খুলনার রান তাড়ার শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। মুনিম শাহরিয়ার ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই অফ স্পিনার শুভাগত হোমের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়েছেন। তবে তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল ক্ষতিটা পুষিয়ে দিয়েছেন হিসাবি ব্যাটিংয়ে। দুজন মিলে ৭৬ বলে যোগ করেছেন ১০৪ রান। তামিম ৩৭ বল খেলে ৪৪ রানে আউট হন। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসের সৌজন্যে টি-টোয়েন্টিতে ৭ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন তামিম। মাহমুদুলের সুযোগ ছিল জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ার। কিন্তু বাঁহাতি স্পিনার নিহাদুজ্জামানের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। ৫৯ রানের ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ১টি ছক্কা।

বাকি কাজটা করেছেন খুলনার অধিনায়ক ইয়াসির আলী ও আজম খান। দুজন মিলে ২৮ বলে ৫০ রান যোগ করে দলের জয় নিশ্চিত করেছেন। এর মধ্যে ১৭ বলে অপরাজিত ৩৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন ইয়াসির। ২টি চার ও ৪টি ছক্কা ছিল খুলনার অধিনায়কের ইনিংসে। ১৬ বলে অপরাজিত ১৫ রান করে ইয়াসিরকে সঙ্গ দিয়েছেন আজম।

চট্টগ্রামের ব্যাটিং যে অনেকটাই টপ অর্ডার–নির্ভর, সেটি আজ আরও একবার দেখা গেল। ওপেনার ম্যাক্স ও’ডাউড দ্বিতীয় ওভারে আউট হলেও উসমান খান ও আফিফ হোসেন পাওয়ার প্লেতে রানটাকে নিয়ে যান ৫৪ রানে। ওভারপ্রতি প্রায় ১০ করে রান এসেছে মাঝের ওভারেও। কিন্তু ৩১ বলে ৪৫ রান করা উসমান আউট হওয়ার পর চট্টগ্রামের রানের গতি কমতে থাকে। ৯.২ ওভার থেকে ১৪.৫ ওভার পর্যন্ত কোনো বাউন্ডারিই আসেনি।

এর পরের ওভারেই রান বাড়ানোর চেষ্টায় আউট হন আফিফ। ওয়াহাব রিয়াজের বলে এলবিডব্লিউর শিকার হন তিনি, এর আগে করেছেন ৩১ বলে ৩৫ রান। এডিআরএস নিয়েও রক্ষা হয়নি তাঁর। আফিফের আউট হলেও দারউইশ রাসুলির দিকে তাকিয়ে ছিল চট্টগ্রাম। শেষের দিকে এই আফগান ব্যাটসম্যান যদি কিছু চার-ছক্কা মারতে পারেন, তাহলেও লড়াই করার মতো রান পাওয়া যাবে! কিন্তু ২৬ বলে ২৫ রান করে রানআউট হন আফিফ। চট্টগ্রামের ভাগ্য ভালো, ৯ বল খেলে ২১ রান করে অপরাজিত ছিলেন ফরহাদ রেজা। এতে চট্টগ্রামের রানটা দেড় শ ছাড়ায়। খুলনার হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন ওয়াহাব রিয়াজ। টি-টোয়েন্টিতে ষষ্ঠ বোলার হিসেবে ৪০০ উইকেটের মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার।