default-image

খাজা ২০১৯ সালের পর অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেট আর খেলেননি। তিনি মনে করেন, আন্তর্জাতিক সূচির বুনট আলগা করতে কিছু একটা করতে হবে। সেই ‘কিছু একটা’ যে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে মনোযোগ সরিয়ে ফেলা, তা বলেছেন খাজা, ‘এটা পুরোপুরি আমার ব্যক্তিগত মতামত। আমি জানি, আমার মতো অনেকেই এটা ভাবছেন। টেস্ট ক্রিকেট আছে, যেটি সবকিছুর চূড়া। টি–টোয়েন্টি ক্রিকেট আছে, সারা দুনিয়াতে টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ বাণিজ্যিক দিক দিয়ে সফল। এটা বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়, খেলাপ্রেমীদের বিনোদনের উৎস। এরপর ওয়ানডে ক্রিকেট। সব কটি সংস্করণের মধ্যে এটি তৃতীয় অবস্থানে। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ওয়ানডে ক্রিকেট ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছে। হ্যাঁ, বিশ্বকাপ আছে, যেটা ভীষণ মজার এবং দেখতেও ভালো লাগে। এর বাইরে আমি নিজেও ওয়ানডে নিয়ে অতটা আগ্রহী নই।’

default-image

উসমান খাজা যখন ওয়ানডে ক্রিকেটের বিপক্ষে বলছেন, ঠিক তখনই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জিম্বাবুয়ে ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের সূচি প্রকাশ করেছে। দুটি সিরিজই হবে অস্ট্রেলিয়ার অখ্যাত ভেন্যু টাউন্সভিল ও কেয়ার্নসে। গোটা অস্ট্রেলিয়াই এখন অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অপেক্ষায়। জিম্বাবুয়ে ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ দুটি নিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) খুব বেশি আশাবাদী নয়। তারাও জানে, আশি ও নব্বইয়ের দশকের ওয়ানডে ক্রিকেটের সেই জৌলুশ এখন আর নেই। সে সময় অস্ট্রেলিয়ায় সাদা বল ও রঙিন পোশাকে প্রতিবছর একটি করে ত্রিদেশীয় সিরিজ অনুষ্ঠিত হতো। মেলবোর্ন, সিডনি, ব্রিসবেন, পার্থ, হোবার্টের মতো ভেন্যুগুলো প্রতিটি ওয়ানডে ম্যাচেই ভর্তি থাকত দর্শকে।

উসমান খাজা মনে করেন বর্তমানে ক্রিকেটের যে সূচি, তাতে কোনো ক্রিকেটারের পক্ষেই সমানতালে তিন সংস্করণে খেলে যাওয়া সম্ভব নয়। তিনি রসিকতা করেই বলেছেন, কোনো ক্রিকেটার তিন সংস্করণে মনোযোগ দিলে সে বছরে একটি দিনও নিজের পরিবারের সঙ্গে বাড়িতে থাকতে পারবে না।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন