এবারও কি তেমন কিছু হবে? শাহিন-হারিসদের কেউ কি সেদিনের আকরাম হয়ে উঠবেন? সে প্রশ্নের উত্তর সময়ের হাতেই তোলা রইল।

তবে ইংল্যান্ড অধিনায়ক জস বাটলার নিশ্চিত যে পাকিস্তানের এই দলের কেউ কেউ ক্যারিয়ার শেষে কিংবদন্তিদের তালিকাতেই স্থান পাবেন। আর সেটি হতে হলে অবশ্যই বড় একটি উপলক্ষ হতে পারে আগামীকালের মঞ্চ। পাকিস্তানের কোনো পেসার যদি কাল এই ফাইনালের মঞ্চ রাঙাতে পারেন, তবে নিশ্চিতভাবেই পরের ধাপের কাজটাও অনেক সহজ হয়ে যাবে।

ম্যাচ–পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের বোলিং নিয়ে জানতে চাইলে বাটলার বলেছেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই পাকিস্তান দুর্দান্ত একটি দল। আমি মনে করি, তাদের দুর্দান্ত সব ফাস্ট বোলার তৈরির ইতিহাস আছে। আমরা যে দলের বিরুদ্ধে খেলব, তাদেরও আলাদাভাবে দেখছি না। আমি নিশ্চিত, ক্যারিয়ারের শেষ দিকে, যাদের বিরুদ্ধে আমরা খেলতে যাচ্ছি, তাদের কাউকে কাউকে পাকিস্তানের সেরা বোলার হিসেবে স্মরণ করা হবে। দলটি যে ফাইনালে, এর বড় একটি কারণ তারাই।’

বিশ্বকাপ ফাইনাল বলে কথা! এই মঞ্চে চাপটা বরাবরই ভিন্ন। তবু পাকিস্তানের বিপক্ষে সাম্প্রতিক সময়ে খেলা ম্যাচগুলোর অভিজ্ঞতাকে বাটলার চাইলে কাজে লাগাতে পারেন। ইংল্যান্ড অধিনায়ক অবশ্য বলেছেন, ম্যাচে তিনি কঠিন চ্যালেঞ্জই প্রত্যাশা করছেন।

বাটলার আরও যোগ করে বলেছেন, ‘আমি কঠিন চ্যালেঞ্জের প্রত্যাশা করছি, যেমনটা আমি আগেও বলেছিলাম। তারা এমন একটি দল, যাদের বিপক্ষে সম্প্রতি আমরা অনেক খেলেছি। দারুণ কিছু ম্যাচে আমাদের মধ্যে হয়েছে। দারুণ উদ্দীপনায় আমরা খেলেছিলাম। আমি নিশ্চিত, আগামীকালও এর ব্যতিক্রম হবে না।’

বিশ্বকাপ ফাইনালের পথে ইংল্যান্ডের যাত্রাটাও কম রোমাঞ্চকর নয়। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হারের হতাশা দিয়েই শুরু হয়েছিল ইংলিশদের বিশ্বকাপ অভিযানটা। সেই ম্যাচ নিয়ে বাটলার বলেন, ‘আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি টুর্নামেন্টজুড়ে আমাদের জন্য ব্যাপক হতাশার বিষয় হয়ে ছিল। তবে অবশ্য এটা অনেক আগের বিষয় বলে মনে হয়। বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে এই জায়গায় বসতে পেরে আমার মনে হচ্ছে, সেই ম্যাচ থেকে আমরা বেশ কিছু শিক্ষা লাভ করেছি এবং সেটিই আমাদের চালিত করেছে।’

তবে সেই হারই দলকে বদলে দিয়েছে জানিয়ে বাটলার আরও যোগ করেন, ‘সেই হার আমাদের ধাক্কা দিয়েছিল। আমি মনে করি, এখন পর্যন্ত যে ক্রিকেট আমরা খেলেছি, তাকে সেই ম্যাচের প্রতিক্রিয়ায় হিসেবে দেখতে পারি।’