ক্রিকেটারদের ফিটনেস টেস্ট, কীভাবে কী হলো
প্রতিবছর জাতীয় স্টেডিয়ামের অ্যাথলেটিক টার্ফে দেখা যায় দৃশ্যটা। একসঙ্গে দৌড়ান কয়েক শ ক্রিকেটার। তাদের জন্য সেটা শুধু দৌড় নয়, পরীক্ষা। এবারের ঘরোয়া মৌসুমের জন্য গতকাল ও আজ ফিটনেসের সেই পরীক্ষা দিয়েছেন ক্রিকেটাররা।
আগামী ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হবে জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল)। সেখানে খেলার ছাড়পত্র পেতে হলে পাস করতে হবে ফিটনেসের এই পরীক্ষায়। দুই দিনে চারটি করে এনসিএলের ৮ দলের ক্রিকেটাররা ফিটনেস টেস্ট দিয়েছেন জাতীয় স্টেডিয়ামের অ্যাথলেটিক টার্ফে।
এবার এনসিএলে মূল দলের পাশাপাশি খেলবে সেকেন্ড ইলেভেন। সব মিলিয়ে প্রতিটি দলের ৪০ জন করে ক্রিকেটার ফিটনেস পরীক্ষা দেন। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা এই পরীক্ষার বাইরে ছিলেন।
এবার ক্রিকেটারদের জন্য মানদণ্ড ছিল ৪ চক্করে ১৬ শ মিটার দৌড়ানো। গত বছর একই দূরত্ব ৬ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে দৌড়ানোর মানদণ্ড ছিল। তবে এবার পেসার এবং ব্যাটসম্যান ও স্পিনারদের জন্য আলাদা মানদণ্ড ঠিক করে বিসিবি।
১৬০০ মিটার দূরত্ব পেসারদের ৭ মিনিটে দৌড়ানোর মানদণ্ড ঠিক করে দেওয়া হয়। ব্যাটসম্যান এবং স্পিনারদের জন্য তা ছিল ৭ মিনিট ২০ সেকেন্ড। ৮–১০ জন ক্রিকেটার ছাড়া বাকিরা সবাই পরীক্ষায় উতরে গেছেন।
ফেল করা ক্রিকেটাররা আরও দুই দফায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। ১০ দিন পর প্রথম ও ২০ দিন পর দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা হবে। দুটির যেকোনো একটিতে টিকলেই তারা এবারের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারবেন।
কিছুদিন আগে ঘরোয়া ক্রিকেটের সব সংস্করণে ম্যাচ ফি বাড়ানোর ঘোষণা দেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, ফিটনেসে কোনো ছাড় দিতে চান না। এবার তাই ফিটনেস পরীক্ষায় পাস করতে না পারলে ঘরোয়া কোনো টুর্নামেন্টেই খেলতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আগামী বছর থেকে ফিটনেসের মানদণ্ড আরও কড়াকড়ি করার কথা ভাবছে বিসিবি। সবার জন্যই মানদণ্ড ১৫ সেকেন্ড করে কমিয়ে আনার ভাবনা আছে বিসিবির। এভাবে দুই বছর ১৫ সেকেন্ড করে ৩০ সেকেন্ড কমাতে চায় তারা।