ফর্ম ও ধারাবাহিকতার বিচারে কিউইরা এগিয়ে থাকলেও ইতিহাস কিন্তু পাকিস্তানের পক্ষে। এর আগে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান মুখোমুখি হয়েছিল তিনবার। যেখানে তিনবারই জয় পেয়েছে পাকিস্তান। প্রথমবার এই দুই দল সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় ১৯৯২ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে।

১৯৯২ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ:

’৯২–এর ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মধ্যে মিল খুঁজে পাওয়া যায়। ’৯২ বিশ্বকাপেও ফর্মের বিচারে এগিয়ে ছিল নিউজিল্যান্ড। আর পাকিস্তান এবারের মতোই বাদ পড়ার মুখ থেকে পৌঁছে গিয়েছিল সেমিফাইনালে। মিল আছে আরও এক জায়গায়, সেই বিশ্বকাপেও নিজেদের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল কিউইরা।

সে ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে স্কোরবোর্ডে ২৬২ রান তুলেছিল নিউজিল্যান্ড। তাড়া করতে নেমে ৪ উইকেটের জয়ে মার্টিন ক্রোদের হৃদয় ভেঙেছিলেন ইমরান খানরা। সেবারই প্রথম বিশ্বকাপ জেতে পাকিস্তান।

১৯৯৯ বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল:

এই বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ৯ উইকেটে হেরেছিল স্টিভেন ফ্লেমিংয়ের দল। প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেট ২৪১ রান তুলেছিল নিউজিল্যান্ড। সাঈদ আনোয়ারের সেঞ্চুরিতে ২ ওভার ৩ বল হাতে রেখেই টপকে যায় পাকিস্তান। ’৯২ বিশ্বকাপের মতো ১৯৯৯ সালে আর চ্যাম্পিয়ন হওয়া হয়নি পাকিস্তানের। ফাইনালে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়ার কাছে।

২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল:

প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও পাকিস্তানের কাছে বড় ব্যবধানে হারে নিউজিল্যান্ড। ইমরান নাজিরের দুর্দান্ত ইনিংসে ১৪৪ রানের লক্ষ্য ৭ বল হাতে রেখেই টপকে যায় পাকিস্তান। এই বিশ্বকাপের ফাইনালেও হারে পাকিস্তান।

তবে সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের অভিজ্ঞতা আছে নিউজিল্যান্ডের। সেটা অবশ্য চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে। সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ছয়বার মুখোমুখি হয়েছে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড। চারবার জিতেছে পাকিস্তান, দুবার জিতেছে নিউজিল্যান্ড।