শোয়েব-ওমরজাইয়ের সে ঝড় শিগগির থামাতে পারেনি চট্টগ্রাম। ১৮তম ওভারে অবশেষে মেহেদী হাসান রানার বলে ক্যাচ তোলেন ওমরজাই, ফেরেন ২৪ বলে ৪২ রান করে। শোয়েবের সঙ্গে ৫৩ বলের জুটিতে ওঠে ১০৫ রান। ওমরজাই তাঁর ইনিংসে মারেন ১টি চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কা। শোয়েব শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৪৫ বলে ৭৫ রানে, মারেন ৫টি করে চার ও ছক্কা। শেষ ৩ ওভারে রংপুর অবশ্য ২৭ রানের বেশি তুলতে পারেনি। ৬ উইকেট পড়লেও ব্যাটিংয়ে নামেননি নুরুল।

রান তাড়ায় চট্টগ্রাম প্রথম ৩ ওভারেই হারায় ৩ উইকেট। বাঁহাতি স্পিনার রকিবুল হাসানের বেরিয়ে যাওয়া বলে ব্যাট চালিয়ে কট বিহাইন্ড হন উসমান খান, ওমরজাইয়ের বলে ক্যাচ তোলেন তৌফিক খান। রকিবুলের পরের ওভারে স্টাম্পিং হন খাজা নাফি, উইকেটের পেছনে দারুণ কাজ করেন এ ম্যাচ দিয়েই একাদশে ফেরা নুরুল হাসান।

দারউইশ রাসুলিকে নিয়ে শুভাগত হোমের জুটি অবশ্য দারুণভাবে লড়াইয়ে ফেরায় চট্টগ্রামকে। দশম ওভারে এসে ৪০ বলে ৬৬ রানের সে জুটি ভাঙেন হারিস রউফ, তাঁর গতিতে পরাস্ত হয়ে ক্যাচ তোলেন ১৭ বলে ২১ রান করা রাসুলি। জিয়াউর রহমান নেমে খেলেন ১১ বলে ২৪ রানের ক্যামিও, ওমরজাইয়ের পরপর দুই বলে মারেন দুই ছক্কা। হাসান মাহমুদের বলে ক্যাচ দিয়ে থামতে হয় তাঁকে।

শুভাগত অবশ্য ছিলেন আরও কিছুক্ষণ, ২৮ বলে ফিফটিও পেয়ে যান। রংপুরকে আবারও গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দেন হারিস রউফ, ৩১ বলে ৫২ রান করে তাঁর বলে ক্যাচ দেন শুভাগতও। চট্টগ্রাম অধিনায়ক মারেন ৪টি করে চার ও ছক্কা।

শুভাগত ফেরার পর কাজটা কঠিন হয়ে পড়ে চট্টগ্রামের। তার ওপর ব্যাটিংয়ে আসেননি আফিফ। টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকেই জ্বর ছিল আফিফের। এরপরও ফিল্ডিংয়ে নেমেছিলেন, ২ ওভার বোলিং-ও করেন। তবে এরপরই জ্বর বেড়ে যাওয়ায় টিম হোটেলে ফিরে যান ব্যাটিং না করেই। আফিফকে ছাড়া চট্টগ্রামও বেশি দূর এগোতে পারেনি আর।