রিশাদদের ২১৪ রান পাত্তাই পেল না শরীফুলদের কাছে

পেশোয়ারের জার্সিতে শরীফুল ইসলামএক্স/পিএসএল

দুই দলে ছিলেন দুই বাংলাদেশি। পেশোয়ার জালমিতে শরীফুল ইসলাম, রাওয়ালপিন্ডিজে রিশাদ হোসেন।

পিএসএলে আজ দুই বাংলাদেশি বোলারের ম্যাচটিতে দাপট দেখিয়েছেন ব্যাটসম্যানেরা। যে দাপুটে ব্যাটিংয়ে রাওয়ালপিন্ডিজের ২১৪ রান পেশোয়ার টপকে গেছে ৫ বল আগেই। রিশাদদের বিপক্ষে শরীফুলের দলের জয় ৫ উইকেটে।

পেশোয়ারের জয়ের ভিত্তি গড়া হয়ে যায় ওপেনিংয়েই। বাবর আজম ও মোহাম্মদ হারিসের উদ্বোধনী জুটি পাওয়ারপ্লেতে তোলে ৬২ রান। এরপর ৭৮ রানের মাথায় বাবর (৩৯) আর ৯৬ রানের মাথায় হারিস (৪৭) আউট হলেও রানের গতি ধীর হয়নি। তবে রিশাদের বলে অ্যারন হার্ডি ক্যাচ দিয়ে ফিরলে কিছুটা ম্যাচে ফেরে রাওয়ালপিন্ডিজ। শেষ ছয় ওভারে পেশোয়ারের দরকার ছিল ৮৫ রান। ওভারপ্রতি ১৪+ রানের এই কঠিন সমীকরণ দলটির নাগালে নিয়ে যান মাইকেল ব্রেসওয়েল ও আবদুল সামাদ। ১১ বলে ৩৩ রান করে সামাদ শেষ দিকে আউট হলেও ব্রেসওয়েল অপরাজিত থাকেন ১৭ বলে ৩৫ রানে।

রিশাদ ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১ উইকেট নেন ৩৫ রানে। ১৯ ওভারে স্কোরে সমতা এনে শেষ ওভারের প্রথম বলে জয়সূচক রান তোলে শরীফুলদের দল।

এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নামা রাওয়ালপিন্ডিজ ইয়াসির খান ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের উদ্বোধনী জুটিতে পেয়ে যায় ১২৫ রান। ইয়াসির ৪৬ বলের ইনিংসে ৭ চার ও ৬ ছক্কায় করেন ৮৩ রান, রিজওয়ান ৩২ বলে ৪১। রাওয়ালপিন্ডিজের হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন তিনে নামা কামরান গুলাম।

পেশোয়ারের হয়ে বোলিং ওপেন করা শরীফুল ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন। তবে উইকেট না পেলেও স্বস্তি নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন তিনি। পেশোয়ারের বোলারদের মধ্যে শরীফুল ও সুফিয়ান মুকিম ছাড়া অন্য চার বোলারই ওভারপ্রতি ন্যূনতম ১১ রান করে দিয়েছেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

রাওয়ালপিন্ডিজ: ২০ ওভারে ২১৪/৪ (ইয়াসির ৮৩, রিজওয়ান ৪২; রাজা ২/৪২, শরীফুল ০/৩১)। পেশোয়ার জালমি: ১৯.১ ওভারে ২১৮/৫ (হারিস ৪৭, বাবর ৩৯; আমাদ ২/৪৫, রিশাদ ১/৩৫)। ফল: পেশোয়ার ৫ উইকেটে জয়ী।