রোহিতের ইনিংসটি ছিল তাঁর মতোই। ৮৫ বলে ১০১। ৯টি বাউন্ডারি আর ৬টি ছক্কা ছিল তাঁর ইনিংসে। শেষ পর্যন্ত বোল্ড হয়েছেন মিচেল ব্রেসওয়েলের বলে। শুবমান গিল ১১২ করে উইকেটের ডেভন কনওয়েকে ক্যাচ দিয়েছেন ব্লেইর টিকনারের বলে। ৭৮ বলের ইনিংসে গিল বাউন্ডারি মেরেছেন ১৩টি, ছক্কা ৫টি। রোহিত-গিলের ওপেনিং জুটিতে রান এসেছে ২১২।

রোহিত, গিল ফেরার পর বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার যাদবরা বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। টিকতে পারেননি ঈশান কিষানও। কোহলি ২৭ বলে ৩৬ করে ফিরেছেন জ্যাকব ডাফির বলে ফিন অ্যালেনের ক্যাচ হয়ে। সূর্যকুমারকেও ফিরিয়েছেন ডাফি। ঈশান হয়েছেন রানআউট। এই প্রতিবেদন লেখার সময় টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ভারতের সংগ্রহ ছিল ৪২ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ৩১৩।

রোহিত–গিলের পর উইকেট পতন হচ্ছিল দ্রুতই। সেটি ঠেকিয়ে ভারতকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে গেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। তিনি ৩৮ বলে ৩টি বাউন্ডারি ও ৩টি ছক্কায় করেন ৫৪। তাঁকে ভালোই সঙ্গ দিয়েছেন শার্দুল ঠাকুর। তিনি ১৭ বলে করেছে ২৫।

নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফিও ‘সেঞ্চুরি’ করেছেন। তিনি ১০ ওভার বোলিং করে দিয়েছেন ১০০ রান। উইকেট নিয়েছেন ৩টি। ৭৬ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন ব্লেইর টিকনারও। ব্রেসওয়েল নিয়েছেন একটি উইকেট।