- টস
৩৪ রানে জয়
৩৪ রানে জয় পেল বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ টি–টুয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয়টিতে জিতে সমতাও ফেরাল। দুই ওপেনারের ১২০ রানের জুটির পর হঠাৎ ধসে ১৩ বলে ৫ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে ইয়াসির আলী ও সাইফউদ্দিনের অবিচ্ছিন্ন ১৯ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো জুটিতে ১৮৬ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।
রান তাড়ায় প্রথম ৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে। মাঝে সিকান্দার রাজা ও মিল্টন সামুবার জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। রায়ান বার্লের ১৯ বলে ২৯ ও ইভান্সের ১৪ বলে ২৫ রানও যথেষ্ট হয়নি জয়ের জন্য। ইনিংসের দুই বল বাকি থাকতে ১৫২ রানে অলআউট হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। রিশাদ হোসেন ৪ উইকেট পান। জয়ের ম্যাচে অস্বস্তি, চোট নিয়ে মাঠ ছাড়ার পর আর ফেরেননি নাহিদ রানা।
দুই দলের পরের ম্যাচ আগামী রোববার।
৮ উইকেট নেই জিম্বাবুয়ের
৮ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে জিম্বাবুয়ে। তাদের হারটা এখন একরকম সময়ের ব্যাপারই মনে হচ্ছে। ৬ ওভারে এখনও তাদের করতে হবে ৭৮ রান। ব্যাট হাতে ভরসা জোগানো রায়ান বার্ল আউট হয়ে গেছেন ঠিক আগের ওভারেই।
৩ ওভারে ৩ উইকেট
৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে জিম্বাবুয়ে। মেহেদী হাসান প্রথম ওভারে মারুমানিকে ফিরিয়ে শুরুটা করেছিলেন, পরের ওভারে ব্রায়ান বেনেটকে বোল্ড করেন নাহিদ রানা। তৃতীয় ওভারে মাইয়ার্সও বোল্ড হয়েছেন মেহেদীর বলে।
বাংলাদেশ: ৩.৪ ওভারে ২৯/৩
সাইফউদ্দিনের রেকর্ডে বাংলাদেশের ১৮৬
দুই ওপেনার শুরুটা নড়বড়েই করেছিলেন। কিন্তু একের পর এক জীবন পেয়ে তাদের জুটিতেই একশ পেরিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। এক সাইফ হাসানই পাঁচবার জীবন পান। কিন্তু হুট করেই ছন্দপতন ঘটে। সিকান্দার রাজার বলে বোল্ড হওয়ার পর ১৩ বলের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। সেখান থেকে আবার শেষটা ভালো করেছেন সাইফউদ্দিন ও ইয়াসির আলী। ১২ বলে ইয়াসির করেছেন ২২ রান। আর সাইফউদ্দিন তো রেকর্ডই গড়ে ফেলেছেন— বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে চার বলে চার ছক্কা মেরেছেন ব্রাড ইভান্সের শেষ ওভারে। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ছক্কা হজমের রেকর্ডও তাঁর।
পুরো ২০ ওভার খেলে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রান করেছে বাংলাদেশ।
১৩ বল
রাজার বলে বোল্ড হয়েছিলেন সাইফ। সেই শুরু! এরপর অবিশ্বাস্য একটা ধসই নামল যেন। ১৪ বলে বাংলাদেশ হারিয়েছে ৫ উইকেট। এই সময়ে রান এসেছে কেবল ১৯।
বাংলাদেশ: ১৭ ওভারে ১৪২/৫
তানজিদও আউট
এবার আউট হয়ে গেলেন তানজিদ হাসানও। সাইফের মতো তিনিও বোল্ড হয়েছেন। রিচার্ড এনগারাভার বল তাঁর ব্যাট হয়ে গেছে স্টাম্পে। ৪৪ বলে ৫৮ রান করে আউট হয়েছেন তানজিদ। বলতে বলতে আউট হয়ে গেছেন তাওহিদ হৃদয়ও। তাঁর ক্যাচটা ঠিকঠাক নিয়েছেন ক্লাইভ মাধানদে।
বাংলাদেশ: ১৫.৫ ওভারে ১২৮/৩
সাইফ আউট
একের পর এক ক্যাচ ছেড়েছেন ফিল্ডাররা। কোনোভাবেই উইকেটের দেখা পাচ্ছিল না জিম্বাবুয়ে। অবশেষে অধিনায়ক সিকান্দার রাজাই এনে দিলেন উইকেট। তাঁর বলে বোল্ড হয়ে গেছেন সাইফ। এর আগেই অবশ্য ফিফটি পেয়েছেন।
বাংলাদেশের এক শ
১২.১ ওভারে এক শ ছুয়েছে বাংলাদেশের রান। ফিফটি পেয়ে গেছেন তানজিদ হাসানও। এ নিয়ে সপ্তমবার একশ পেরোল বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। তানজিদের সঙ্গী সাইফও আছেন ফিফটির পথে।
১০ ওভার
পাওয়ার প্লের পর বাংলাদেশের রান তোলার গতি বেড়েছে। ১০ ওভারে তাদের রান এখন ৮৪। দুই ওপেনার এখন দুর্দান্ত ব্যাট করছেন। বাউন্ডারিও আসছে নিয়মিত।
ভালো শুরু...
৪ ওভারে ২৮ রান তুলেছে বাংলাদেশ। রানের গতি তেমন ভালো নয়। তবে উইকেট যায়নি, তাই বা কম কী! সাইফ হাসান অবশ্য এর মধ্যে একবার ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু বেঁচে গেছেন।
টস
টস জিতেছেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। আগে বোলিং বেছে নিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের একাদশে একটি পরিবর্তন এসেছে— নাসুম আহমেদের জায়গায় ঢুকেছেন রিশাদ হোসেন।
বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন, তাওহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), নুরুল হাসান (উইকেটরক্ষক), ইয়াসির আলী, মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, সাইফউদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা।
দ্বিতীয় টি–টুয়েন্টি
একমাত্র টেস্ট, ওয়ানডে সিরিজের পর প্রথম টি–টুয়েন্টিতেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হেরেছে বাংলাদেশ। আজ তাদের জন্য সিরিজ বাঁচানোর লড়াই। জিম্বাবুয়ের সামনে হাতছানি প্রথমবার বাংলাদেশকে পরপর টেস্ট, ওয়ানডে ও টি–টুয়েন্টিতে সিরিজ হারানোর।