টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মতো ১০ উইকেটে হারল ভারত। গত বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে এ ব্যবধানে হেরেছিল তারা, তবে সেটি ছিল সুপার টুয়েলভে।


অ্যাডিলেড ওভালে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবারের মতো টসে জেতার পর ম্যাচও জিতল কোনো দল। এর আগে ১১ ম্যাচেই হেরেছিল টসে জেতা দল।

১৭০*
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন যে কোনো উইকেটেই সর্বোচ্চ জুটিটি জস বাটলার ও অ্যালেক্স হেলসের। আগের সর্বোচ্চ ছিল কুইন্টন ডি কক ও রাইলি রুশোর, এবারই বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় উইকেটে ১৬৮ রান তুলেছিলেন দুই দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান। বিশ্বকাপে ওপেনিংয়ে এর আগের সর্বোচ্চ জুটিটি ছিল বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের। গত বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষেই পাকিস্তানের দুই ওপেনার অবিচ্ছিন্ন ছিলেন ১৫২ রানের জুটি গড়ে, সেটিও রান তাড়ায়। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এর আগে সর্বোচ্চ জুটি ছিল ১০৫ রানের, সেটিও বাবর-রিজওয়ানের, গত বছর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।


আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ রানের ওপেনিং জুটি এখন হেলস-বাটলারের। এর আগের রেকর্ডেও ছিলেন হেলস, মাইকেল লাম্বের সঙ্গে ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যোগ করেছিলেন ১৪৩ রান।

৮০-৯৯*
হেলস ও বাটলার, দুজনই পেরিয়েছেন ৮০, দুজনই ছিলেন অপরাজিত, কিন্তু সেঞ্চুরি পাননি কেউ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এমন ঘটনা এই প্রথম। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেই এমন ঘটনা মাত্র দ্বিতীয়। এ বছর জিব্রাল্টারের দেওয়া ২১৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে বুলগেরিয়ার দুই ওপেনার বালাজি পাই (৮৬) ও লুইস ব্রুস (৯৯) অপরাজিত থাকলেও অবশ্য দলকে পার করাতে পারেননি।

৮৬*
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল বা ফাইনালে হেলসের ইনিংসটি তৃতীয় সর্বোচ্চ। তাঁর ওপরে আছেন শ্রীলঙ্কার তিলকরত্নে দিলশান (৯৬*) ও বিরাট কোহলি (৮৯*)।


আজ ৭টি ছক্কা মেরেছেন হেলস। বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল বা ফাইনালে সর্বোচ্চ এটি। এর আগে ৬টি করে ছক্কা মেরেছিলেন মাইক হাসি, ক্রিস গেইল ও মারলন স্যামুয়েলস।