আইপিএলের শুরুতে না–ও খেলতে পারেন স্টার্ক–হ্যাজলউড
অস্ট্রেলিয়ার দুই পেসার মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউড আইপিএলের শুরুতে নিজেদের দলের হয়ে কয়েকটি ম্যাচে না–ও খেলতে পারেন। ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচি সামনে রেখে এ দুই বোলারের ওপর থেকে চাপ কমাতে চায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।
স্টার্ক এবার আইপিএলের দল দিল্লি ক্যাপিটালসে, হ্যাজলউড রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের কেউ কেউ এবার আইপিএলে আংশিক বা পুরো মৌসুমেই অনুপস্থিত থাকতে পারেন। স্টার্ক ও হ্যাজলউডও যোগ দিলেন সেই ক্রমবর্ধমান তালিকায়।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদে অস্ট্রেলিয়ান পেস তারকা প্যাট কামিন্স আইপিএলের শুরুতে খেলতে পারবেন না বলে এর আগে জানানো হয়। একই ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের অস্ট্রেলিয়ান পেস বোলিং অলরাউন্ডার জ্যাক এডওয়ার্ডস আইপিএলের পুরো আসর থেকেই ছিটকে গেছেন। চেন্নাই সুপার কিংসের আরেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার নাথান এলিস চোটের কারণে পুরো আইপিএল থেকেই ছিটকে পড়তে পারেন।
পিঠে চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়ার গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে মাত্র একটি টেস্ট খেলেন কামিন্স। গত ডিসেম্বরে অ্যাশেজে তৃতীয় টেস্টই ছিল গত বছর জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের পর কামিন্সের একমাত্র আন্তর্জাতিক ম্যাচ।
হ্যামস্ট্রিং ও একিলিসে চোট পাওয়ায় পুরো অ্যাশেজ সিরিজেই দলের বাইরে ছিলেন হ্যাজলউড। গত বছর ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারতের বিপক্ষে সীমিত ওভারের সিরিজ ও নিউজিল্যান্ড সফরে কিছু ম্যাচ খেলেন হ্যাজলউড। তবে গত কয়েক মাসের বেশির ভাগ সময়ই মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি।
স্টার্ক অ্যাশেজে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বোলিংয়ের প্রধান ভরসা। পাঁচটি টেস্ট খেলে ৩১ উইকেট নিয়ে সিরিজ–সেরা হন, যেখানে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ জেতে অস্ট্রেলিয়া। মৌসুমের শেষ দিকে বিগ ব্যাশ লিগেও খেলেন স্টার্ক। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়ায় টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলেননি স্টার্ক। সেই আসরে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেয় অস্ট্রেলিয়া, যেখানে ছিলেন না কামিন্স ও হ্যাজলউড। ২০২৬ সালের আগস্ট থেকে আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২১টি টেস্ট খেলবে অস্ট্রেলিয়া।
আইপিএল শুরু হবে ২৮ মার্চ, চলবে আগামী মে মাসের শেষ পর্যন্ত।