তাঁর বিশ্বাস, নিজ দেশ ভারতের সঙ্গে শেষ চারে খেলবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া, ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান ও ২০১০ আসরের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম স্পোর্টস্টারকে ৪৯ বছর বয়সী কিংবদন্তি বলেছেন, ‘আমার শীর্ষ চার দল হচ্ছে ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড।’

২০০৭ সালে উদ্বোধনী আসরেই বাজিমাত করেছিল ভারত। মহেন্দ্র ধোনির নেতৃত্বে অপেক্ষাকৃত তরুণ দলটাই শিরোপা জিতে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল। সেই সাফল্যের সুবাদে আবিষ্কার করা হলো ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)।

অর্থের ঝনঝনানি আর চাকচিক্যে ভরা টুর্নামেন্ট দেড় দশকে ক্রিকেটারদের স্নায়ুর চরম পরীক্ষা নিয়েছে। ভারতও পেয়ে গেছে বেশ কজন টি–টোয়েন্টি বিশেষজ্ঞ। কিন্তু রুপালি ট্রফিটা আর ছুঁয়ে দেখা হয়নি। তবে টেন্ডুলকার চান এবার ১৫ বছরের আক্ষেপ ঘোচাবেন তাঁর উত্তরসূরিরা, ‘চ্যাম্পিয়ন! অবশ্যই চাই ভারত চ্যাম্পিয়ন হোক।’

ধোনি-যুগ শেষে বিরাট কোহলি-অধ্যায়টাও পার করে ফেলেছে ভারত। এখন রোহিত শর্মার জামানা। আইপিএল ইতিহাসের সফলতম অধিনায়ক ১৪০ কোটি ভারতীয়কে আরেকবার গর্বের উপলক্ষ এনে দিতে পারবেন কি না, সময় বলে দেবে।

তবে চোটে ছিটকে পড়া দুই ‘তুরুপের তাস’ জশপ্রীত বুমরাহ ও রবীন্দ্র জাদেজাকে ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে কাজটা যে মোটেও সহজ হবে না, ভালো করেই জানা টেন্ডুলকারের। সে কারণে নিউজিল্যান্ড–দক্ষিণ আফ্রিকার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিচ্ছেন না সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান, ‘নিউজিল্যান্ড ডার্ক হর্স, দক্ষিণ আফ্রিকাও।

কারণ, তারা এই কন্ডিশন সম্পর্কে জানে। তা ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকায় সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের কন্ডিশন একই রকম থাকে। পিচগুলোও গড়পড়তা মনে হচ্ছে। ওরা পেছনের দরজা দিয়ে ঢুকে গুটি গুটি পায়ে সটকে পড়তে পারে (ম্যাচ বের করে আনতে পারে)।’

বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভ পর্ব শুরু হচ্ছে শনিবার। মেলবোর্নে পরদিন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে ভারত। তাদের গ্রুপে রয়েছে বাংলাদেশও।