default-image

ভারতের হয়ে অলিম্পিকে প্রথম ব্যক্তিগত সোনাজয়ী শুটার অভিনব বিন্দ্রার পডকাস্ট অনুষ্ঠান ‘ইন দ্য জোন’–এ ক্যারিয়ারের সেই দিনগুলোর কথা বলেছেন ভারতের বর্তমান প্রধান কোচ, ‘আমার ক্যারিয়ারের দিকে যদি তাকান, সেটিকে দীর্ঘায়িত করতে বা ভালো পারফরম্যান্সের জন্য মানসিক শক্তির সঞ্চয় আমাকে বিশেষভাবে সহায়তা করেছে। আমি খেলা নিয়ে ভেবে অনেক বেশি মানসিক শক্তি নষ্ট করতাম। খেলার বাইরেও সারাক্ষণ খেলাটা নিয়ে ভাবতাম। একটা সময় আমি বুঝতে পারলাম, আমি ঠিক করছি না। সারাক্ষণ খেলা নিয়ে ভাবার কোনোই প্রয়োজন নেই। খেলার উন্নতিতেও এটা কোনো কাজে আসবে না। বুঝতে পারি, ক্রিকেটের বাইরেও একটা জীবন আছে, সেটিকে উপভোগ করা প্রয়োজন।’

default-image

ভারতীয় ক্রিকেট দলে নিজের সময় কখনোই টেন্ডুলকার, সৌরভ কিংবা শেবাগের মতো ‘মুক্তমনে’ খেলতে পারেননি। দ্রাবিড় অবশ্য চাপের মুখে খেলার অভ্যাস করে ফেলেছিলেন, ‘আমি কখনোই বীরেন্দর শেবাগের মতো হতে পারতাম না। সে খুব সহজেই সুইচ অন-অফ করতে পারত। আমি সেটি করতে পারতাম না। আমি বুঝতে পারছিলাম, খেলার পর খেলার বাইরে বেরিয়ে আসতে হবে। আমার ক্যারিয়ার যত এগিয়েছে, আমি বুঝেছি, আমি কখনোই টেন্ডুলকার বা শেবাগের মতো করে রান করতে পারব না। সে জন্য আমার ধৈর্য প্রয়োজন। আমি সব সময়ই বোলারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতাম। এটিই বেশি করে আমার মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করেছে।’

নিজের মতো করে উপায় খুঁজে বের করে টেস্ট ক্যারিয়ারে ১৩ হাজারের বেশি রান করেছেন দ্রাবিড়। ১৯৯৬ সালে টেস্ট অভিষেকেই লর্ডসে ৯৫ রানে ফিরেছিলেন। সেই একই ইনিংসে সৌরভ গাঙ্গুলী অভিষেকে করেছিলেন দুর্দান্ত এক শতক। তবে অভিষেক দিনের দুর্ভাগ্য সামলে ক্যারিয়ারে ৩৬টি টেস্ট শতক করেছেন দ্রাবিড়, খেলেছেন ১৬৪টি টেস্ট। ৩৪৪ ওয়ানডে ম্যাচে ১০ হাজারের বেশি রান করেছেন ১২টি শতক দিয়ে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন