default-image

জাতীয় দল নয় ঠিকই, কিন্তু মিঠুনের ‘এ’ দলে ফেরা আরও একবার আলোচনা-সমালোচনার ডেকে আনবে কি না, সেই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে মিঠুনকে। এ ব্যাপারে তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে অনেক বেশি মাতামাতি হয়। এগুলো সামলানোর সামর্থ্য না থাকলে আমি ক্রিকেট খেলতে পারব না। সেটা সামলানোর মত মানসিক দৃঢ়তা থাকতে হবে। এ জন্য আমি যথেষ্ট সময় পেয়েছি। সময় পেয়ে ক্রিকেটে ফিরেছি, ক্রিকেট খেলছি। এখন একটা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এখানে কীভাবে সর্বোচ্চটা দিতে পারি সেটিতেই আমার পূর্ণ মনোযোগ। আর কোনদিকে কী হচ্ছে তা আমার ভাববার ব্যাপার না, ভাবিও না।’

’এ’ দলের এই সফর ক্রিকেটারদের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলার সুযোগ করে দেবে বলে মনে করেন মিঠুন। তার কথা, ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেটের কথা যদি চিন্তা করেন, তাহলে ‘এ’ দলের ক্রিকেট ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে ভালো।’

default-image

ওয়েস্ট ইন্ডিজে বাংলাদেশ দলের সর্বশেষ দুটি সফরে বাংলাদেশ টেস্ট দলের পারফরম্যান্স ভালো ছিল না। এবারের ’এ’ দলের সফরে লাল বলের খেলাটাই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। মিঠুন যেমন বলছিলেন, ‘লাল বলের চ্যালেঞ্জটা সবসময়ই থাকে। কারণ আমাদের ঘরোয়া পর্যায়ে তেমন চ্যালেঞ্জ সামলাতে হয় না। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের দলে গেলে যেটা সামলাতে হয়।”

আগামী ৪ আগস্ট সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামে শুরু হবে সফরের প্রথম চারদিনের ম্যাচে। ১০ আগস্ট থেকে হবে দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচ। ১৬ আগস্ট থেকে শুরু সাদা বলের লড়াই। এরপর ১৮ ও ২০ আগস্ট বাকি দুটি এক দিনের ম্যাচ খেলে দেশে ফিরবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। সফরের সবকটি ম্যাচের ভেন্যুই সেই সেন্ট লুসিয়ায়।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন