সরে দাঁড়ালেন তিন প্রার্থী, আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন বিসিবির নির্বাচন

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বিসিবির কার্যালয়বিসিবি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন হয়ে পড়েছে। এবার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিন প্রার্থী। তাতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত পরিচালকের সংখ্যা দাঁড়াল ৮ জনে। আগামী ৭ জুন পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে শুধু ক্যাটাগরি-১–এর খুলনা ও বরিশাল বিভাগ এবং ঢাকার ক্লাবগুলোকে নিয়ে গঠিত ক্যাটাগরি-২–এ।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয় থেকে গতকাল চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গতকাল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে ভোটে দাঁড়ানো ফেনী জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর শরীফুল ইসলাম, লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের লুৎফর রহমান এবং ওল্ড ঢাকা ক্রিকেটার্সের মো. মাহমুদ-উর-রহমান। প্রথমজন ক্যাটাগরি-১ এবং পরের দুজন ক্যাটাগরি-২ থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন।

বিসিবি কার্যালয়
প্রথম আলো

চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে দুজন পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার কথা। শরীফুল ইসলাম সরে দাঁড়ানোয় অপর দুই প্রার্থী জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদীন ও মঈন উদ্দিন চৌধুরীর এই বিভাগ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হওয়া নিশ্চিত। মিনহাজুল চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং মঈন উদ্দিন লক্ষীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন।

ক্যাটাগরি-১ থেকে আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন সিলেট বিভাগের আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, ঢাকা বিভাগের সাইদ বিন জামান ও এস এম আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ, রাজশাহী বিভাগের মীর শাকরুল আলম সীমান্ত এবং রংপুর বিভাগের মির্জা ফয়সল আমীন। ঢাকা বিভাগ থেকে প্রার্থী হওয়া গোপালগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন খসরুর মনোনয়নপত্র আগেই বাতিল হয়েছে। প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করলেও বৈধতা পায়নি তাঁর মনোনয়নপত্র।

আরও পড়ুন

ক্যাটাগরি-১ থেকে পরিচালক হবেন মোট ১০ জন। তাঁদের মধ্যে সাতজনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন। বাকি তিনটি পরিচালক পদে দুজন আসবেন খুলনা বিভাগ থেকে এবং একজন বরিশাল বিভাগ থেকে। খুলনা থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার শফিকুল আলম, যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার শান্তনু ইসলাম এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার মো. আবদুছ ছালাম। বরিশালের একটি পরিচালক পদের বিপরীতে প্রার্থী দুজন হলেন বরিশাল বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার মো. মিজানুর রহমান এবং ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার মো. মুনতাসির আলম চৌধুরী।

ঢাকার ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে ক্যাটাগরি-২–এ ১২টি পরিচালক পদের জন্য প্রার্থী ছিলেন ১৮ জন। লুৎফর রহমান ও মাহমুদ-উর-রহমান প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় প্রতিদ্বন্দ্বীর সংখ্যাটা এখন ১৬, অর্থাৎ প্রতিদ্বন্দ্বিতা কমে গেছে এখানেও। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়, সাবেক ক্রিকেটার ও বিভিন্ন সংস্থা মিলিয়ে ক্যাটাগরি-৩ থেকে আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলর ও বিসিবির সাবেক পরিচালক সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ২৫ জনের। এর মধ্যে ২৩ জন আসেন নির্বাচিত হয়ে এবং বাকি দুজন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মনোনীত হয়ে। ২৫ পরিচালকের ভোটে এরপর হয় সভাপতি নির্বাচন।