সম্প্রচার শেষ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২

এশিয়া কাপ ফাইনাল

পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়ার সেরা শ্রীলঙ্কা

১৩: ২৬ , সেপ্টেম্বর ১১

এবার ফাইনালের পালা

টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরেছিল দুই দলই। সেই পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাই এবার মুখোমুখি ফাইনালে। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপে নিজেদের ষষ্ঠ শিরোপার জন্য নামবে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের লক্ষ্য তৃতীয় শিরোপা। কিছুক্ষণের মধ্যেই হবে টস।

প্রথম আলোর লাইভ আপডেটে আপনাকে স্বাগত!

১৩: ৩২ , সেপ্টেম্বর ১১

টস

টসে জিতেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। দুবাইয়ের দর্শকদের হর্ষধ্বনিতে এরপর কিছুক্ষণ চুপ করে থাকার পর নিজের সিদ্ধান্তটা জানিয়েছেন তিনি, যেটি হয়তো আগে থেকে জানেন আপনিও—ফিল্ডিং করবে পাকিস্তান। স্বাভাবিকভাবেই শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক দাসুন শানাকা জানিয়েছেন, টসে জিতলে ফিল্ডিং নিতেন তিনিও।

১৩: ৩৫ , সেপ্টেম্বর ১১

অপরিবর্তিত শ্রীলঙ্কা

আগের ম্যাচের একাদশই খেলাচ্ছে শ্রীলঙ্কা।

একাদশ

দানুশকা গুনাতিলাকা, পাতুম নিশাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, ভানুকা রাজাপক্ষে, দাসুন শানাকা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, চামিকা করুনারত্নে, মহীশ তিকসানা, প্রমোদ মাদুশান, দিলশান মাদুশাঙ্কা।

১৩: ৩৯ , সেপ্টেম্বর ১১

ফিরলেন নাসিম, শাদাব

সুপার ফোরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ বিশ্রামে থাকা নাসিম শাহ ও শাদাব খান ফিরেছেন পাকিস্তান দলে। তাঁদের জায়গা করে দিয়েছেন হাসান আলী, উসমান কাদির।

একাদশ

বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান, হারিস রউফ, মোহাম্মদ নেওয়াজ, মোহাম্মদ হাসনাইন, শাদাব খান, ফখর জামান, আসিফ আলী, খুশদিল শাহ, নাসিম শাহ, ইফতিখার আহমেদ।

১৪: ০৭ , সেপ্টেম্বর ১১

মেন্ডিস: গোল্ডেন ডাক

নাসিম শাহকে আগের ম্যাচে বিশ্রাম দিয়েছিল পাকিস্তান। তরতাজা নাসিম প্রথম বলটা লেগ সাইডে করেছিলেন ওয়াইড। তবে তৃতীয় বলেই দেখালেন, কেন তাঁকে নিয়ে এ উন্মাদনা! ঘণ্টায় ১৪২ কিলোমিটার গতির বল ঢুকছিল ভেতরের দিকে, কুশল মেন্ডিস সামলাতে পারেননি সেটি, এলোমেলো হয়ে গেছে তাঁর স্টাম্প। টুর্নামেন্টে শ্রীলঙ্কার অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান ফিরেছেন গোল্ডেন ডাক পেয়ে। দুর্দান্ত শুরু পেয়েছে পাকিস্তান।

১৪: ১০ , সেপ্টেম্বর ১১

মেন্ডিসের ফেরা কত বড় আঘাত শ্রীলঙ্কার?

