সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আবার প্রশ্নের সম্মুখীন। তিন সপ্তাহ পরেই আবার দেশটিতে যেতে হবে বলে এ নিয়ে উদ্বেগ আছে কি না, সিডনিতে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে উড সর্বশেষ সফরের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘আমরা যখন গিয়েছিলাম, তখনকার নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল খুবই চমৎকার। আমাদের আসলেই ভালো লেগেছিল। তবে এখন যা ঘটছে, আমি যদি বলি যে উদ্বিগ্ন নই, সেটা মিথ্যা বলা হবে। একজন ক্রিকেটার হিসেবে সেখানে এখন যাওয়াটা অবশ্যই দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।’

পাকিস্তানের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত হলেও যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়ে নিজের মত স্পষ্ট করেননি উড।

ইংল্যান্ড দলের পাকিস্তান সফরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিয়েছেন ইসিবির (ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড) ওপর, ‘ওই দেশে যে অস্থিরতা চলছে, সেটা নিয়ে আলাপ করা ওদেরই কাজ, আমাদের নয়। আমরা আমাদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ওপর আস্থা রাখি। ওরা যদি বলে যে যাওয়াটা নিরাপদ, তাহলে কোনো সমস্যা নেই। আমি জানি না, সফরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত বদলানো হবে কি না।’

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, পাকিস্তানে আসন্ন সফর বাতিল বা স্থগিতের কোনো পরিকল্পনা নেই ইসিবির। গত মাসে পাকিস্তানে ইংল্যান্ডের সফরটি ছিল ১৬ বছর পর দেশটিতে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের প্রথম সফর।

২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলঙ্কা দলের ওপর হামলার পর ছয় বছর আইসিসির কোনো পূর্ণাঙ্গ সদস্য দেশ পাকিস্তানে খেলতে যায়নি। ২০১৫ সালে জিম্বাবুয়েকে দিয়ে অঘোষিত সেই ‘নির্বাসন’ শেষ হয়। গত ছয় বছরে নিউজিল্যান্ড ও ভারত ছাড়া বাকি সব দলই পাকিস্তানে সফর করেছে।