ, জহির খান, আবু জায়েদ ও মেহেদী হাসান।
পিচ রিপোর্ট যা বলছে...
পিচ প্রতিবেদনে শ্রীলঙ্কার সাবেক অলরাউন্ডার পারভেজ মাহরুফ জানালেন, আজ যে পিচে খেলা হবে সেখানে এর আগে ছয়টি ম্যাচ খেলা হয়েছে। পিচ দেখে একটু অমসৃণ মনে হয়েছে তাঁর কাছে। বেশ কিছু বড় ফাটলও আছে।
পিচে স্পিন ধরার বিষয়টি মাথায় রেখে রাজশাহী কি এজন্যই আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে?
মাহরুফের মতে, এই পিচে ১৫০–১৬০ রান জয়ের মতো স্কোর।
টস
টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজশাহী অধিনায়ক নাজমুল হোসেন।
রাজশাহী এর আগে যে তিনটি ম্যাচ জিতেছে সিলেটে, তাতে প্রথম দুই ম্যাচে টসে জিতে আগে বোলিং করেছে। সুপার ওভারে জেতা ম্যাচে টসে হেরে আগে ব্যাটিং করেছে রাজশাহী।
স্বাগতম
বিপিএলে আজ দিনের প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়রসের মুখোমুখি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ম্যাচটি শুরু হবে।
গতকাল একই ভেন্যুতে ঢাকা ক্যাপিটালসের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে নোয়াখালী। টানা পাঁচ ম্যাচেই হেরে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা নোয়াখালী আজ জয় তুলে নিতে মরিয়া হয়েই মাঠে নামবে।
রাজশাহী ওয়ারিয়রসের অবস্থা একটু ভালো। এই ফ্র্যাঞ্চাইজি দলটি তাদের সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছে বেশ আগে—১ জানুয়ারি। রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচটি টাই করে সুপার ওভারে জেতে তারা। ৪ ম্যাচে ৩ জয় ও ১ হারে মোট ৬ পয়েন্ট নিয়ে ছয় দলের বিপিএল পয়েন্ট তালিকার চারে রাজশাহী।