পাতুম নিশাঙ্কা ও মেন্ডিসের ওপেনিং জুটি ফাইনালের আগপর্যন্ত ব্যাটিং করেছে ১৪৩ স্ট্রাইক রেট ও ৪১.৬ গড়ে। স্পিনের বিপক্ষেও মেন্ডিস ছিলেন দারুণ সফল। তবে আজ প্রথম ওভারেই ফিরতে হলো তাঁকে। ফাইনালের আগে দলের প্রায় ৪৫ শতাংশ রান এসেছিল শ্রীলঙ্কার ওপেনিং জুটি থেকেই।

আরও পড়ুন
১৪: ১৯ , সেপ্টেম্বর ১১

কাভার দিয়ে তিন চার

পাকিস্তানের গতির জবাব আপাতত দারুণ টাইমিংয়ে দিচ্ছে শ্রীলঙ্কা। মোহাম্মদ হাসনাইনের ওভারে দুই চার মেরেছেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, দুটিই কাভার দিয়ে। পরের ওভারে নাসিম শাহকে কাভার দিয়ে আরেকটি চার মেরেছেন পাতুম নিশাঙ্কা।

৩ ওভারে শ্রীলঙ্কার স্কোর ২৩/১।

১৪: ২১ , সেপ্টেম্বর ১১

ফিরলেন নিশাঙ্কাও

গতি, গতি! হারিস রউফের বলটা ঠিক স্লটে না থাকলেও আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে তুলে মেরেছিলেন নিশাঙ্কা, টাইমিং করতে পারেননি ঠিকঠাক। মিড অফ থেকে পেছনে ছুটে গিয়ে ক্যাচ নিয়েছেন বাবর আজম। নিজের প্রথম ওভার করতে এসেই সফল রউফ, ৩.২ ওভারের মধ্যে, ২৩ রান তুলতেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে ফেলল শ্রীলঙ্কা। নিশাঙ্কা ফিরেছেন ১১ বলে ৮ রান করে।

১৪: ২৮ , সেপ্টেম্বর ১১

উল্লাস

পাতুম নিশাঙ্কার ক্যাচ নেওয়ার পর বাবর আজমের উল্লাস
এএফপি
১৪: ৩৬ , সেপ্টেম্বর ১১

রউফের ১৫১ কিলোমিটার/ঘণ্টার জবাব নেই গুনাতিলাকার

অফ স্টাম্পে একটু বাইরে পিচ করে ঢুকল ভেতরের দিকে, উড়ে গেল অফ স্টাম্প। হারিস রউফের ঘণ্টায় ১৫১ কিলোমিটার গতির গোলার কোনো জবাবই ছিল না বাঁহাতি দানুশকা গুনাতিলাকার কাছে। পিচে মুভমেন্ট আছে, সঙ্গে তো পাকিস্তান পেসারদের গতি আছেই। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারেও তাই পেসারের ওপরই ভরসা রাখলেন বাবর, সাফল্যও পেলেন। ৪ বলে ১ রান করে ফিরে গেলেন গুনালিতালাকা, পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে এসে তৃতীয় উইকেট হারাল শ্রীলঙ্কা।

১৪: ৪৩ , সেপ্টেম্বর ১১

মাসুদুরের সিদ্ধান্ত বদলাতে পারল না পাকিস্তান

গুনাতিলাকাকে ফেরানোর পর আরেক বাঁহাতি ভানুকা রাজাপক্ষেকেও সমস্যায় ফেলেছেন হারিস রউফ। তাঁর ইয়র্কার মিস করে গিয়েছিলেন রাজাপক্ষে, লেগেছিল বুটে। পাকিস্তানের জোরাল আবেদনে অবশ্য সাড়া দেননি আম্পায়ার মাসুদুর রহমান। বাবর আজম রিভিউ নিয়েছিলেন, তবে উইকেটে হয়েছে আম্পায়ার্স কল।

মাসুদুরের সঙ্গে এরপর মজা করতে দেখা গেছে শাদাব খানকে। আম্পায়ারকে আঙুল তুলতে বলছিলেন তিনি, দুই হাত আড়াআড়ি নাড়ানোর বদলে।

