জেমি সিডন্সের কথা, ‘নিউজিল্যান্ডে কেবল একটি স্কোর ছিল দুই শ ছাড়ানো। ২০০ করা নিয়ে তাই আমাদের ভাবনা নেই। আমরা যদি ১৬০-১৭০ নিয়মিত করতে পারি, আমাদের বোলিং আক্রমণ দিয়ে ম্যাচ হারের চেয়ে জিতবই বেশি।’

বাংলাদেশ দলের বোলিং আক্রমণে আস্থা রেখেই সিডন্স বলেছেন, ‘আমার মনে হয় না, এখানে ২০০ দরকার আছে। কালকেও ২০০ দরকার হবে না, বিশ্বকাপেও ২০০ রানের স্কোর খুব একটা জরুরি হবে না। ১৭০-১৮০ এখানে হবে আদর্শ স্কোর। ১৭০ করতে পারলে আমরা খুবই খুশি থাকব। আমাদের বোলিং আক্রমণের জন্য এটা যথেষ্ট হবে। বিগ ব্যাশ দেখেছেন, সেখানে গড় স্কোর ২০০ নয়। খুবই বিরল স্কোর এটা।’

প্রত্যাশিত স্কোরের সঙ্গে চলে আসে বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং অর্ডারের আলোচনাও। সে প্রসঙ্গে সিডন্সকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘খুব কাছাকাছি আমরা এখন (ব্যাটিং অর্ডার ঠিক করায়)। আমাদের ভাবনায় আমরা সঠিক আছি বলেই মনে করি। প্রয়োজন এখন কোনো একজনের নিজেকে মেলে ধরার ও বড় স্কোর গড়ার।’

কাল বাংলাদেশ দল ব্রিসবেনের গ্যাবায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। একই মাঠে ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশ দ্বিতীয় ও শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।

এই দুটি ম্যাচ দেখে ব্যাটিং অর্ডার সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা নেবে টিম ম্যানেজমেন্ট, ‘আমাদের চূড়ান্ত ব্যাটিং অর্ডারের অনেকটা কাছাকাছি কিছুই দেখা যাবে এই দুই ম্যাচে। আমাদের দল খুব বেশি টি-টোয়েন্টি জেতেনি, চেষ্টা করছে সেরা সমন্বয় ও সেরা ব্যাটিং অর্ডার বাছাই করতে। আমরা অনেকটাই কাছাকাছি চলে এসেছি (ব্যাটিং অর্ডার চূড়ান্ত করার)।’