এর আগে প্রধান নির্বাচক এড স্মিথ চলে যাওয়ার পর নির্বাচক হিসেবে ছিলেন শুধু জেমস টেইলর। সম্প্রতি তাঁর সঙ্গেও চুক্তি শেষ হয়েছে ইসিবির। স্মিথ ও টেইলর যেসব কাজ করতেন, রাইটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে সবই।

২০০৭ থেকে ২০১৪ সাল মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের হয়ে রাইট খেলেছেন ১০১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। ২০০৭ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচে অভিষেক হয়েছিল তাঁর। প্রথম চারটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই খেলেছেন, ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের প্রথম শিরোপাজয়ী দলের সদস্যও ছিলেন। ২০১২ সালে কলম্বোতে খেলেছিলেন অপরাজিত ৯৯ রানের ইনিংস, যেটি তাঁর ক্যারিয়ার-সর্বোচ্চ।  

ঘরোয়া ক্রিকেটে সাসেক্সের হয়ে সব সংস্করণ মিলিয়ে ৪০০-এর বেশি ম্যাচ খেলেছেন রাইট। টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে এ কাউন্টির হয়ে সর্বোচ্চ ৫০২৬ রান তাঁর। ২০০৬ ও ২০০৭ সালে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছেন। ২০০৮ ও ২০০৯ সালে এক দিনের ক্রিকেটের ট্রফির সঙ্গে ২০০৯ সালে টি-টোয়েন্টি কাপের ট্রফি জিতেছিলেন।

অবসরের ঘোষণায় সাসেক্সকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাইট বলেছেন, ‘১৯টি অসাধারণ মৌসুমের জন্য সাসেক্সে আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ব্যক্তিগত ও দলীয়ভাবে যা অর্জন করেছি, তাতে আমি খুবই গর্বিত। সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছি, আশা করি মাঠে তার প্রতিফলন ছিল। সব সময়ই সাসেক্সের ভক্ত থাকব আমি।’

সাসেক্সের বাইরেও বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগে পরিচিত নাম ছিলেন রাইট। আইপিএল, বিগ ব্যাশ, পিএসএলের সঙ্গে খেলেছিলেন বিপিএলেও।

নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর রাইট বলেছেন, ‘এ দায়িত্ব নেওয়াটা অনেক সম্মানের, যেটি নিয়ে অনেক রোমাঞ্চিত আমি। আগামী বছর অ্যাশেজ ও ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ আছে। ইংল্যান্ডের ছেলেদের ক্রিকেটে দুর্দান্ত এক বছরের পর অবদান রাখতে তর সইছে না আমার।’

অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পর স্বাগতিকদের সঙ্গে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ হেরেছে ইংল্যান্ড। ডিসেম্বরের শুরুতে পাকিস্তানের সঙ্গে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড। এ সিরিজ সামনে রেখে এখন আবুধাবিতে অনুশীলন করছেন বেন স্টোকসরা।