পাওয়ারপ্লেতে ৪২ রান তুলেছে শ্রীলঙ্কা, ৩ উইকেট হারিয়ে।

১৪: ৪৯ , সেপ্টেম্বর ১১

পার্টটাইমার ইফতিখারে ফিরলেন ধনঞ্জয়া

ক্রিজে বাঁহাতি ভানুকা রাজাপক্ষে, আক্রমণে অফ স্পিনার ইফতিখার আহমেদকে আনলেন বাবর আজম। এবারের এশিয়া কাপে এর আগে এক ইনিংসেই শুধু বোলিং করেছেন ইফতিখার, হংকংয়ের বিপক্ষে। সেই তাঁর ওপর চড়াও হতে গিয়ে ফিরতি ক্যাচ দিলেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা! ওভার দ্য উইকেট থেকে বোলিং করা ইফতিখারকে টেনে মারতে চেয়েছিলেন, তবে ইফতিখারকেই পার করাতে পারেননি এখন পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার সেরা ব্যাটসম্যান। ইফতিখারের ক্যারিয়ারে এটি দ্বিতীয় উইকেট।

২১ বলে ২৮ রান করেছেন ধনঞ্জয়া, শ্রীলঙ্কা চতুর্থ উইকেট হারিয়েছে ৫৩ রানে।

১৪: ৫৬ , সেপ্টেম্বর ১১

শানাকা ব শাদাব

স্পিনের সামনে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার সম্ভাবনা ছিল শ্রীলঙ্কার মিডল অর্ডারের। হচ্ছে সেটিই। এবার শাদাব খানকে স্লগ করতে গিয়ে বোল্ড হলেন অধিনায়ক দাসুন শানাকা। যে লেংথে ছিল, আড়াআড়ি অমন শট তাতে হওয়ার কথা নয়। তবে শানাকা উচ্চাভিলাষী হতে গেলেন, ভুলও করলেন। ইনিংসে তৃতীয় শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যান হিসেবে বোল্ড হলেন শানাকা, ৩ বলে ২ রান করেই।

৯ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার স্কোর ৬২/৫।

১৫: ১৪ , সেপ্টেম্বর ১১

পাল্টা আক্রমণ শ্রীলঙ্কার

৫৮ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। এরপর পাল্টা আক্রমণ ভালোই করছে শ্রীলঙ্কা।

মোহাম্মদ নেওয়াজকে এখনো আনেননি বাবর, শাদাবের জায়গায় এনেছিলেন হাসনাইনকে। তাঁর ওপর চড়াও হয়েছেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, চারের পর মেরেছেন ছক্কা। হাসনাইনের ওভারে এসেছে ১৪ রান, এর আগের দুই ওভারে এসেছে তিন বাউন্ডারি।

১৪তম ওভারের প্রথম বলে ১০০ ছুঁয়ে ফেলেছে শ্রীলঙ্কা। রাজাপক্ষের সঙ্গে হাসারাঙ্গার জুটিতে ২৬ বলে এখন পর্যন্ত উঠেছে ৪২ রান।

১৫: ১৮ , সেপ্টেম্বর ১১

শাদাব, ১/২৮

স্পেল শেষ করলেন শাদাব খান। শেষ বলে বড়সড় গুগলি করেছিলেন, তাতে লেগ বাই থেকে এসেছে সিঙ্গেল। হাসনাইনের ১৪ রানের ওভারের পর শাদাবের শেষ ওভার থেকে এসেছে ৭ রান। ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে শ্রীলঙ্কার অধিনায়কের উইকেট নিয়েছেন পাকিস্তানের সহঅধিনায়ক।

এএফপি
১৫: ২৪ , সেপ্টেম্বর ১১

ব্রেকথ্রু দিলেন রউফ

‘পেস ইজ পেস, ইয়ার!’

