default-image

‘ম্যাচআপ’ মিলে গেলে খুনে মেজাজের ব্যাটিংয়ের স্বাধীনতা নাকি ব্যাটিং কোচ ল্যান্স ক্লুজনারের কাছ থেকেই পেয়েছেন বার্ল। আউট হলে আউট, নিজের পছন্দের বোলারের ১ ওভারে যতটা রান করা যায়, সে চেষ্টা থাকতে হবে। তাঁর ব্যাখ্যা, ‘দ্বিতীয় ম্যাচে আমি ৩১ বলে ৩২ রান করেছি। কোনো ঝুঁকি নিইনি। আমার দলও জেতেনি। আজও একই অবস্থায় ছিলাম। কিন্তু আগের দিন আমি যা করিনি, সেটা আজ (পরশু) করেছি। জুলুকে (ক্লুজনার) জিজ্ঞেস করেছিলাম, আমার কী করা উচিত যদি “ম্যাচআপ” মিলে যায়। সে বলেছে, “মার নয়তো মর।” আমিও তা–ই করেছি।’

ছক্কা মারার জন্য বাংলাদেশি বাঁহাতি স্পিনটা যে বার্লের বিশেষ পছন্দ, সেটির উদাহরণ আছে আরও। ২০১৯ সালের বাংলাদেশ সফরে সাকিব আল হাসানের ১ ওভারে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৩০ রান নিয়েছিলেন এই বাঁহাতি। পরশু টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের পর সেই ম্যাচের প্রসঙ্গ টেনে বার্ল অট্টহাসিতে ফেটে পড়লেন। সাকিব-নাসুমকে খোঁচা দিতেও ভুললেন না, ‘আমরা দলের সবাই এটা নিয়ে মজা করছিলাম। এখন সাকিব কই? সে এই সফরে এল না যে? আজ নাসুমের ওভারে ৩৪ নিয়েছি। কে জানে, সে–ও হয়তো সাকিবের মতো পরেরবার জিম্বাবুয়ে সফরে আসবে না (হাসি)।’

টানা ছক্কা মারার কৌশলটাও জানালেন বার্ল। ২০ ওভারের খেলায় তাঁর ব্যাটিং ভাবনাটাই নাকি শুরুই হয় ছক্কা থেকে। যেকোনো বলেই ছক্কা মারার লক্ষ্য থাকে তাঁর। ছক্কা না হলে ৪, তা–ও না হলে ২ অথবা ১। বার্ল বলছিলেন, ‘হিটিং মিটারটা হলো এমন, ৬-৪-২-১। ছক্কা থেকে শুরু সব। এরপর বলের মেধা বুঝে খেলা। এটা আগে মাথায় ঢোকাতে হবে। মেরে খেলার ক্ষেত্রে মাথাটাই আসল। মানসিকতা যদি বদলানো যায়, তাহলে চার-ছক্কা আসবেই। দেখুন না, আমরা মানসিকতা বদলে কী করে ফেলেছি! আমরা সর্বশেষ সাত ম্যাচের ছয়টিতে জিতেছি। দলের মধ্যে এখন আত্মবিশ্বাস ভরপুর। এত দ্রুত পরিবর্তন আনা মানসিকতা পাল্টানো ছাড়া সম্ভব নয়।’

জমজমাট আড্ডায় মশগুল বার্লের সামনে কাল হারারেতেই শুরু হতে যাওয়া ওয়ানডে সিরিজের প্রসঙ্গও তোলা হলো। তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিমরা ফেরায় বাংলাদেশের শক্তি বাড়বে। টি-টোয়েন্টির মতো ওয়ানডে সিরিজ জয়টা নিশ্চয়ই সহজ হবে না জিম্বাবুয়ের জন্য।

না, বার্ল সেদিকে গেলেনই না। বিয়ারের বোতলে বড় একটা চুমুক দিয়ে বললেন, ‘এখন ওয়ানডে নিয়ে ভাবছি না। এখন আমার উপভোগের সময়...।’

এশিয়া কাপে অনিশ্চিত নুরুল

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি–টোয়েন্টি ম্যাচে চোট পেয়েছেন বাঁ হাতির তর্জনীতে। তাতে জিম্বাবুয়ে সফরই শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের টি–টোয়েন্টি অধিনায়ক নুরুল হাসানের। তিনি খেলতে পারবেন না এশিয়া কাপ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগামী ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া এশিয়া কাপের আগে বাংলাদেশের উইকেটকিপার–ব্যাটসম্যানের চোটমুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমই।

বিসিবি সূত্র জানিয়েছে, চিকিৎসার জন্য নুরুল হাসানকে যত দ্রুত সম্ভব সিঙ্গাপুর অথবা ইংল্যান্ডে পাঠানো হবে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন