- ভারত ১১১ রানে অলআউট, দক্ষিণ আফ্রিকা ৭৬ রানে জয়ী
- মহারাজের ওভারে ৩ উইকেট
- রান রেটের চাপ বাড়ছে ভারতের
- সূর্যকুমারও আউট
- পঞ্চাশের আগেই ৪ উইকেট নেই ভারতের
- পাওয়ার প্লেতে ভারতের স্কোর ৩১/৩
- অভিষেকেরও বিদায়, আরও বিপদে ভারত
- অভিষেক–সূর্যতে ভারতের প্রতিরোধ
- অবশেষে অভিষেকের ব্যাটে রান, ৫ রানেই ভারতের ২ উইকেট নেই
- ১৮৮ রানের লক্ষ্য দিল দক্ষিণ আফ্রিকা
- বুমরার দারুণ ফিনিশিং
- অবশেষে আউট মিলার
- মিলারের ফিফটি
- ব্রেভিসের আউটে ভাঙল ৯৭ রানের জুটি
- ছক্কার রেকর্ড
- অর্ধেক ইনিংসের দক্ষিণ আফ্রিকার ৮৪
- দক্ষিণ আফ্রিকার পঞ্চাশ
- পাওয়ার প্লের শেষ দুই ওভারে ২১
- বুমরার দ্বিতীয় শিকার
- এবার মার্করামও
- বুমরার বলে ডি ককের বিদায়
- কোন দলে কারা খেলছেন
- টসে জিতে ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা
ভারত ১১১ রানে অলআউট, দক্ষিণ আফ্রিকা ৭৬ রানে জয়ী
৮৮ রানে ৮ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর হারের ব্যবধান কমাতে ব্যাট চালিয়েছিলেন শিবম দুবে। কিছুটা সফলও হয়েছেন। তবে বেশি দূর দলকে এগিয়ে নিতে পারেননি। উনিশতম ওভারের চতুর্থ বলে তিনি আউট হওয়ার পর পঞ্চম বলে শেষ উইকেটটিও হারিয়েছে ভারত। টানা দুই বলে উইকেট নিয়ে ভারতের ইনিংসের সমাপ্তি টেনেছেন মার্কো ইয়ানসেন।
মহারাজের ওভারে ৩ উইকেট
ভারত: ১৫ ওভারে ৮৮/৮। লক্ষ্য: ১৮৮।
১৪ ওভার শেষে পানি পানের বিরতি ছিল। বিরতির পরের ওভারে ৬ বলে ৩ উইকেট হারিয়েছে ভারত। কেশব মহারাজের ওভারটিতে প্রথম বলে পান্ডিয়া, তৃতীয় বলে ক্যাচ রিংকু আর ষষ্ঠ বলে অর্শদীপ ক্যাচ তুলে আউট হয়েছেন। তিনটি ক্যাচই নিয়েছেন ট্রিস্টান স্টাবস। এর মধ্যে পান্ডিয়া ও অর্শদীপের ক্যাচ নিয়েছেন বাউন্ডারি সীমানার বাইরে লাফিয়ে বল ভেতরে বল তারপর।
রান রেটের চাপ বাড়ছে ভারতের
ভারত: ১৪ ওভারে ৮৬/৫। লক্ষ্য: ১৮৮।
৫১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর জুটি গড়ায় মনোযোগ দিয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া ও শিবম দুবে। তবে রান রেট কমে গেছে তাতে।
শেষ ৬ ওভারে জয়ের জন্য আরও ১০২ রান দরকার ভারতের। পান্ডিয়া ১৬ বলে ১৮, দুবে ১৭ বলে ১৮ রানে অপরাজিত। স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এখনও ব্যাটিংয়ের অপেক্ষায় রিংকু সিং।
সূর্যকুমারও আউট
ভারত: ১০ ওভারে ৫৭/৫। লক্ষ্য: ১৮৮।
এক প্রান্তে উইকেট পড়লেও অন্য প্রান্তে ভারতীয়দের ভরসা হয়ে টিকেছিলেন সূর্যকুমার যাদব। আজকের আগে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে চার বার খেলে তিনবার ত্রিশোর্ধ্ব ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
তবে এ যাত্রায় পারলেন না। দশম ওভারে বশের প্রথম বলে ব্রেভিসের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ভারত অধিনায়ক। ৫১ রানেই ইনিংসের অর্ধেক উইকেট হারিয়েছে ভারত।
নতুন ব্যাটসম্যান হার্দিক পান্ডিয়া।
পঞ্চাশের আগেই ৪ উইকেট নেই ভারতের
ভারত: ৮ ওভারে ৪৭/৪। লক্ষ্য: ১৮৮।
অষ্টম ওভারে ওয়াশিংটন সুন্দরের উইকেট হারিয়েছে ভারত। করবিন বশের বলে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। ৪ বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি সুন্দর।
নতুন ব্যাটসম্যান শিবম দুবে। আছেন অধিনায়ক সূর্যকুমারও।
পাওয়ার প্লেতে ভারতের স্কোর ৩১/৩
প্রথম ৬ ওভারে মাত্র ৩১ রান তুলতে পেরেছে ভারত। সূর্যকুমার যাদব ১১ ও ওয়াশিংটন সুন্দর ৩ রানে ব্যাট করছেন।
অভিষেকেরও বিদায়, আরও বিপদে ভারত
ভারত: ৫ ওভারে ২৯/৩
তিন ইনিংস পর রানের দেখা পেলেও বেশিদূর এগোতে পারলেন না অভিষেক শর্মা। ১২ বলে ১৫ রান করে আউট হয়ে গেছেন। মার্কো ইয়ানসেনের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে করবিন বশের ক্যাচ হয়েছেন। দৌড়ে ক্যাচ নিতে গিয়ে কেশব মহারাজের সঙ্গে সংঘর্ষ হলেও ক্যাচটি ছাড়েননি বশ। ২৬ রানে ৩ উইকেট হারাল ভারত।
অভিষেক–সূর্যতে ভারতের প্রতিরোধ
ভারত আর উইকেট হারায়নি। সূর্যকুমার যাদব ও অভিষেক শর্মা ৪ ওভার পর্যন্ত টিকে ছিলেন। ভারত করেছিল ২৬ রান।
অবশেষে অভিষেকের ব্যাটে রান, ৫ রানেই ভারতের ২ উইকেট নেই
যতটা সম্ভব বাজে শুরু হলো ভারতের। চতুর্থ বলে শূন্য রানে আউট হয়েছে ঈশান কিষান। দুই বল পর এবারের বিশ্বকাপে নিজের প্রথম রানটি নিলেন অভিষেক শর্মা। মার্করামের করা ওভারের শেষ বলে পয়েন্ট দিয়ে চার মেরে রানখরা কাটিয়েছেন ভারতীয় ওপেনার।
মার্কো ইয়ানসেনের করা পরের ওভারের প্রথম বলেই আউট হয়েছেন তিলক বর্মা। বল তাঁর ব্যাট ছুঁয়ে আশ্রয় নেয় কুইন্টন ডি ককের গ্লাভসে। ৫ রানে ২ উইকেট নেই ভারতের।
১৮৮ রানের লক্ষ্য দিল দক্ষিণ আফ্রিকা
দক্ষিণ আফ্রিকা: ২০ ওভারে ১৮৭/৭।
ইনিংসের শেষ ওভারে হার্দিক পান্ডিয়ার বলে ২০ রান নিয়েছেন ট্রিস্টান স্টাবস। দুটি ছক্কা, একটি চার ও দুটি ডাবলসে এসেছে এই রান। এর মধ্যে ছক্কা দুটি হয়েছে ওভারের শেষ দুই বলে। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে এটিই সবচেয়ে বেশি রানের ওভার।
স্টাবসের ২৪ বলে ৪৪ রানের অপরাজিত ইনিংস দক্ষিণ আফ্রিকাকে পৌঁছে দিয়েছে ৭ উইকেটে ১৮৭ রানের পুঁজিতে। তাঁর আগে প্রোটিয়াদের রান দেড় শ পার করাতে মূল ভূমিকা রাখেন ডেভিড মিলার ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস।
৪ ওভারে ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা যখন ধুঁকছে, তখন এ দুজনই দলের হাল ধরেন। তাদের চতুর্থ উইকেটজুটিতে যোগ হয়েছে ৯৭ রান। ব্রেভিস ২৯ বলে ৪৫ রান করে আউট হলেও মিলার পঞ্চাশ পেরিয়েছেন। যদিও ২৬ বলে ফিফটি পূর্ণ করার পর ইনিংসটা বড় করতে পারেননি, আউট হয়েছেন ৩৫ বলে ৬৩ রান করে।
দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের শুরু আর শেষের দিকে উইকেট নিয়ে আর রানের গতি থামিয়ে ভারতের হয়ে সেরা বোলিং করেছেন বুমরা। পাওয়ারপ্লের দুই ওভারে ৭ রানে ২ উইকেট আর ডেথ ওভারের দুই ওভারে ৮ রানে ১ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা: ২০ ওভারে ১৮৭/৭ (মিলার ৬৩, ব্রেভিস ৪৫, স্টাবস ৪৪*; বুমরা ৩/১৫, অর্শদীপ ২/২৮)।
বুমরার দারুণ ফিনিশিং
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৯ ওভারে ১৬৭/৭।
নিজের চতুর্থ ওভারে মাত্র ৩ রান দিয়েছেন বুমরা, নিয়েছেন করবিন বশের উইকেটও। এর আগে ইনিংসের ১৭তম ওভারে দিয়েছেন ৫ রান।
সব মিলিয়ে চার ওভারে মাত্র ১৫ রান ৩ উইকেট নিয়েছেন বুমরা।
অবশেষে আউট মিলার
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৫.৪ ওভারে ১৫২/৫।
অবশেষে মিলার–ঝড় থেকে নিষ্কৃতি মিলল ভারতের। ১৬তম ওভারে বরুণ চক্রবর্তীর চতুর্থ বলে লং অফে তিলকের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ২৬ বলে ফিফটি করা এই ব্যাটসম্যান। আউট হয়েছেন ৩৫ বলে ৬৩ রান করে।
এটি ছিল এবারের বিশ্বকাপে মিলারের চতুর্থ ইনিংস। আগের তিন ইনিংসেই তিনি অপরাজিত ছিলেন (৩৯*, ২০* ও ২৪* রানে)। আউট হলেন আজই প্রথম।
মিলারের ফিফটি
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৩ ওভারে ১২৮/৪।
ব্রেভিস আউট হওয়ার ওভারেই দুবেকে চার মেরে ফিফটি পূর্ণ করেছেন মিলার। ২৬ বলে করা ফিফটিটি তাঁর আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টির নবম। ফিফটির পথে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা মেরেছেন তিনি।
ব্রেভিসের আউটে ভাঙল ৯৭ রানের জুটি
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১২.২ ওভারে ১১৭/৪।
ওভারের প্রথম বলে ছক্কা মেরেছেন লং অফ দিয়ে। চেষ্টা করলেন দ্বিতীয় বলেও। তবে টাইমিং ঠিকঠাক না হওয়ায় বল উঠল ওপরের দিকে, মিডউইকেট বাউন্ডারির অনেকটা ভেতর থেকে ক্যাচ নিলেন অভিষেক শর্মা। দুবের বলে ব্রেভিস ফিরলেন ২৯ বলে ৪৫ রান করে। সেই সঙ্গে মিলারের সঙ্গে তাঁর ৯৭ রানের জুটিও ভেঙেছে।
ছক্কার রেকর্ড
দশম ওভারের শেষ বলে হার্দিক পান্ডিয়ার বলে মারা ডেভিড মিলারের ছক্কাটি এবারের আসরের ৫১৮তম। টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ এটি। এর আগে ২০২৪ সালে হয়েছিল ৫১৭টি ছক্কা।
অর্ধেক ইনিংসের দক্ষিণ আফ্রিকার ৮৪
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১০ ওভারে ৮৪/৩।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে পঞ্চাশ পেরিয়ে গেছেন মিলার–ব্রেভিস। ইনিংসের অর্ধেক ওভার শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা করেছে ৩ উইকেটে ৮৪।
মিলার ২২ বলে ৪০ আর ব্রেভিস ১৮ বলে ২৪ রানে অপরাজিত।
দক্ষিণ আফ্রিকার পঞ্চাশ
দক্ষিণ আফ্রিকা: ৭ ওভারে ৫২/৩।