প্রথমে স্লোয়ার দিয়েছিলেন, হাসারাঙ্গা সেটি হারিস রউফের মাথার ওপর দিয়ে মেরেছেন চার। এরপর জায়গা বানিয়েছিলেন হাসারাঙ্গা, ইয়র্কারের চেষ্টায় সেটি হয় লো ফুলটস। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে উড়ন্ত শাদাব খানের ওপর দিয়ে সেটিও চার।

এরপর ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটার গতিতে করলেন রউফ, অফ স্টাম্পের একটু বাইরের চ্যানেলে, ফুললেংথে। আবার ব্যাট চালিয়ে এজড হলেন হাসারাঙ্গা, ২১ বলে ৩৬ রান করার পর। রাজাপক্ষের সঙ্গে তাঁর জুটিতে উঠেছে ৩৬ বলে ৫৮ রান।

১৫: ৩৩ , সেপ্টেম্বর ১১

নাসিমের ওভারে ১৬

ভানুকা রাজাপক্ষে!

প্রথমে ধীরগতির বলে স্কয়ার লেগের ওপর দিয়ে ছয়। এরপর গলফ ক্লাবের মতো ব্যাট ঘুরিয়ে ছক্কা লং অনের ওপর দিয়ে। নাসিম শাহর ওভারে এসেছে ১৬ রান, সর্বশেষ ৫ ওভারে উঠেছে ৫১ রান। এখনো লড়াই করছে শ্রীলঙ্কা, তাতে নেতৃত্ব দিছচেন ৩৩ বলে ৪৬ রানে অপরাজিত ভানুকা রাজাপক্ষে।

১৫: ৩৭ , সেপ্টেম্বর ১১

জীবন পাওয়ার পর রাজাপক্ষের ফিফটি

ক্যাচ পড়লে সেটি হতাশার। তবে শাদাব খানের মতো ফিল্ডার ক্যাচ মিস করলে হয়তো কিছু বলার থাকে না এমনকি বোলারেরও।

রউফের স্লোয়ারে তুলে মারতে গিয়ে আকাশে তুলেছিলেন রাজাপক্ষে। লং অন থেকে ছুটে এলেও ঠিকঠাক বলের নিচে যেতে পারেননি শাদাব, একটু বেশি দৌড়ে ফেলেছিলেন। ফেলে দিয়েছেন রাজাপক্ষের ক্যাচ। ওই ওভারের শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটি পূর্ণ করে ফেলেছেন রাজাপক্ষে, লেগেছে ৩৫ বল।

২ ওভার বাকি, ৬ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কার রান ১৪৭। ১৭০ নাগালের মধ্যে এখন ভালোভাবেই।

এএফপি
১৫: ৪৫ , সেপ্টেম্বর ১১

দুই ফিল্ডারের সংঘর্ষ, ক্যাচের বদলে ছক্কা

হতে পারত ছয়, হলো দুই ফিল্ডারের সংঘর্ষ, এরপর ছয়! হাসনাইনের বলে তুলে মেরেছিলেন রাজাপক্ষে। লং অন থেকে ছুটে এসেছিলেন আসিফ, ডিপ মিডউইকেট থেকে ডানদিকে শাদাব। আসিফের হাতে লেগে বল গেছে বাউন্ডারির বাইরে। আসিফের হাতে ধাক্কা লেগেছে শাদাবের মাথা।

এর আগে ভারতের বিপক্ষে রোহিত শর্মার ক্যাচ নিতে গিয়ে প্রায় সংঘর্ষ হয়েছিল খুশদিল শাহ ও ফখর জামানের। সেবার সেটি হয়নি, ফিরতে হয়েছিল রোহিতকে। এবার মাঠ ছাড়তে হলো শাদাবকে।

আগের ওভারে ১৪ রান দেওয়া হাসনাইন ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন ভালোভাবেই, প্রথম ৫ বলে দিয়েছিলেন মাত্র ২ রান। তবে শেষ বলের ওই ছক্কায় এলো ৮ রান।

