এশিয়া কাপ জিতে আসা শ্রীলঙ্কা টস জিতে ফিল্ডিংয়ে নেমে দ্রুতই ৩টি উইকেট নিয়ে চাপে ফেলে দেয় নামিবিয়াকে। সেই চাপ থেকে বেরিয়ে শ্রীলঙ্কাকে ১৬৪ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। গত বছরই প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা নামিবিয়া এই লক্ষ্য শ্রীলঙ্কাকে দিতে পেরেছে মূলত ফ্রাইলিঙ্কের ২৮ বলে ৪৪ রানের ইনিংসে ভর করে।

শুধু ব্যাট হাতেই নয়, ফ্রাইলিঙ্ক জ্বলে উঠেছেন বল হাতেও। শ্রীলঙ্কাকে ১০৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে নামিবিয়াকে ৫৫ রানের জয় এনে দিতে ২৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে ফ্রাইলিঙ্ক বলেছেন, ‘এ মুহূর্তে আমি কিছুটা বাক্‌রুদ্ধ। আমরা এমন কিছু অর্জন করেছি, যেটা পাবো বলে ভাবতেও পারিনি। এ মুহূর্তে আমি দারুণ রোমাঞ্চিত।’

নামিবিয়ার ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে ডেভিড ভিসা যখন আউট হয়ে ফেরেন, তখন দলীয় রান ৯৩। এ অবস্থা থেকে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিতে সপ্তম উইকেটে জেজে স্মিটকে নিয়ে ৩৩ বলে ৬৯ রানের জুটি গড়েন ফ্রাইলিঙ্ক।

ম্যাচ শেষে সতীর্থ স্মিটেরও প্রশংসা করেছেন ফ্রাইলিঙ্ক, ‘উইকেটে এসে দুটি বাউন্ডারি মেরে জেজে আমার চাপটা দূর করে দিয়েছে। এরপর জেজে আর আমি মিলে দলকে লড়াই করার মতো একটা সংগ্রহ এনে দিয়েছি।’

৭ উইকেটে করা ১৬৩ রান রক্ষা করতে বোলিং করতে নেমে ২১ রানের মধ্যে শ্রীলঙ্কার ৩ উইকেট ফেলে দেয় নামিবিয়া। নিজের প্রথম ওভারে বল করতে এসে বেন শিকোঙ্গো পরপর দুই বলে তুলে নেন পাতুম নিশাঙ্কা ও দানুশকা গুনাতিলকাকে। ইতিহাস গড়া জয়ের কৃতিত্বের কিছুটা বোলারদের জন্যও বরাদ্দ রাখলেন ফ্রাইলিঙ্ক, ‘বোলাররা অসাধারণ বোলিং করেছে। উইকেটটা কিছুটা টু-পেসড। এ ছাড়া এটাকে ভালো উইকেটই বলতে হবে।’