প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ১৫৯ রান নিয়ে পেরে ওঠেননি পাকিস্তান বোলাররা। বিরাট কোহলির অনবদ্য ইনিংসের দিনে শেষ বলে ম্যাচ হারে পাকিস্তান। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরের ম্যাচে অবশ্য ভালোই করেছিলেন বোলাররা। জিম্বাবুয়েকে আটকে রেখেছিলেন ১৩০ রানে। কিন্তু রান তাড়া করতে গিয়ে বাবর আজমরা করতে পারেন ১২৯ রানে। এই ম্যাচটিও পাকিস্তান শেষ বলে ১ রানে হারে।

টানা দুই হারে পাকিস্তান এখন ভীষণ চাপে। সেমিফাইনালের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে আজ নেদারল্যান্ডসকে হারানোর বিকল্প নেই। নয়তো আগেভাগেই দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিতে হবে। বাবরদের এই ‘গর্তে পড়া’ পরিস্থিতিতে নেদারল্যান্ডস খুঁজে পাচ্ছে ‘সুযোগ’। মানসিকভাবে পিছিয়ে থাকা পাকিস্তানকে হারানোর এই তো সময়!
ডাচদের আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে জিম্বাবুয়ের জয়ও। ১৩০ রানের পুঁজি নিয়ে জিম্বাবুয়ে যদি পাকিস্তানকে হারিয়ে দিতে পারে, নেদারল্যান্ডসও বা কেন নয়?

গতকাল পার্থে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন সুর শোনা গেছে নেদারল্যান্ডস কোচ রায়ান কুকের মুখেও। জিম্বাবুয়ে যা করেছে, তার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে নেদারল্যান্ডস কতটা আশাবাদী—এমন প্রশ্নে কুক বলেন, ‘সব দলই তো জেতার জন্যই মাঠে নামে। আমরাও নামব। তবে হ্যাঁ, এটা সত্যি পাকিস্তানকে হারানো যায়।’

এ বছরের আগস্টে ওয়ানডে বিশ্বকাপ সুপার লিগের ম্যাচ খেলতে নেদারল্যান্ডস সফরে গিয়েছিল পাকিস্তান। তিন ম্যাচ সিরিজের সব কটিতেই জেতেন বাবর-রিজওয়ানরা। তবে দুটি ম্যাচে জয়ের কাছাকাছি গিয়েছিল নেদারল্যান্ডস। সম্ভাবনা জাগানো সেই দুটি ম্যাচে ডাচরা হারে যথাক্রমে ১৬ ও ৯ রানে।

নেদারল্যান্ডস কোচ কুকের বিশ্বাস, সেবার না পারলেও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পাকিস্তানকে হারানো সম্ভব, ‘সুপার লিগের ম্যাচ খেলেছি বেশি দিন হয়নি। দুটি ম্যাচে আমরা খুব (জয়ের) কাছেও চলে গিয়েছিলাম, যেটা আমাদের প্রচুর আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। আশা করছি, এবার শেষ ধাপটাও পার হতে পারব। ব্যাপারটা দারুণ হবে।’

কিসের ভরসায় নেদারল্যান্ডস কোচ এমন আত্মবিশ্বাসী, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন কুক। এ ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতার মধ্যে না থাকা পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকেই ‘লক্ষ্য’ বানাচ্ছে ডাচরা, ‘আমাদের বোলিং আক্রমণ খুবই ভালো। আশা করছি, পাকিস্তানের বিপক্ষে বোলাররা এমন কিছু উইকেট নেবে, যাতে তাদের ব্যাটিং অর্ডারকে আটকে ফেলা যায়।’