১৫: ৫২ , সেপ্টেম্বর ১১

রাজাপক্ষে ৭১*, শ্রীলঙ্কা ১৭০/৬

অফ স্টাম্পের বাইরের বল, টেনে এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে ছয় মারলেন ভানুকা রাজাপক্ষে। নাসিম শাহর শেষ দুই বলে এলো ১০ রান, শেষ ওভারে উঠেছে ১৫ রান। চামিকা করুনারত্নের সঙ্গে রাজাপক্ষের জুটিতে উঠল ৩১ বলে ৫৪ রান। রাজাপক্ষে অপরাজিত ছিলেন ৪৫ বলে ৭১ রান করে।

শ্রীলঙ্কা গেল ১৭০ রান পর্যন্ত।

অথচ পাকিস্তান পেসারদের পর শাদাব খান ও ইফতিখার আহমেদের তোপে ৫৮ রানেই পঞ্চম উইকেট হারিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। এরপরই তাঁরা ঘুরে দাঁড়াল ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও ভানুকা রাজাপক্ষের ৩৬ বলে ৫৮ রানের জুটিতে। রাজাপক্ষে ভাগ্যের সহায়তা পেয়েছেন ইনিংসের শেষভাগে, সেটি কাজেও লাগিয়েছেন দারুণভাবে।

শেষ ১০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তুলেছে ১০৩ রান।

এএফপি
১৬: ১১ , সেপ্টেম্বর ১১

মাদুশাঙ্কার ১১ বলের ওভার

এ রকম শুরু হয়তো চায়নি শ্রীলঙ্কা। প্রথম ওভারটা করতে এসে মাদুশাঙ্কা যেন তালগোল পাকিয়ে ফেললেন একেবারে। শর্ট বল করতে চেয়েছিলেন, সেটা গেল ব্যাটসম্যান রিজওয়ানের মাথার অনেক উপর দিয়ে। প্রথম বলটাই নো। পরের তিনটাই ওয়াইড। এর মধ্যে তৃতীয় ওয়াইডে আবার হলো বাই ৪ রান। পরের বলটা আবার ওয়াইড। যে বলে ওভার শেষ হয়ে যাওয়ার কথা, সেটা হলো মাদুশাঙ্কার প্রথম বৈধ ডেলিভারি! শেষ পর্যন্ত ১১টা বল করে কোনো রকমে ওভার শেষ করলেন মাদুশাঙ্কা, রান দিলেন ১২!

১৬: ২৬ , সেপ্টেম্বর ১১

মাদুশানের পরপর ২ বলে নেই বাবর-ফখর

যখন ছন্দে থাকেন না, তখন আউট হতে হয় এভাবেও! প্রমোদ মাদুশানের লেগ স্টাম্পের বেশ বাইরের বলে ব্যাট চালালেন বাবর আজম, ফাইন লেগে থাকা উড়ন্ত দিলশান মাদুশাঙ্কার হাতে ধরা পড়লেন। বাবর যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না, কী হলো। এশিয়া কাপটা পাকিস্তান অধিনায়কের গেল এমনই, ফাইনালে তিনি ফিরলেন ৬ বলে ৫ রান করে।

ঠিক পরের বল, ফখর জামান ব্যাট চালিয়ে বল ডেকে আনলেন স্টাম্পে। স্তব্ধ হয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন তিনিও।

হ্যাটট্রিক বলটা ইফতিখার আহমেদ নিরাপদে লেগ সাইডে খেলেছেন।

৪ ওভারশেষে পাকিস্তানের স্কোর ২৪/২।

১৬: ৩২ , সেপ্টেম্বর ১১

জীবন পেলেন ইফতিখার

মাদুশাঙ্কার অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাট চালিয়েছিলেন ইফতিখার, ঠিক টাইমিং হয়নি। রিভিউয়ের জন্য একটু আলোচনা করলেও শেষ পর্যন্ত নেননি দাসুন শানাকা। আল্ট্রা এজে অবশ্য দেখা গেছে, বটম-এজড হয়েছিলেন ইফতিখার। দুবাইয়ের দর্শকদের আওয়াজে আম্পায়ার বা ফিল্ডার—সবার জন্যই বেশ কঠিন এমন শব্দ শোনা।

