সম্প্রচার শেষ ১৬ ঘণ্টা আগে

বিপিএল: সিলেটের চতুর্থ জয়ের ম্যাচে ঢাকার চতুর্থ হার

১৬: ২০ , জানুয়ারি ০৮

২০ রানের জয়ে প্লে–অফ সম্ভাবনা উজ্জ্বল করল সিলেট

সিলেট টাইটানসের ৬ উইকেটে ১৮০ রান তাড়া করতে নেমে ঢাকা ক্যাপিটালস থেমেছে ৮ উইকেটে ১৬০ রানে। ২০ রানের জয়টি এবারের আসরে সিলেটের চতুর্থ। আর ষষ্ঠ ম্যাচে ঢাকার চতুর্থ হার।

৮ পয়েন্ট নিয়ে সিলেট এখন প্লে–অফ দৌড়ে তৃতীয় স্থানে। সমান পয়েন্ট আছে চট্টগ্রাম রয়্যালস, রংপুর রাইডার্স আর রাজশাহী ওয়ারিয়র্সেরও। তবে তাদের প্রত্যেকেই ম্যাচ কম খেলেছে। রান রেটের কারণে শীর্ষে থাকা চট্টগ্রাম খেলেছে ৬ ম্যাচ, আর দ্বিতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা রংপুর ও রাজশাহী ৫ ম্যাচ করে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

সিলেট টাইটানস: ২০ ওভারে ১৮০/৬ (আরিফুল ৩৮, আজমতউল্লাহ ৩৩, পারভেজ ৩২, মঈন ২৮; জিয়াউর ৩/৩৫, সাইফ ১/১৬)। ঢাকা ক্যাপিটালস: ২০ ওভারে ১৬০/৮ (গুরবাজ ৫১, সাব্বির ২৫; সালমান ৩/২৫, মঈন ২/২০)। ফল: সিলেট টাইটানস ২০ রানে জয়ী। ম্যাচসেরা: মঈন আলী।
১৫: ৪৫ , জানুয়ারি ০৮

মঈনের ক্যামিওতে সিলেটের জয়

১৮ ওভার শেষে সিলেটের রান ছিল ৫ উইকেটে ১৩৫। উইকেটে তখন মঈন আলী ও ইথান ব্রুকস। দুজনের কেউই রানের খাতা খোলেননি। এমন সময়ে মঈনের সামনে ঢাকা মিঠুন বোলিংয়ে নিয়ে আসেন স্পিনার নাসিরকে। অথচ তখনো সাইফউদ্দিন ও তাসকিনের ওভার বাকি।

এই ওভারে মঈন নেন ২৮ রান। এবারের বিপিএলে সবচেয়ে খরুচে ওভার ছিল এটি। সেই ছন্দ কাজে লাগিয়ে পরের ওভারে সিলেট তোলে ১৭ রান। এই দুই ওভারই ম্যাচের ছন্দ পরিবর্তন করে দেয়। ম্যাচশেষে নাসিরকে বোলিংয়ে আনা নিজের বড় ভুল বলে স্বীকার করেছেন মিঠুনও।

সিলেটের এই ১৮০ রান তাড়া করতে নেমে ঢাকা তুলতে পারে ১৬০ রান।

৮ ম্যাচে এটি সিলেটের চতুর্থ জয়। ঢাকার এটি চতুর্থ হার।

চতুর্থ জয় পেল সিলেট
বিসিবি
১৫: ০৮ , জানুয়ারি ০৮

সাইফও গেলেন

আজও বড় ইনিংস খেলতে পারলেন না সাইফ। ১৪ বলে করেছেন ২২ রান। এবারের বিপিএলে এটাই তাঁর সর্বোচ্চ।

১৫: ০১ , জানুয়ারি ০৮

ফিরলেন গুরবাজ

৪৪ বলে ৫১ রান করে ফিরলেন গুরবাজ। সালমান ইরশাদের বলে ফিরেছেন এই আফগান ব্যাটসম্যান। ৪২ বলে ৭৭ রান প্রয়োজন ঢাকার।

১৪: ৪৫ , জানুয়ারি ০৮

অবিশ্বাস্য!

বড় শট খেলতেই শামীমকে চারে পাঠিয়েছে ঢাকা। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে শামীম মঈন আলীর বলে সুইপে টাইমিংটাও করেছিলেন দুর্দান্ত। মনে হচ্ছিল ছক্কাই হবে। তবে সিলেট অলরাউন্ডার ইথান ব্রকসের অবিশ্বাস্য ক্যাচে ফিরতে হয়েছে শামীমকে।

মিড উইকেটে দৌড়ে গিয়ে ব্রুকস প্রথমে ক্যাচটা ধরেন। ধরার পর তাঁর শরীর সীমানার বাইরে চলে যাচ্ছিল। তাই বাইরে যাওয়ার আগেই তিনি বলটা ভেতরের দিকে ছুঁড়ে দেন।
এরপর নিজে সীমানার বাইরে থেকে আবার ঝাঁপ দিয়ে ভেতরে ঢুকে সেই বলটা ধরে ফেলেন।

১৪: ৩৫ , জানুয়ারি ০৮

নাসিরের বিবর্ণ দিন

বল হাতে নিজের বোলিং কোটার শেষ ওভারে দেন ২৮ রান। সে কারণেই সিলেটের রানটা গেছে ১৮০ রান পর্যন্ত। এরপর ব্যাটিংয়ে এসে ৭ বলে ৩ রান করেছেন নাসির। নাসুমের বলে বোল্ড হয়েছেন ঢাকার এই অলরাউন্ডার।

১৪: ২৩ , জানুয়ারি ০৮

৬ ওভারে ঢাকার ৫৭

ষষ্ঠ ওভার থেকে ঢাকা তুলল ১৪ রান। হারাল আল মামুনের উইকেট। ১১ বলে ২৪ রান করেছেন মামুন।

১৪: ১০ , জানুয়ারি ০৮

গুরবাজে ভালো শুরু ঢাকার

ঢাকা ক্যাপিটালস: ৪ ওভারে ৩৯/০। লক্ষ্য: ১৮১।

ওভারপ্রতি ৮ রানের বেশি তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালসের। রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও আবদুল্লাহ আল মামুনের উদ্বোধনী জুটি প্রথম ৪ ওভারে তুলেছে ৩৯ রান।

এর মধ্যে গুরবাজ ১৯ বলে ২৭ আর মামুন ৫ বলে ১১ রান করে অপরাজিত।

১৩: ৪৩ , জানুয়ারি ০৮

ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১৮১ রানের লক্ষ্য দিল সিলেট

সিলেট টাইটানস: ২০ ওভারে ১৮০/৬।

২০তম ওভারে ১৭ রান যোগ করেছে সিলেট টাইটানস। জিয়াউর রহমানের এই ওভারে একটি করে ছক্কা মেরেছেন ইথান ব্রুকস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। মাঝে মঈন আলী অবশ্য বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত যা হয়েছে, সিলেটের তাতে খুশিই হওয়ার কথা।

শেষ দুই ওভারে ৪৫ আর শেষ ৫ ওভারে ৭৬ রান করেছে সিলেট। ১৪ ওভার শেষে ৯২/৩ স্কোরে আটকে থাকা সিলেট সর্বশেষ ৬ ওভারে ৮৮ রান পেয়েছে মূলত তিনজনের সৌজন্যে।

মঈন আলী ৮ বলের ইনিংসে ৩ ছক্কা ২ চারে করেছেন ২৮ রান। যার সবগুলোই ১৯তম ওভারে নাসির হোসেনের বলে। এ ছাড়া চতুর্থ উইকেটে ৬২ রানের জুটি গড়া আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও আরিফুল ইসলামও খেলেছেন ত্রিশোর্ধ্ব ইনিংস।

আরিফুল ২৯ বলে ৩৮ আর আজমতউল্লাহ ২৩ বলে ৩৩ রান করেছেন। ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে ৩৫ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন জিয়াউর রহমান।

সিলেট ইনিংস

সিলেট টাইটানস: ২০ ওভারে ১৮০/৬ (আরিফুল ৩৮, আজমতউল্লাহ ৩৩, পারভেজ ৩২, মঈন ২৮; জিয়াউর ৩/৩৫, সাইফ ১/১৬)।
১৩: ৩৩ , জানুয়ারি ০৮

নাসিরের ওভারে মঈনের ঝড়

সিলেট টাইটানস: ১৯ ওভারে ১৬৩/৫।

নাসির হোসেনের স্পিনে ‘বেধড়ক’ পিটুনি দিয়েছেন মঈন আলী। ১৯তম ওভারে ৩টি ছক্কা, ২টি চারসহ মোট ২৮ রনা তুলে নিয়েছেন তিনি।

ওভারটিতে রান উঠেছে এভাবে—৬, ২, ৪, ৬, ৪, ৬।

১৩: ১২ , জানুয়ারি ০৮

এবার তাসকিনে চড়াও ওমরজাই

সিলেট টাইটানস: ১৬ ওভারে ১২২/৩।

১৫তম ওভারে সাইফুদ্দিনের বলে আরিফুলের টানা দুই চারে ১০০–তে পৌঁছেছে সিলেট। পরের ওভারে তাসকিনের ওপর চড়াও হয়েছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই।

প্রথম বলে ছক্কা, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে চার—তিন বল থেকেই ১৪ রান। তাসকিন অবশ্য ঘুরে দাঁড়িয়েছেন পরের তিন বলেই। দিয়েছেন একটি ওয়াইডসহ ৪ রান।

মোটের ওপর ইনিংসের ১৬তম ওভারে তাসকিন দিয়েছেন ১৮ রান।

১৩: ০১ , জানুয়ারি ০৮

রান তোলায় ধীর গতি

সিলেট টাইটানস: ১৩ ওভারে ৮৬/৩।

ইনিংসের অষ্টম ওভারে ৯ রান উঠেছিল সিলেটের। পরের পাঁচ ওভারে সর্বোচ্চ ৭ রান উঠেছে। সিলেটের রান তোলার গতি এখন ধীর।

উইকেটে আছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই (১১) ও আরিফুল ইসলাম (১৩)।

১২: ৩৮ , জানুয়ারি ০৮

দুই ওপেনারের বিদায়

সিলেট টাইটানস: ৮ ওভারে ৫৮/২।

পাওয়ারপ্লেতে কোনো উইকেট হারায়নি সিলেট টাইটানস। ৬ ওভারে বিনা উইকেটে তুলেছিল ৪৮ রান। তবে সপ্তম ও অষ্টম ওভারে টানা দুই উইকেট হারিয়েছে সিলেট।

সপ্তম ওভারে নাসির হোসেনের অফ স্পিনে কিপারের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তৌফিক খান (২১ বলে ১৭ রান)। ৪৮ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর অষ্টম ওভারে সাইফ হাসানের বলে তাসকিনকে ক্যাচ দিয়েছেন আরেক ওপেনার পারভেজ হোসেন। ৫ চার, ১ ছক্কায় ২৪ বলে ৩২ রান করেছেন এই বাঁহাতি।

এখন ব্যাটিংয়ে আছেন আরিফুল ইসলাম ও আফিফ হোসেন।

১২: ২৪ , জানুয়ারি ০৮

তাসকিনে চড়াও পারভেজ

সিলেট টাইটানস: ৫ ওভারে ৩৭/০।

সিলেটের শুরুটা ধীর হলেও হাত খোলার চেষ্টা করছেন দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ও তৌফিক খান। প্রথম চার ওভারে ১৮ রান ওঠার পর পঞ্চম ওভারে ১৯ রান পেয়েছে ঢাকা।

ওভারটি করেছেন তাসকিন আহমেদ। প্রথম বলে বাই থেকে চার হয়েছিল। আর শেষ তিন বলে তাসকিনকে বাউন্ডারি–ছাড়া করেছেন পারভেজ।

১২: ০৬ , জানুয়ারি ০৮

টসে হারার পর ব্যাটিংয়ে সিলেট

টসে জিতেছেন ঢাকা ক্যাপিটালস অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। তিনি আগে বোলিং বেছে নিয়েছেন।

সিলেটের হয়ে ইনিংস ওপেন করতে নেমেছেন তৌফিক খান ও পারভেজ হোসেন। ইমাদ ওয়াসিমের করা প্রথম ওভার থেকে ৪ রান নিয়েছেন দুজনে।

১২: ০৪ , জানুয়ারি ০৮

সিলেটের চতুর্থ না ঢাকার তৃতীয়

বিপিএল লিগ পর্বে আজকের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি ঢাকা ক্যাপিটালস–সিলেট টাইটানস। ঢাকার এটি ষষ্ঠ ম্যাচ। আগের পাঁচ ম্যাচের দুটিতে জিতেছে মোহাম্মদ মিঠুনের দল।

আর সিলেটের এটি অষ্টম ম্যাচ। মেহেদী হাসান মিরাজের দল জিতেছে ৩টিতে।