এর মধ্যে ৩টি ইনিংসে ৫০ পার করেছেন সূর্যকুমার। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২৫ বলে ৫১, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৪০ বলে ৬৮ রানের পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৫ বলে ৬১ রানে অপরাজিত ছিলেন।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৬টি চারের সঙ্গে ছক্কা মারেন ৪টি, যার একটি ছিল প্রায় কল্পিত ষষ্ঠ স্টাম্পের লাইনে গিয়ে ফাইন লেগের ওপর দিয়ে ছক্কা।
৩২ বছর বয়সী সূর্যের ওই শট দেখে ধারাভাষ্যকক্ষে থাকা ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার বলেছিলেন, ‘নতুন ৩৬০ ডিগ্রি।’

শুধু সুনীলই নন, সূর্যকুমারের ব্যাটিং ডি ভিলিয়ার্সের মতো বলে মন্তব্য করেন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রিকি পন্টিং আর পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শোয়েব মালিকরাও।

চারদিকে নিজের নাম এভাবে উচ্চারিত হওয়ার পর ডি ভিলিয়ার্সও আর চুপ থাকেন কী করে?

ক্রিকেটে আবির্ভূত হওয়া নতুন ‘মিস্টার ৩৬০’কে স্বাগত জানালেন মনখুলে। নিজের ইউটিউব চ্যানেল লাইভে এসে সূর্যের প্রশংসা করার পর কিছুটা মজাও করলেন সবার সঙ্গে, ‘সে নতুন ৩৬০, তবে আমিই কিন্তু আসল। আমার ডাকনামটা কেড়ে নিয়ো না।’
২০২২ সালে ১ হাজার টি-টোয়েন্টি রান করে ফেলা সূর্যের ভবিষ্যৎ নিয়েও আশাবাদী ডি ভিলিয়ার্স, ‘এই ছেলেটাকে নিয়ে আমি খুশি। খুব ভালো সম্ভাবনা আছে।’

এর আগে টুইটারেও সূর্যকুমারের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন ডি ভিলিয়ার্স। জিম্বাবুয়ে ম্যাচ শেষে স্টার স্পোর্টসের ধারাভাষ্যকার ইরফান পাঠান সূর্যকুমারকে ডি ভিলিয়ার্সের সঙ্গে তুলনার কথা মনে করিয়ে দিয়েছিলেন। সূর্য তখন বিনয়ের সুরে জবাব দেন, ‘বিশ্বে ৩৬০ ডিগ্রি খেলোয়াড় একজনই আছে। আমি তার মতো খেলার চেষ্টা করি।’

সূর্যের মন্তব্যটি চোখে পড়ার পর ডি ভিলিয়ার্স টুইটে লেখেন, ‘তুমিও দ্রুতই সেদিকে (৩৬০ ডিগ্রি খেলোয়াড়) যাচ্ছ। এমনকি এর চেয়েও বেশি।’