ইফতিখার জীবন পেলেন ১ রানে।

১৬: ৩৬ , সেপ্টেম্বর ১১

পাওয়ারপ্লেতে ৩৭/২

মাদুশানের করা ষষ্ঠ ওভারে এসেছে ৫ রান। পাওয়ারপ্লেতে ২ উইকেটে পাকিস্তানের স্কোর ৩৭ রান। শ্রীলঙ্কার স্কোর এ সময়ে ছিল ৪২ রান, তারা হারিয়েছিল ৩ উইকেট।

১৬: ৩৮ , সেপ্টেম্বর ১১

একটি ক্যাচের (ছক্কার) গল্প

১৬: ৪৬ , সেপ্টেম্বর ১১

মাদুশাঙ্কার দুই রকম দিন 

০-৯ম বল: ৯ রান

১-১৮তম বল: ১৫ রান

১৬: ৫৫ , সেপ্টেম্বর ১১

রিভিউ হারাল শ্রীলঙ্কা

খোলা চোখেও মনে হচ্ছিল, ইমপ্যাক্ট ছিল অফ স্টাম্পের বাইরে। হাসারাঙ্গার গুগলিতে ফরোয়ার্ড ডিফেন্স করতে গিয়ে মিস করেছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান, আম্পায়ার অনীল চৌধুরি তাতে সাড়া দেননি।

আল্ট্রা-এজ তৈরি হতেই সময় লেগেছে বেশ, বল ব্যাটের পাশে থাকার সময় তাতে দেখা গেছে স্পাইক। যদিও প্রায় একই সঙ্গে বল মাটিতে/বুটে লেগেছিল। তবে টিভি আম্পায়ার সন্তুষ্ট হয়েছেন তাতেই। রিভিউ হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা।

বাবর-ফখর পরপর দুই বলে ফেরার পর পুনর্গঠনের কাজ করছেন রিজওয়ান ও ইফতিখার। আপাতত উইকেট হাতে রেখে ম্যাচ শেষের অংশে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা, মনে হচ্ছে এমন।

১০ ওভার শেষে পাকিস্তান তুলেছে ২ উইকেটে ৬৮ রান, এ সময়ে শ্রীলঙ্কার স্কোর ছিল ৫ উইকেটে ৬৭ রান।

১৭: ০৮ , সেপ্টেম্বর ১১

হাসারাঙ্গার ওভারে ১৪

পাকিস্তানের বিপক্ষে এর আগে দারুণ সফল ছিলেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, সুপার ফোরের ম্যাচেও নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। আজও প্রথম ২ ওভারে ১১ রান দিয়েছিলেন এ লেগ স্পিনার। সর্বশেষ ওভারে অবশ্য তাঁর ওপর চড়াও হলেন ইফতিখার। গুগলিতে প্রথমে মিডউইকেট দিয়ে মারলেন ছক্কা, এরপর সোজা তুলে মারা শটে এলো আরেকটি চার। হাসারাঙ্গার তৃতীয় ওভারে এসেছে ১৪ রান। গিয়ার বদলানোর ইঙ্গিত ইফতিখারের।

মহীশ তিকসানার করা পরের ওভারে অবশ্য এসেছে মাত্র ৩ রান। ৪২ বলে প্রয়োজন ৮০ রান।

১৭: ১৪ , সেপ্টেম্বর ১১

জুটি ভাঙলেন মাদুশান

রান ও বলের ব্যবধান বাড়ছিল, বাড়ছিল চাপ। প্রথম ২ ওভারে ৯ রান দেওয়া মাদুশান আক্রমণে ফিরলেন, তাঁর স্লোয়ারে তুলে মারতে গিয়ে মিডউইকেটে ধরা পড়ে ফিরলেন ইফতিখার। ৩১ বলে ৩২ রান তাঁর, রিজওয়ানের সঙ্গে জুটিতে তুলেছেন ৫৯ বলে ৭১ রান।

