- দক্ষিণ আফ্রিকার সহজ জয়
- মার্করামের সঙ্গে এবার রিকেলটন
- ভাঙল ৯৫ রানের জুটি
- শেফার্ডের কীর্তি
- টি–টুয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
- কত রান করতে পারবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
- ফিরলেন ফোর্ডও
- এনগিডির ৩ নম্বর
- রাদারফোর্ডও আউট
- রাদারফোর্ডের ক্যাচ ছাড়লেন এনগিডি
- কিং ও চেজকে ফেরালেন এনগিডি
- ফিরলেন হোপ ও হেটমায়ার
- দুই ছক্কায় শুরু
- ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ
- দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ
- টস
- পিচ ও কন্ডিশন
- অতীত মুখোমুখিতে কে এগিয়ে
- স্বাগতম
দক্ষিণ আফ্রিকার সহজ জয়
১৭৭ রানের লক্ষ্যটা খুব ছোটও নয়! অথচ এই রান ১৬.১ ওভারে মাত্র ১ উইকেট হারিয়েই তাড়া করে জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা।
দুই ওপেনার মার্করাম ও ডি ককের ৪৮ বলে ৯৫ রানের জুটিই ম্যাচের ভাগ্য অনেকটাই লিখে দেয়।
৪৭ রানে ডি কক ফিরলে তিনে নামা রিকেলটন করেছেন ৪৫ রান। অন্যদিকে ৪৬ রানে ৮২ রানে অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক মার্করাম। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি।
টুর্নামেন্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের ধারা ভেঙেছে আজ। দক্ষিণ আফ্রিকাই এখন বিশ্বকাপে একমাত্র অপরাজিত দল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২০ ওভারে ১৭৬/৮ (শেফার্ড ৫২*, হোল্ডার ৪৯; এনগিডি ৩/৩০, বশ ২/৩১)। দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৬.১ ওভারে ১৭৭/১ (মার্করাম ৮২*, ডি কক ৪৭; চেজ ১/৪৬)। ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৯ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা: এইডেন মার্করাম
মার্করামের সঙ্গে এবার রিকেলটন
এই দক্ষিণ আফ্রিকাকে আটকানো কষ্ট। ৪৭ রান করে কুইন্টন ডি কক ফিরেছেন, এরপর রায়ান রিকেলটন এসেও তুলেছেন ঝড়। এরইমধ্যে ২২ বলে ৩৮ রান করেছেন তিনি।
অন্যদিকে মার্করাম খেলে যাচ্ছেন তাঁর মতো। তিনি ব্যাটিং করছেন ৪৪ বলে ৭৭ রানে।
ভাঙল ৯৫ রানের জুটি
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১০ ওভারে ১০৯/১
ফিফটি পাননি ডি কক। ৪৭ রান করে রোস্টন চেজের বলে আউট হয়েছেন তিনি। তিনি ফিফটি না পেলেও ফিফটি পেয়েছেন মার্করাম। ২৭ বলে ফিফটি করেছেন মার্করাম।
মার্করাম–ডি ককের ঝড়
দুর্দান্ত ব্যাটিং! ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৭৬ রানের সংগ্রহটাও এখন বেশ ছোট মনে হচ্ছে। রান তাড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার মার্করাম ও ডি কক পাওয়ার প্লেতে তুলেছেন ৬৯ রান।
২০ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত মার্করাম, ১৬ বলে ২৫ রানে ডি কক।
মার্করামদের ভালো শুরু
রান তাড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা ভালো শুরু করেছে। ৪ ওভারে দলটি তুলেছে ৪২ রান। ১৬ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত এইডেন মার্করাম। কুইন্টন ডি কক আপাতত নিশ্চুপ, ৮ বলে ৮ রানে অপরাজিত।
শেফার্ডের কীর্তি
টি–টুয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
হোল্ডার+শেফার্ড
একটা জুটি খেলার চেহারা পাল্টে দিল।
অষ্টম উইকেট জুটিতে শেফার্ডকে সঙ্গে নিয়ে ৫৭ বলে ৮৯ রানের জুটি গড়েছেন হোল্ডার। তাতে ৮৩ রানে ৭ উইকেট হারানোর পরও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৭৭ রানের লক্ষ্য দিতে পেরেছে।
হোল্ডার ফিফটি পাননি, ৪৯ রানে রানআউট হয়েছেন। তবে ইনিংসের শেষ বলে চার মেরে টি–টুয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি পেয়েছেন শেফার্ড।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের রানটা আরও বড় হতে পারত। তবে শেষ ২ ওভারে এনগিডি ও বশ রান খরচ করেছেন মাত্র ১৩ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২০ ওভারে ১৭৬/৮ (শেফার্ড ৫২*, হোল্ডার ৪৯; এনগিডি ৩/৩০, বশ ২/৩১)
কী শুরু করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৬তম ওভারে—১১
১৭তম ওভারে—১১
১৮তম ওভারে—২৩
আহমেদাবাদে এভাবেই ঝড় তুলেছেন শেফার্ড ও হোল্ডার। ৮৩ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৩০ রানও করতে পারবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা ছিল। এখন সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ১৮ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৩।
কত রান করতে পারবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৬ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ৭ উইকেটে ১২৯। অষ্টম উইকেটে ৩৩ বলে ৪৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন হোল্ডার ও শেফার্ড। দুজনেই উইকেটে থিতু। হোল্ডার ২৪, শেফার্ড ৩২ রান নিয়ে ব্যাটিং করছেন।
ফিরলেন ফোর্ডও
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১১ ওভারে ৮৮/৭
প্রয়োজনের সময় টিকতে পারলেন না ম্যাথু ফোর্ডও। করবিন বশের অফ কাটারে ক্যাচ দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।
এনগিডির ৩ নম্বর
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৯ ওভারে ৭২/৬
কিং ও চেজের পর পাওয়েলকে আউট করলেন এনগিডি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপদ এখন আরও বেড়েছে। উইকেটে আছেন হোল্ডার ও ফোর্ড।
একটা বড় জুটি দরকার তাদের।
রাদারফোর্ডও আউট
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৭ ওভারে ৫ উইকেটে ৬০।
সপ্তম ওভারে করবিন বশের উঠে আসা দ্বিতীয় বলে ছক্কা মারেন। পরের বলটিও প্রায় একই লেংথ থেকে ওঠায় আবারও ছক্কা মারতে গিয়ে আকাশে ক্যাচ তুলে আউট হন রাদারফোর্ড (১২)।
তৃতীয় ও চতুর্থ ওভারে জোড়া উইকেট হারানোর চাপ কাটাতে পারছে না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৬.৩ ওভারের মধ্যে ৫ উইকেট হারানোর অর্থ হলো ৩৯ বলের মধ্যে এই বিপর্যয়ে পড়ল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সাতে নেমেছেন জেসন হোল্ডার। অন্য প্রান্ত থেকে সতীর্থদের আসা–যাওয়া দেখছেন পাওয়েল (৭)।
রাদারফোর্ডের ক্যাচ ছাড়লেন এনগিডি
পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪ উইকেটে ৫২।
ইয়ানসেনের করা ষষ্ঠ ওভারের তৃতীয় বলে শর্ট থার্ডম্যানে রাদারফোর্ডের ক্যাচ ছাড়েন এনগিডি। টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এ নিয়ে ১০টি ক্যাচ ছাড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা।
পাওয়েল ৭ বলে ৭ ও রাদারফোর্ড ৭ বলে ৪ রানে অপরাজিত।
প্রথম দুই ওভারে ১৪.৫০ করে রান রেট ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। দ্রুত উইকেট হারানোয় এখন সেটা ৮.৬৬ করে। প্রোটিয়া পেসাররা পিচ থেকে বাউন্স পাচ্ছেন, যেটা খেলতে অসুবিধা হচ্ছে ব্যাটসম্যানদের।
কিং ও চেজকে ফেরালেন এনগিডি
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৪ ওভারে ৪ উইকেটে ৪৩।
চতুর্থ ওভারে লুঙ্গি এনগিডির দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে দারুণ দুটি ড্রাইভে চার মারেন কিং। পরের বলেই তাঁকে উইকেটের পেছনে ক্যাচে পরিণত করেন এই পেসার। ১১ বলে ২১ রানে আউট হলেন কিং।
পাঁচে নামেন রোস্টন চেজ। এক বল খেলার পর ওভারের শেষ বলে বোল্ড হয়ে ফিরলেন চেজ (২)। এনগিডি তাঁর প্রথম ওভারে ১১ রানে নিলেন ২ উইকেট। বল তোলার সুফল পেলেন এই পেসার।
ছয়ে নেমেছেন শেরফান রাদারফোর্ড। পাওয়েল অন্য প্রান্তে ২ রানে অপরাজিত।
ফিরলেন হোপ ও হেটমায়ার
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৩ ওভারে ২ উইকেটে ৩১।
মার্কো ইয়ানসেনের করা দ্বিতীয় ওভারে তিনটি চার মারেন কিং। এই ওভারে উঠেছে ১২ রান।
