টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বল হাতে নিজের সেরা ছন্দ থেকে অনেক দূরে আছেন আফ্রিদি। তিন ম্যাচে মাত্র ১টি উইকেট পেয়েছেন।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জয়ের পর পাকিস্তানের এই পেসার স্বীকার করেছেন, পূর্ণ ফিট হয়ে ছন্দে ফিরতে সংগ্রাম করতে হচ্ছে, ‘তিন মাসের মধ্যে এই ধরনের চোট থেকে ফিরে আসা সহজ নয়। সৃষ্টিকর্তা কাউকে এমন চোটে না ফেলুক। তবে যাঁরা এই চোটের ভেতর দিয়ে গেছেন তাঁরা জানেন, এটা কতটা কঠিন।’

এরপরও নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছেন জানিয়ে ২২ বছর বয়সী আফ্রিদি বলেছেন, ‘আমি চেষ্টা করছি নিজের শতভাগ দেওয়ার। আমি মনে করি, আমার গতি আগের মতোই আছে। বলের গতি ১৩৫–১৪০ এর মধ্যেই থাকছে। এখন আমার চেষ্টা পূর্ণ ফিট হয়ে ফেরার। ম্যাচ ফিটনেস একেবারেই ভিন্ন ব্যাপার। তিন মাস পর ফিরে এসে তাৎক্ষণিকভাবে পুরোপুরি মেলে ধরা কঠিন।’

চোটের পর আফ্রিদির টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন অনেকে। তবে আফ্রিদি চেয়েছিলেন খেলতে।

পুনর্বাসন থেকে বিশ্বকাপ পর্যন্ত লড়াইটা কেমন ছিল জানতে চাইলে আফ্রিদি বলেছেন, ‘ইংল্যান্ডে একাই লড়েছি। চোটে পড়ে আমাকে কখনোই এত লম্বা সময় ছুটিতে থাকতে হয়নি। অবশ্যই বন্ধুরা, সতীর্থরা পাশে ছিল। আমার লক্ষ্য ছিল বিশ্বকাপ খেলা। সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ, আমি সেটা খেলছি। প্রথম দুই মাস আমি ঠিকঠাক হাঁটতেও পারিনি, ফোলা বেড়ে যেত। মাঠে বল করার প্রস্তুতি নিতে আমি শেষ দুই সপ্তাহ ইনডোরে বোলিং করেছি।’

শাহিনের অবস্থা দেখে এখনো তাঁকে পুরোপুরি ফিট মনে হচ্ছে না ভারতীয় কিংবদন্তি শাস্ত্রীর। কোহলিদের সাবেক এই কোচ বলেছেন, ‘একটা ব্যাপার আমার কাছে পরিষ্কার, সে কষ্ট পাচ্ছে। সে মূলত শারীরিকভাবে কষ্ট পাচ্ছে। আমার মনে হয় না সে পুরোপুরি ফিট। তাকে কিছুদিন আগেই ফেরানো হয়েছে। তাই তার ওপর প্রত্যাশা একটু বেশিই মনে হয়। এটা বিশ্বকাপ। তার ওপর চাপ থাকবেই। দেশ তাকে খেলতে দেখতে চায়, নির্বাচকেরা তাকে খেলতে দেখে চায়।’

আফ্রিদি বিশ্বকাপের পর লম্বায় সময়ের জন্য বিশ্রামে যাবেন উল্লেখ করে শাস্ত্রী আরও বলেছেন, ‘তবে সে নিজেকে ধীরে ধীরে ফিরে পাচ্ছে। সামনের দিকে সে নিজেকে ফিরে পাবে। বিশ্বকাপের পর আমি তাকে বড় ধরনের ছুটিতে যেতে দেখতে পাচ্ছি।’