১৭: ২২ , সেপ্টেম্বর ১১

বোলিংয়ে ধনঞ্জয়া, এগিয়ে শ্রীলঙ্কা

বাবর আজম এনেছিলেন ইফতিখার আহমেদকে। মোহাম্মদ নেওয়াজ আসার পর দাসুন শানাকা আনলেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে।

প্রথম বলেই টেনে মেরেছিলেন নেওয়াজ, তবে লং অফে দারুণ ফিল্ডিংয়ে বাউন্ডারি বাঁচিয়ে দেন দানুশকা গুনাতিলাকা। পাকিস্তান এ ওভারে মোমেন্টাম পায়নি আর, উঠেছে ৪ রান।

৩০ বলে পাকিস্তানের প্রয়োজন ৭০ রান।

১৭: ২৫ , সেপ্টেম্বর ১১

ফিরলেন নেওয়াজও

গতি কমিয়ে এনে স্মার্ট বোলিং করছে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ব্যাটসম্যানরা ধরা পড়ছেন তাতেই। সর্বশেষ চামিকা করুনারত্নের শর্ট লেংথের স্লোয়ারে পুল করতে গিয়ে মিডউইকেটে ধরা পড়েছেন নেওয়াজ। মাদুশান নিয়েছেন ভালো ক্যাচ, ফিল্ডিংয়ে আজ প্রায় নিখুঁত শ্রীলঙ্কা।

নেওয়াজকে হারানো পাকিস্তানের চাপ বাড়ল আরও, শ্রীলঙ্কা এগিয়ে গেল আরেকটু।

১৭: ২৯ , সেপ্টেম্বর ১১

রিজওয়ানের ফিফটি

করুনারত্নের স্লোয়ার পড়তে পারলেন রিজওয়ান, স্লগ করে কাউ কর্নার দিয়ে মারলেন ছয়। তাতেই ফিফটি হয়ে গেছে তাঁর, অবশ্য মাইলফলকে যেতে লেগেছে ৪৭ বল। ২৪ বলে পাকিস্তানের প্রয়োজন ৬১ রান।

১৭: ৩২ , সেপ্টেম্বর ১১

রিজওয়ানকে ফেরালেন হাসারাঙ্গা

ইফতিখার ছয়-চার মারার পর হাসারাঙ্গা দিয়েছিলেন ১৪ রান, এরপর তাঁকে সরিয়ে নেন শানাকা। প্রয়োজনীয় রান রেটের চাপে যখন প্রায় পিষ্ট পাকিস্তান, তখন আবার আনলেন তাঁকে। প্রথম বলেই স্লগ করেছিলেন রিজওয়ান, তবে পার করাতে পারেননি গুনাতিলাকাকে। আরেকটি ভালো ক্যাচ, আরেকটি উইকেট। ৪৯ বলে ৫৫ রান করে ফিরলেন রিজওয়ান।

এক বল পর হাসারাঙ্গা ফিরিয়েছেন আসিফ আলীকেও। মুখোমুখি প্রথম বলে বড় শট খেলতে গিয়ে পুরোপুরি মিস করে গেছেন আসিফ।

পাকিস্তানের জয়ের জন্য এখন কাউকে হয়ে উঠতে হবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের নাসিম শাহর মতো!

১৭: ৩৬ , সেপ্টেম্বর ১১

হাসারাঙ্গা—এক, দুই, তিন!

মোহাম্মদ রিজওয়ান। আসিফ আলী। খুশদিল শাহ।

হাসারাঙ্গার ৫ বলের মধ্যে ফিরলেন তিন জনই! সর্বশেষ টপ-এজড খুশদিল শাহ। ১৯ বলে প্রয়োজন ৫৯ রান।

১৭: ৪২ , সেপ্টেম্বর ১১

‘দে আর ক্যাচিং এভ্রিথিং!’

