বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের ম্যাচটি ছিল একপ্রকার অঘোষিত ফাইনাল। শিরোপার জন্য ড্র করলেই হতো রংপুরের। অন্যদিকে প্রথমবারের মতো জাতীয় লিগের শিরোপার জন্য সিলেটকে জিততেই হতো। আকবর আলীর দল সেটি হতে দিল না।

তবে ছোট লক্ষ্যটাকে কঠিন করার কম চেষ্টা করেননি সিলেটের বোলাররা। খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে জাতীয় লিগের আরেক ম্যাচে খুলনা বিভাগের বিপক্ষে রাজশাহী বিভাগের ৫৪ রানে অলআউট হওয়া সিলেটকে অনুপ্রাণিত করছিল। আর জাতীয় দলের বোলারদের নিয়ে সাজানো সিলেটের বোলিং আক্রমণ সহজে হাল ছাড়বে না, সেটাও প্রত্যাশিত ছিল।

কিন্তু আজ খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন ও নাসুম আহমেদরা বিশেষ কিছু করতে পারেননি। আরেক পেসার তানজিম হাসান সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেছেন।
এর আগে ইবাদতের ৫ ও রেজাউর রহমানের ৪ উইকেটে প্রথম ইনিংসে রংপুর গুটিয়ে যায় ১৮৮ রানেই।

তবে প্রথম ইনিংসে ১০৭ রানে অলআউট সিলেট দ্বিতীয় ইনিংসেও থামে ১৬৮ রানে। মূলত ব্যাটিং–ব্যর্থতাই সিলেটের হারের কারণ।