কিন্তু অধিনায়ককে খুব বেশি সময় পাশে পাননি ফিলিপস। কাসুন রাজিতার করা ইনিংসের চতুর্থ ওভারের শেষ বলে কুশল মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন উইলিয়ামসন, নিউজিল্যান্ডের রান তখন ১৫। এরপর ফিলিপস জুটি বাধেন ড্যারিল মিচেলের সঙ্গে। চতুর্থ উইকেটে দুজনে মিলে ৬৪ বলে গড়েন ৮৪ রানের জুটি। এর মধ্যে ৫৯ রানই ফিলিপসের, এই রান তিনি করেছেন ৪০ বলে।

মিচেলের আউটের পর জিমি নিশামের সঙ্গে ১৬ বলে ৩০ ও মিচেল স্যান্টনারের সঙ্গে ১৭ বলে ৩৩ রানের দুটি জুটি গড়েন ফিলিপস। তাঁর ইনিংসটি থামে শেষ ওভারে। এর আগে মেরেছেন ১০টি চার ও একটি ছক্কা। ফিলিপস বাকিদের চেয়ে কত বেশি ঝড় তুলেছেন, সেটা স্পষ্ট হয় নিউজিল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে তাকালেই। ফিলিপসের ১০টি চারের বাইরে নিউজিল্যান্ডের বাকি ব্যাটসম্যানরা মিলে মারতে পেরেছেন মাত্র ২টি চার। তাঁর চারটি ছাড়া নিউজিল্যান্ডের ইনিংসে ছক্কা মাত্র একটি।

ফিলিপসের ঝড় সামলে রান তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কানরা পড়েছে ট্রেন্ট বোল্টের তোপের মুখে। বোল্টের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শুরুর দিকেই এলোমেলো হয়ে যায় লঙ্কান-ইনিংস। স্কোরবোর্ডে কোনো রান জমা হওয়ার আগেই টিম সাউদির বলে পাতুম নিশাঙ্কাকে হারায় শ্রীলঙ্কা। এরপর উইকেট পড়ে ৪, ৫, ৮ ও ২৪ রানে। এই চারটি উইকেটের তিনটিই নিয়েছেন বোল্ট। পরে আরও একটি উইকেট নিয়ে ম্যাচে তাঁর বোলিং ফিগারটা এ রকম-৪ ওভার, ১৩ রান, ৪ উইকেট।

বোল্টের এমন তাণ্ডবের পরও শ্রীলঙ্কা যে ১০০ রান পেরোতে পারল, তা ভানুকা রাজাপক্ষের ২২ বলে ৩৪ আর অধিনায়ক দাসুন শানাকার ৩২ বলে ৩৫ রানে ভর করেই। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন স্যান্টনার ও সাউদি।