সুপার টুয়েলভে নেদারল্যান্ডস ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জিতেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ে ও পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭১ ও ৫৪ রানের দুটি ইনিংসও খেলেছেন নাজমুল হোসেন। তবে বড় কোনো দলের বিপক্ষেই জিততে পারেনি বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরেছে।

নাজমুল তবু মনে করেন, বাংলাদেশ দল ভালো ক্রিকেট খেলেছে, ‘আমার মনে হয়, যদি আমরা আগের বিশ্বকাপগুলো দেখি, ফল অনুযায়ী ভালো করেছি। সব থেকে ভালো যে দিকটা ছিল, আমরা দুটো ম্যাচ জিতেছি, আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি। ওগুলোতে আমরা দল হিসেবে ভালো খেলেছি। যেগুলো জিততে পারিনি, ওগুলো দল হিসেবে জিততে পারিনি।’

বাংলাদেশের সামনে সুপার টুয়েলভ থেকে সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ ছিল। শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতলেই সেমিফাইনালে উঠত বাংলাদেশ। কিন্তু ৮ উইকেটে মাত্র ১২৭ রান তুলে ম্যাচটা ৫ উইকেটে হারে সাকিব আল হাসানের দল। নাজমুল মনে করেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে কেউ ভাবেনি, বাংলাদেশ সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। যদিও এই সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার পেছনে অন্য ম্যাচের ফলেরও ভূমিকা ছিল।

নাজমুল তবু এই পারফরম্যান্সকে ইতিবাচক চোখেই দেখছেন। সামনের বিশ্বকাপে এমন পরিস্থিতিতে পড়লে কী করতে হবে, সে বিষয়ে এই বিশ্বকাপ থেকেই শিক্ষা নেওয়ার কথা জানালেন নাজমুল, ‘আমার মনে হয় না বিশ্বকাপ শুরুর আগে কেউ এ রকমভাবে চিন্তা করেছে, সেমিফাইনালে যাওয়ার একটা সুযোগ তৈরি হবে। কিন্তু আমরা চিন্তা করেছি যে আমরা কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি। খুব ভালো একটা সুযোগ ছিল। ওটা আমরা নিতে পারিনি। কিন্তু এই আত্মবিশ্বাসটা, আমরা সামনে যখন বিশ্বকাপ খেলব, ওই বিশ্বাসটা থাকবে যে এ রকম পরিস্থিতিতে কীভাবে আরও ভালো করতে পারি।’

পরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ হাতে দুই বছর সময় আছে। নাজমুল জানালেন, ২০২৪ বিশ্বকাপে আরও ভালো করতে এর মধ্যেই প্রস্তুতিটা নিতে চান নাজমুল, ‘এ বিশ্বকাপে আমাদের আরও ভালো করার বড় সুযোগ ছিল। এটাই মাথায় থাকবে যে সামনের বিশ্বকাপে এর থেকে ভালো আমরা করতে পারি এবং আমাদের হাতে আরও দুই বছর আছে। দুই বছর আমরা সেভাবেই নিজেদের প্রস্তুত করব এবং যদি ওভাবে অনুশীলন করি, সামনের বিশ্বকাপে আরও ভালো ফল করা সম্ভব।’