default-image

বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৃণমূল পর্যায় থেকে নতুন ক্রিকেটার তুলে আনার বিভিন্ন কার্যক্রমে গত দুই বছরে শিশুদের অংশগ্রহণ অনেক কমে গেছে। নির্দিষ্ট করে বললে, এই সংখ্যাটা করোনা-পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে ১৫ হাজারের কম। করোনার অতিমারির কারণেই এমনটা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। ২০২০ সালের মার্চ মাসের দিকে অতিমারি আকারে এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। অত্যধিক সংক্রামক হওয়ার কারণে করোনা থেকে বাঁচতে লকডাউন জরুরি ছিল। দেশে দেশে মানুষ ঘরবন্দী হয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় সব ধরনের সামাজিক মেলামেশা।

অস্ট্রেলিয়াতেও শুরু হয় কঠোর লকডাউন। স্বাভাবিকভাবেই এ সময় অস্ট্রেলিয়াতে অন্য সব খেলার মতো ক্রিকেটও বন্ধ হয়ে যায়। লকডাউন তুলে নেওয়ার পর ক্লাব ক্রিকেটাররা মাঠে ফিরলেও শিশুদের ক্রিকেটে অংশগ্রহণ কমে গেছে ভয়াবহভাবে। বিশেষ করে ১২ বছরের নিচের বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়াতে দেখা দিয়েছে প্রতিভার খরা।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) ব্যাপারটি নিয়ে বিশেষভাবে চিন্তিত। তারা বলছে, ব্যাপারটি অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের জন্য চ্যালেঞ্জের। দেশটির ক্রিকেট থেকে যেন কোনো প্রজন্ম হারিয়ে না যায়, সেটি নিশ্চিত করাটাই সেই চ্যালেঞ্জ। ৫-১২ বছর বয়সী বাচ্চারা যেন বেশি বেশি ক্রিকেটে আসে, সে ব্যাপারে কাজ করছে তারা। এ ব্যাপারে কর্মকৌশল বাস্তবায়ন করবে তারা।

এ ব্যাপারে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তা জেমস অ্যালস্প বলেন, ‘ক্রিকেট হচ্ছে এমন একটা খেলা, যেটির কিছু মৌলিক দক্ষতা খুব অল্প বয়সে অর্জন করতে হয়। খেলাটি যথেষ্ট কঠিন। আমাদের কাছে কিছু পরিসংখ্যান আছে। সেটি থেকে দেখা যায়, ৫ থেকে ১২ বছর বয়সের মধ্যে ক্রিকেট খেলা শুরু না করলে আরও একটু বড় হয়ে এ খেলাটিতে দক্ষতা অর্জন করা বেশ কঠিন।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন