ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ
পাঁচ সেঞ্চুরির দিনে মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
মোহামেডানকে প্রথম হার ‘উপহার’ দিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে উঠেছে প্রাইম ব্যাংক। পাঁচ সেঞ্চুরির দিনে ৬ উইকেট পেয়েছেন আবদুল গাফফার সাকলাইন।
মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে দারুণ এক ম্যাচই উপহার দিয়েছে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল প্রাইম ব্যাংক ও মোহামেডান। ৬ উইকেটে ৩০৩ রান করে মোহামেডান, সর্বোচ্চ ৯৯ রান করেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। রানটা ৫ বল ও ৩ উইকেট হাতে রেখেই পেরিয়ে লিগে টানা পঞ্চম জয় পেয়েছে প্রাইম ব্যাংক। দলের ওপেনার শাহাদাত হোসেন ১২৩ বলে ১১৮ রান করে জয়ের ভিত গড়ে দেন। তবে ৪৯তম ওভারের প্রথম দুই বলে মোহামেডানের মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ২ উইকেট তুলে নিয়ে ব্যাংকের স্কোরটাকে ২৮৯/৭ বানিয়ে দেন। ওই ওভারেই চতুর্থ ও পঞ্চম বলে টানা দুই ছক্কা মেরে সব শঙ্কা দূর করেন শামীম হোসেন। জাতীয় দলের ব্যাটসম্যান ২১ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন।
সাব্বিরের ফিফটিতে আবাহনীর জয়
২১০ রানের লক্ষ্য ছিল। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৪৯ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে আবাহনী। সেখান থেকেই মাহফুজুর রাব্বিকে নিয়ে ৬১ রানের জুটি গড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের ৪ উইকেটের জয় এনে দেন সাব্বির রহমান। মাহফুজুর ২৭ বলে ২২ ও সাব্বির ৫৪ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত ছিলেন। পঞ্চম ম্যাচে তৃতীয় জয় পাওয়া আবাহনীর হয়ে সর্বোচ্চ ৫৭ রান (৫৪ বল) করেন অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন। ৪৪ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পঞ্চম উইকেটে জাকের আলীকে (৪৩) ৭৮ রান যোগ করেন মোসাদ্দেক। এর আগে স্ট্রাইকার্সের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৮১ রান করেন লেগ স্পিনার হিসেবে জাতীয় দলে খেলা আমিনুল ইসলাম। আবাহনীর পেসার রোহনাত দৌল্লাহ পেয়েছেন ৪ উইকেট।
মিঠুনের সেঞ্চুরি, লেপার্ডসের জয়
পূর্বাচলের ক্রিকেটার্স একাডেমিতে ৮৬ বলে ১১২ রান করেছেন ঢাকা লেপার্ডসের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। ৮টি ছক্কা মেরেছেন জাতীয় দলের সাবেক ব্যাটসম্যান। তাঁর দল করে ৭ উইকেটে ৩৫১ রান। রান তাড়ায় ব্রাদার্স অলআউট ২৩১ রানে। পাঁচ ম্যাচে তৃতীয় জয় পেয়েছেন লেপার্ডস।
শুভাগত-নাসিরে জয় অগ্রণী ব্যাংকের
পিকেএসপিতে প্রিতম কুমারের ৬২ বলে ৭২ রানের ইনিংসে ভর করে ৮ উইকেটে ২৫২ রান করে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। জবাবে ৮৯ রানেই ৫ উইকেট হারায় অগ্রণী ব্যাংক। তবে এরপর ১৩৯ রানের জুটি গড়েন দুই অভিজ্ঞ খেলোয়াড় নাসির হোসেন ও শুভাগত হোম। শুভাগত ৬৭ বলে ৭৮ রান করে আউট হয়ে গেলেও নাসির ৭৯ বলে ৭৮ রান করে দলকে ৪ উইকেটের জয় এনে দিয়ে অপরাজিত থাকেন।
আশিকুরের প্রথম সেঞ্চুরিতে লিজেন্ডসের বড় জয়
ওপেনার আশিকুর রহমান শিবলির লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিতে ভর করে ৮ উইকেটে ৩৫৪ রান করে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে এরপর গুলশান ক্রিকেট ক্লাবকে ১০৯ রানে অলআউট করে ২০৫ রানে জিতেছে লিজেন্ডস। পঞ্চম ম্যাচে তাদের এটি তৃতীয় জয়। লিজেন্ডসের বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ ৩২ রানে নেন ৪ উইকেট।
দুই সেঞ্চুরির ম্যাচে সিটি ক্লাবের জয়
বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে মন্থর ব্যাটিংয়ের মূল্য চুকিয়ে হেরেছে রূপগঞ্জ টাইগার্স। দলটির দুই ওপেনার আবদুল মজিদ ও মাহমুদুল হাসান ১২১ রানের জুটি গড়লেও খেলেছেন ৩১.৫ ওভার। মজিদ ৮৫ বলে ৫২ ও ‘লিমন’ নামেই বেশি পরিচিত মাহমুদুল ১৪৪ বলে করেছেন ১০৬। এরপর মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ৩৭ বলে ৫০ করলেও ৭ উইকেটে ২৪৬-ই করতে পারে দলটি। ৩৭ রান দিয়ে ৭ উইকেটের ৬টিই নিয়েছেন সিটি ক্লাবের পেসার আবদুল গাফফার সাকলাইন। ওপেনার সাদিকুরের ৯৫ বলের অপরাজিত ১০৫ রানের ইনিংসে ১০.৩ ওভার ও ৬ উইকেট হাতে রেখে জিতে যায় সিটি। দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯০ রান এনামুল হক এনামের।