কিন্তু তৃতীয় ওভারে কাগিসো রাবাদার দ্বিতীয় বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক হোপ (৬ বলে ১৬)।
তিনে নেমেছেন শিমরন হেটমায়ার। ক্রিজে নেমেই নিজের খেলা প্রথম বলে মিড অনে ক্যাচ তুলেছিলেন। ক্যাচটি নিতে পারেননি করবিন বশ। এক বল পরই ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন বিপজ্জনক হেটমায়ার।
চারে নেমেছেন রোভম্যান পাওয়েল। রাবাদা তাঁর প্রথম ওভারে ৩ রানে ২ উইকেট নিলেন।
দুই ছক্কায় শুরু
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১ ওভারে বিনা উইকেটে ১৭।
ওপেনিংয়ে নেমেছেন শাই হোপ ও ব্রেন্ডন কিং। দুজনেই ডানহাতি। সেজন্য বাঁহাতি স্পিনার কেশব মহারাজকে দিয়ে বোলিংয়ের শুরু করান মার্করাম। কিন্তু এই ওভারে ১৭ রান দিলেন মহারাজ।
দুটি ছক্কা ও একটি চার মারেন হোপ।
হোপ ৪ বলে ১৬ ও কিং ২ বলে ১ রানে অপরাজিত।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ
ব্রেন্ডন কিং, শাই হোপ (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), শিমরন হেটমায়ার, রোভম্যান পাওয়েল, শেরফান রাদারফোর্ড, রোস্টন চেজ, রোমারিও শেফার্ড, জেসন হোল্ডার, ম্যাথু ফোর্ড, গুড়াকেশ মোতি ও শামার জোসেফ।
দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ
এইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), কুইন্টন ডি কক (উইকেটকিপার), রায়ান রিকেলটন, ডেভাল্ড ব্রেভিস, ডেভিড মিলার, ট্রিস্টান স্টাবস, মার্কো ইয়ানসেন, করবিন বশ, কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাদা ও লুঙ্গি এনগিডি।
টস
মুদ্রা নিক্ষেপ করলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ। জিতলেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
দুজনের জার্সি নম্বরই ৪!
দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশে কোনো পরিবর্তন নেই।
হোপ জানিয়েছেন, টসে জিতলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলও আগে ফিল্ডিং করত। আকিল হোসেনের জায়গায় দলে ঢুকেছেন রোস্টন চেজ। হোপ জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষের শক্তি ও দুর্বলতা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পিচ ও কন্ডিশন
আহমেদাবাদের আবহাওয়া বেশ গরমভাবাপন্ন। এই ম্যাচে ৭ নম্বর পিচে খেলা হবে। লাল মাটির এই উইকেটে বল অতিরিক্ত উঠতে পারে। তবে ব্যাটিং করার জন্য এটা ভালো পিচ। দুই দলেই যেহেতু হার্ড হিটার ব্যাটসম্যানের অভাব নেই তাই বড় স্কোরের ম্যাচ আশাই করা যায়।
অতীত মুখোমুখিতে কে এগিয়ে
টি–টুয়েন্টিতে এর আগে ২৯ বারের মুখোমুখিতে ১৫ বার জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৪ বার জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আজ প্রোটিয়াদের হিসাব সমান করার পালা।
তবে টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বেশ বড় ব্যবধানে এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই আসরে অতীতে পাঁচবারের মুখোমুখিতে চারবারই জিতেছে প্রোটিয়ারা। ২০১৬ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেবার ট্রফিও জিতেছিল ক্যারিবিয়ানরা।
স্বাগতম
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আজ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ সুপার এইটের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
গ্রুপ ১ থেকে এই ম্যাচটি জিতলে সেমিফাইনাল প্রায় নিশ্চিত করে ফেলবে ১ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে দ্বিতীয় দল দক্ষিণ আফ্রিকা (৩.৮০০)। প্রোটিয়াদের সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট পেলেও রান রেটে এগিয়ে শীর্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৫.৩৫০)। সেমিফাইনালে ওঠার আশা টিকিয়ে রাখতে এই ম্যাচটি জেতা ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্যও খুব গুরুত্বপূর্ণ।