টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার ২০০ পেরোনো এখন আর কোনো খবর নয়! ২০ ওভারের ক্রিকেটের বিশ্ব আসরে সবচেয়ে বেশিবার ২০০ ছোঁয়ার রেকর্ডটা তো তাদেরই। এবারের আগে পাঁচবার ২০০ ছোঁয়া সেই দক্ষিণ আফ্রিকা আজ সংখ্যাটাকে ছয় বানিয়ে ফেলল। আহমেদাবাদে ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে কানাডার বিপক্ষে ৪ উইকেটে ২১৩ করে প্রোটিয়ারা। এরপর কানাডাকে ১৫৬ রানে আটকে রেখে ৫৭ রানে জিতে বিশ্বকাপ শুরু করল গতবারের রানার্সআপরা।
দক্ষিণ আফ্রিকা আজ শেষ তিন ওভারে তোলে ৪৭ রান। তাতে এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ দলীয় ইনিংসটা পেয়ে যায় এইডেন মার্করামের দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ দিকে ঝড় তোলেন ডেভিড মিলার ও ট্রিস্টান স্টাবস। অবিচ্ছিন্ন পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৬.১ ওভারে দুজন যোগ করেন ৭০ রান। মিলার ২৩ বলে ৩৯ ও স্টাবস ১৯ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটাও ছিল দুর্দান্ত। অধিনায়ক মার্করাম কুইন্টন ডি কককে নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ৬.৫ ওভারে যোগ করেন ৭০ রান। প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে ২২ বলে ২৫ রান করেন ডি কক। তুলনায় মার্করাম ছিলেন অনেক আক্রমণাত্মক। ১০ চার ও ১ ছক্কায় ৩২ বলে সর্বোচ্চ ৫৯ রান করেন প্রোটিয়া অধিনায়ক।
কানাডার বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার অনীশ প্যাটেল নিয়েছেন ৩ উইকেট। তাঁর বোলিংয়েই ১২৫/১ থেকে ১৩৮/৪ হয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর মিলারদের সেই তাণ্ডব।
রান তাড়ায় ৪৫ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে কানাডা। এরপর হর্শ ঠ্যাকারকে নিয়ে ৬৯ রানের জুটি গড়েন নবনীত ঢালিওয়াল। ৪৯ বলে ৬৪ রান করেছেন ঢালিওয়াল। লুঙ্গি এনগিডির চতুর্থ শিকার ঠাকারে করেছে ২৯ বলে ৩৩ রান। এনগিডি ৪ উইকেট নিতে খরচ করেছেন ৩১ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা: ২০ ওভারে ২১৩/৪ (মার্করাম ৫৯, মিলার ৩৯*, স্টাবস ৩৪*, রিকেলটন ৩৩, ডি কক ২৫; প্যাটেল ৩/৩১)।
কানাডা: ২০ ওভারে ১৫৬/৮ (ঢালিওয়াল ৬৪, ঠাকারে ৩৩; এনগিডি ৪/৩১)।
ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৫৭ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: লুঙ্গি এনগিডি।