ধারাভাষ্যে বললেন ওয়াকার ইউনিস। অবশ্য এটি শুধু ক্যাচের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। একটু আগেই থ্রো ঠিকঠাক নিতে না পেরে রানআউটের সুযোগ হাতছাড়া করেছেন মহীশ তিকসানা। তবে তাঁর বলে শাদাব খানের ক্যাচ নিতে ভুল হলো না দানুশকা গুনাতিলাকার। ১২ বলে পাকিস্তানের দরকার ৫১ রান।

১৭: ৪৫ , সেপ্টেম্বর ১১

ফিরলেন নাসিম শাহও

সহজ, কঠিন, মোটামুটি সহজ, মোটামুটি কঠিন—শ্রীলঙ্কা মিস করছে না কোনো ক্যাচই। মাদুশানের বলে এবার চামিকা করুনারত্নের হাতে ধরা পড়লেন নাসিম শাহ—আফগানিস্তানের বিপক্ষে পাকিস্তানের স্মরণীয় জয়ের নায়ক। শ্রীলঙ্কানরা উৎসব চাইলেই শুরু করে দিতে পারে এখন!

১৭: ৪৯ , সেপ্টেম্বর ১১

৬ বলে প্রয়োজন ৩২ রান

মাদুশানের করা ১৯তম ওভারের শেষ বলে ছয় মেরেছেন হাসনাইন। পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৭ ছক্কা, শেষ ওভারে দরকার ৬টি!

১৭: ৫৪ , সেপ্টেম্বর ১১

এশিয়ার সেরা শ্রীলঙ্কা

করুনারত্নের শেষ ওভারে ৮ রানের বেশি আসেনি। ২৩ রানের জয়ে ষষ্ঠবারের মতো এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছে শ্রীলঙ্কা।

১৮: ৩৪ , সেপ্টেম্বর ১১

জয়াবর্ধনের অভিনন্দন

১৮: ৩৫ , সেপ্টেম্বর ১১

মালিঙ্গার অপেক্ষার অবসান

১৮: ৪৬ , সেপ্টেম্বর ১১

যে রাত শুধু শ্রীলঙ্কার

রাতটা শ্রীলঙ্কার হওয়ার কথা ছিল না। এশিয়া কাপটাও শ্রীলঙ্কার হওয়ার কথা ছিল না হয়তো।

এ টুর্নামেন্ট হওয়ার কথা ছিল শ্রীলঙ্কাতেই। তবে দেশটি এমন অর্থনৈতিক সঙ্কটে বিপর্যস্ত যে, এতগুলো দলকে আতিথেয়তা দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না। যে কারণে নিজেদের দেশে খেলার বদলে খেলতে হলো পরভূমে। টুর্নামেন্টে শুরুটা হলো দু:স্বপ্নের মতো। আফগানিস্তানের বিপক্ষে আগে ব্যাটিং করে গুটিয়ে গেল ১০৫ রানে, প্রতিপক্ষ যেটি পেরিয়ে গেল ১০.১ ওভারের মধ্যে। এর পরের প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। যে দলের টিম ডিরেক্টর বলেছিলেন, শ্রীলঙ্কা দলে কোনো বোলারই দেখেন না তিনি। শ্রীলঙ্কা মাঠে কিংবা মাঠের বাইরে, পিছিয়ে ছিল সবখানেই।

এরপর আজকের ফাইনাল। দুবাইয়ে যখন টস জিতলেই ম্যাচ জয় অনেকটাই নিশ্চিত, টানা চার ম্যাচ জেতার পর সেই টস হারলেন শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক। পাকিস্তান পেসারদের সামনে এলোমেলো হয়ে পড়ল তাদের ব্যাটিং—৪ ওভারের মধ্যে ফিরে গেলেন দুই ওপেনার, টুর্নামেন্টে দলের ৪৫ শতাংশ রানই যাঁদের। এরপর ৫৮ রানে নেই ৫ উইকেট।

তবুও, রাতটা নিজেদের করে নিল শ্রীলঙ্কা।

আরও পড়ুন