মিলারের দেখাদেখি হাত খুলতে শুরু করেছেন ব্রেভিসও। সপ্তম ওভারের প্রথম বলে ওয়াশিংটন সুন্দরকে চার মেরেছেন তিনি। একই ওভারের শেষ বলে চার মেরেছেন মিলার। দক্ষিণ আফ্রিকার রান পৌঁছে গেছে পঞ্চাশে। মিলারের রান ১২ বলে ২৩, ব্রেভিসের ৯ বলে ১০।
পাওয়ার প্লের শেষ দুই ওভারে ২১
দক্ষিণ আফ্রিকা: ৬ ওভারে ৪১/৩।
প্রথম চার ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ফেলা দক্ষিণ আফ্রিকা পাওয়ারপ্লের শেষ দিকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। পঞ্চম ও ষষ্ঠ ওভার মিলিয়ে উঠেছে ২১ রান। এর মধ্যে ১৮ রানই নিয়েছেন ডেভিড মিলার। দুটি করে চার মেরেছেন বরুণ চক্রবর্তী ও অর্শদীপের বলে।
১০ বলে ১৮ রান করা মিলারের সঙ্গে আছেন ব্রেভিস (৫ বলে ৪ রান)।
বুমরার দ্বিতীয় শিকার
দক্ষিণ আফ্রিকা: ৪ ওভারে ২০/৩।
আরও বেকায়দায় দক্ষিণ আফ্রিকা। চতুর্থ ওভারের শেষ মিড অফে দুবের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন রায়ান রিকেলটন (৭ বলে ৭ রান)। এটি বুমরার দ্বিতীয় উইকেট, দুবের দ্বিতীয় ক্যাচ।
এবার মার্করামও
দক্ষিণ আফ্রিকা: ২.৪ ওভারে ১২/২।
ডি ককের পর বিদায় নিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক ওপেনার মার্করামও। অর্শদীপ সিংয়ের বলে মিড অফে দুবের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। ১২ রানে দুই উইকেট নেই দক্ষিণ আফ্রিকার।
উইকেটে আছেন রিকেলটন ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস।
বুমরার বলে ডি ককের বিদায়
দক্ষিণ আফ্রিকা: ২ ওভারে ১০/১।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হয়েছেন কুইন্টন ডি কক।
বাঁহাতি এ ওপেনার আউট হওয়ার আগের বলেই একটি চার মেরেছিলেন। ফিরেছেন ৭ বলে ৬ রান করে। নতুন ব্যাটসম্যান রায়ান রিকেলটন। সঙ্গে আছেন অধিনায়ক মার্করাম।
কোন দলে কারা খেলছেন
দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: এইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), কুইন্টন ডি কক, রায়ান রিকেলটন, ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, ডেভিড মিলার, ট্রিস্টান স্টাবস, মার্কো ইয়ানসেন, করবিন বশ, কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাদা ও লুঙ্গি এনগিডি।
ভারত একাদশ: অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষান, তিলক বর্মা, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), হার্দিক পান্ডিয়া, শিবম দুবে, রিংকু সিং, ওয়াশিংটন সুন্দর, অর্শদীপ সিং, যশপ্রীত বুমরা ও বরুণ চক্রবর্তী।
টসে জিতে ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা
কয়েন ছুঁড়েছেন ভারত অধিনায়ক, জিতেছেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক। টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার জানিয়েছেন, টসে জিতলে তিনিও ব্যাটিংই নিতেন।